বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
নীতিনির্ধারণে পরামর্শ নিতে উপদেষ্টা পরিষদ গড়ছে জামায়াত

নীতিনির্ধারণে পরামর্শ নিতে উপদেষ্টা পরিষদ গড়ছে জামায়াত

দলের নীতিনির্ধারণী বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ নিতে উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সরাসরি দলীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন, তবে বিভিন্নভাবে জামায়াতকে পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছেন—এমন ব্যক্তিদের এই পরিষদে যুক্ত করার চিন্তা করছে দলটি। বিশেষ করে নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত ও তুলনামূলক বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের পরিষদে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের আলোচনা শুরু হয়। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এ উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা আরও গতি পায়। গত জুনে দলের সর্বশেষ মজলিশে শুরার বৈঠকেও বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়। তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম জানিয়েছেন, উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। আগামী মজলিশে শুরার বৈঠকে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, উপদেষ্টা পরিষদের কাঠামো, সদস্য নির্বাচন, আরোও পড়ুন,পাচার করা অর্থ দিয়ে নাশকতার ষড়যন্ত্র চলছে: রুহুল কবির রিজভীদায়িত্ব এবং নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এর ভূমিকা এসব বিষয় বিস্তারিত পর্যালোচনা করতে চায় জামায়াত। এ জন্য কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ ও মজলিশে শুরার পরবর্তী বৈঠকে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হতে পারে। পরবর্তী শুরার বৈঠকে উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের প্রস্তাব তোলা হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার দলের আমির শফিকুর রহমানের। প্রস্তাবটি আলোচনায় এলে শুরার সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। পরিষদ গঠনের অনুমোদন পাওয়া গেলে দলের গঠনতন্ত্রে আলাদা ধারা বা উপধারা যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এর মাধ্যমে উপদেষ্টা পরিষদের সাংগঠনিক ভিত্তি তৈরি করা হবে। জামায়াত নেতাদের ভাষ্য, দলের প্রতি সমর্থন থাকলেও সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত নন—এমন অনেক ব্যক্তির অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান নীতিনির্ধারণে কাজে লাগাতেই এই উদ্যোগ। তবে পরিষদের সদস্যসংখ্যা, সদস্য বাছাইয়ের প্রক্রিয়া ও দায়িত্ব সম্পর্কে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

ঐক্যই শক্তি আলেমদের বিভক্তি নিয়ে উদ্বেগ সাবেক ধর্ম উপদেষ্টার

ইসলাম প্রতিষ্ঠা ও দেশ গঠনে আলেমসমাজের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, আলেমসমাজ বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত থাকলেও বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ঐক্যকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘ন্যাশনাল ওলামা সামিটে’ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সাবেক এই ধর্ম উপদেষ্টা। আলেমদের বিভক্তির প্রসঙ্গ তুলে ধরে ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, একটি পিঁপড়াও একা হাঁটে না, এমনকি বনের মধ্যে হাতিও একা চলে না। অথচ আলেমসমাজ বিভিন্ন দলে ও গ্রুপে বিভক্ত। বৃহত্তর স্বার্থে এই বিভক্তি কাটিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, ঐক্যই শক্তিতে পরিণত হবে। ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ আগামী দিনেও বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সামনে এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। সংগঠন ও রাজনৈতিক কার্যক্রমের ভিত্তি শক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা। তিনি বলেন, কাদামাটির ওপর দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করা যায় না। তাই কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার আগে নিজেদের পায়ের নিচের মাটি শক্ত আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। ইসলামী দলগুলোর জনসমর্থন ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়েও বক্তব্য দেন তিনি। তাঁর মতে, ওয়াজ মাহফিলে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নিলেও তাঁদের সবাইকে রাজনৈতিক সমর্থক হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক নয়। জনসমাগম আর ভোটের সমর্থন এক বিষয় নয়—এই বাস্তবতা উপলব্ধি করার তাগিদ দেন তিনি। বিগত নির্বাচনের ভোটের হিসাব তুলে ধরে ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, বিএনপি ৫০ শতাংশ ভোট পেয়েছে বলে তাঁর বক্তব্য। জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য দল মিলিয়ে ভোটের হিসাব উল্লেখ করে তিনি বলেন, সব ইসলামী দল এক হলেও ক্ষমতায় যাওয়া নিশ্চিত নয়। জামায়াতে ইসলামীকে বাদ দিলে ইসলামী দলগুলোর ভোটের হার নিয়েও তিনি মন্তব্য করেন।

ঐক্যই শক্তি আলেমদের বিভক্তি নিয়ে উদ্বেগ সাবেক ধর্ম উপদেষ্টার

আলেমদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানালেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা

ইসলাম প্রতিষ্ঠা ও দেশ গঠনে আলেমদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, আলেমসমাজ বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে আছে। বৃহত্তর স্বার্থে এই বিভক্তি কাটিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ন্যাশনাল ওলামা সামিটে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। আলেমদের উদ্দেশে তিনি বলেন, একটি পিঁপড়াও একা হাঁটে না। এমনকি জঙ্গলের মধ্যে কোনো হাতিও একা হাঁটে না। অথচ আলেমসমাজ দশদিকে দশটি গ্রুপে বিভক্ত। তাঁর মতে, বৃহত্তর লক্ষ্য অর্জন এবং বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আলেমদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা জরুরি। তিনি আরও বলেন, ঐক্যই শক্তিতে পরিণত হবে। ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ আগামী দিনেও বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সামনে এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। আলেমসমাজের সাংগঠনিক ভিত্তি নিয়েও বক্তব্য দেন সাবেক এই ধর্ম উপদেষ্টা। তিনি বলেন, কাদামাটির ওপর দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করা যায় না। আরও পড়ুন,ন্যাশনাল ওলামা সামিটে নতুন কমিটি ঘোষণাতাই কোনো বড় লক্ষ্য অর্জনের আগে পায়ের নিচের মাটি শক্ত আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরে ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, ওয়াজ মাহফিলে লাখ লাখ মানুষ উপস্থিত হলেও তাঁদের সবাইকে ভোটার হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। তাঁর মতে, জনসমাগমের সঙ্গে নির্বাচনী সমর্থনের সরাসরি মিল ধরে নেওয়া ঠিক নয়। বক্তব্যে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভোটের হিসাবও তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, বিগত নির্বাচনে বিএনপি ৫০ শতাংশ ভোট পেয়েছে এবং জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য দল মিলিয়ে ভোটের হার দাঁড়িয়েছে ৩৫ শতাংশ। তিনি বলেন, সব ইসলামী দল এক হলেও ক্ষমতায় যাওয়ার মতো অবস্থান তৈরি হবে কি না, তা নিয়ে বাস্তবতা বিবেচনা করা প্রয়োজন। এ সময় জামায়াতে ইসলামীকে বাদ দিয়ে ইসলামী দলগুলোর ভোটের হার ৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সাধারণ জনগণের সঙ্গে আলেমদের যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক দুর্বল রেখে বড় বড় বক্তব্য দেওয়ার পরিবর্তে বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ প্রয়োজন। আগামী ২০৩১ সালে পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা। ন্যাশনাল ওলামা সামিটে তাঁর বক্তব্যে আলেমদের পারস্পরিক ঐক্য, সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

আলেমদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানালেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা

জাতিসংঘের সভাপতির আইনি উপদেষ্টা জাইমা রহমান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির কার্যালয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশের ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।তিনি সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার বা আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এই পদে থেকে সাধারণ পরিষদের সভাপতি খলিলুর রহমানকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের বিধিবিধান বিষয়ে আইনি পরামর্শ দেবেন তিনি।জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী সভাপতির কার্যালয়ের লিগ্যাল অফিসার সাধারণ পরিষদের কেন্দ্রীয় আইন বিভাগের কর্মকর্তা নন। বরং তিনি সরাসরি সাধারণ পরিষদের সভাপতির আইনি উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন।কোনো রেজুলেশন কীভাবে উত্থাপন করা হবে কিংবা কোনো সদস্য রাষ্ট্র পয়েন্ট অব অর্ডার তুললে সভাপতির কী ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত—এসব বিষয়ে আইনি পরামর্শ দেওয়ার দায়িত্ব থাকে এই কর্মকর্তার।এ ছাড়া কোনো সংশোধনী আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের বিধিবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না এবং কোনো প্রস্তাব গ্রহণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদন প্রয়োজন কি না তাও যাচাই করা হয়।আরও পড়ুন,গ্যারান্টি ক্লজসহ দেশের স্বার্থ নিশ্চিতের দাবিবিশেষ করে ফিলিস্তিন ও ইউক্রেনের মতো স্পর্শকাতর আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সাধারণ পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনার সময় জাতিসংঘ সনদ এবং পূর্ববর্তী নজির অনুসারে সভাপতিকে পরামর্শ দেওয়াও এই দায়িত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।সভাপতির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ২৯টি দেশের ছয়টি ভিন্ন ভাষাভাষী মোট ৪০ জন কর্মকর্তা কাজ করছেন। তাদের মধ্যে জাইমা রহমানসহ ছয়জন বাংলাদেশি রয়েছেন।জাইমা রহমানকে সভাপতির দাপ্তরিক ওয়েবসাইটে ব্যারিস্টার এবং আইন ও নীতি বিশেষজ্ঞ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।তিনি যুক্তরাজ্যের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইন ও রাজনীতি বিষয়ে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের ইনার টেম্পল থেকে বার-অ্যাট-ল সনদ লাভ করেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশে তালিকাভুক্ত একজন অ্যাডভোকেট।সংশ্লিষ্টদের মতে আন্তর্জাতিক আইন ও বহুপাক্ষিক কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ একটি প্ল্যাটফর্মে কাজ করার মাধ্যমে জাইমা রহমানের পেশাগত অভিজ্ঞতার পরিধি আরও বিস্তৃত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

জাতিসংঘের সভাপতির আইনি উপদেষ্টা জাইমা রহমান

এলডিসি উত্তরণ হতে হবে মসৃণ ও টেকসই অর্থ উপদেষ্টা তিতুমীর

এলডিসি বা স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণ যেন দেশের উন্নয়নযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত না করে, বরং আরও শক্তিশালী করে—এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এক উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় তিনি বলেন, এলডিসি উত্তরণ হতে হবে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল।মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘এলডিসি-জিআইএফ মেকানিজম ইন্ট্রোডাকশন অ্যান্ড হাই-লেভেল ডায়ালগ’-এ বক্তব্য দেন ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।তিনি বলেন, উত্তরণের পথে থাকা দেশগুলো এখনো কাঠামোগত নানা প্রতিবন্ধকতা এবং সীমিত উৎপাদন সক্ষমতার মুখোমুখি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভূরাজনৈতিক সংঘাত, বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন, বাণিজ্য অনিশ্চয়তা ও মূল্যস্ফীতি।দেশীয় বিভিন্ন অভিঘাতও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।এলডিসি থেকে উত্তরণ একটি দেশের উন্নয়নযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত না করে বরং আরও শক্তিশালী করতে হবে।আরও পড়ুন,অপরিকল্পিত নগরায়ন বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে”ড. তিতুমীরের মতে, শিল্পায়ন, সমন্বিত উদ্যোগ, জ্বালানি রূপান্তর এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে এলডিসি উত্তরণকে টেকসই করা সম্ভব। এজন্য উত্তরণশীল দেশগুলোর জন্য পর্যাপ্ত আন্তর্জাতিক সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি বিশেষ করে আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তার পাশাপাশি সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানান অর্থ উপদেষ্টা।তিনি বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় এলডিসিগুলোতে প্রযুক্তি হস্তান্তর এখনো অপ্রতুল।ড. তিতুমীর আশা প্রকাশ করেন, এলডিসি গ্রিন ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন ফ্যাসিলিটেশন বা এলডিসি-জিআইএফ উদ্যোগ প্রযুক্তি হস্তান্তর ও শিল্পে এর প্রয়োগ দ্রুততর করবে। একই সঙ্গে উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, কাঠামোগত রূপান্তর এবং টেকসই উত্তরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই উদ্যোগ।জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের এই আলোচনায় এলডিসি উত্তরণকে শুধু একটি মর্যাদাগত পরিবর্তন নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও টেকসই উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এলডিসি উত্তরণ হতে হবে মসৃণ ও টেকসই অর্থ উপদেষ্টা তিতুমীর