রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানিতে সিন্ডিকেট বাতিলের দাবি এবি পার্টির

মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানিতে সিন্ডিকেট বাতিলের দাবি এবি পার্টির

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি জনশক্তি রপ্তানিতে কথিত সিন্ডিকেট ব্যবস্থা বাতিল করে সব বৈধ ও লাইসেন্সধারী রিক্রুটিং এজেন্সিকে কাজের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি বা এবি পার্টি।একই সঙ্গে সরকার নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয়ের বাইরে শ্রমিকদের কাছ থেকে কোনো অর্থ না নেওয়া এবং বিদেশ যেতে শ্রমিকদের খরচ কমানোর দাবি জানিয়েছে দলটি।সোমবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবীর মিলনায়তনে ‘মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি: সিন্ডিকেট সম্ভাবনা ও করণীয়’ শীর্ষক এক মুক্ত আলোচনা সভায় এসব দাবি উঠে আসে।সভায় এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, একটি রিক্রুটিং এজেন্সিকে লাইসেন্স দেওয়ার আগে সরকার বিভিন্নভাবে যাচাই-বাছাই করে। কিন্তু লাইসেন্স দেওয়ার পর যদি সেই প্রতিষ্ঠানগুলো কাজের সুযোগ না পায় তাহলে লাইসেন্স দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েই প্রশ্ন তৈরি হয়।তিনি বলেন, স্বচ্ছ ও উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে সব লাইসেন্সধারী এজেন্সিকে কাজের সুযোগ দিতে হবে। পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয়ের বাইরে শ্রমিকদের কাছ থেকে কোনো অর্থ নেওয়া যাবে না।আরও  পড়ুন, ঢাকার দুই সিটিতে এনসিপির মেয়র প্রার্থী আসিফ ও নাসীরুদ্দীনআইসিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবু আহমেদ বলেন, নির্দিষ্ট কয়েকটি কোম্পানির মধ্যে জনশক্তি রপ্তানির সুযোগ সীমাবদ্ধ না রেখে তা উন্মুক্ত করা হলে প্রতিযোগিতা বাড়বে। এতে শ্রমিকদের বিদেশ যাওয়ার খরচও কমবে।এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ অভিযোগ করেন, প্রবাসী শ্রমিকদের অনেক ক্ষেত্রে মানুষ হিসেবে না দেখে পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তাদের অধিকার নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেনও মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠাতে পুরোনো সিন্ডিকেট সক্রিয় হওয়ার অভিযোগ তুলে প্রশ্ন তোলেন।বক্তারা বলেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই কোনো ধরনের সিন্ডিকেট বা অনিয়মের মাধ্যমে শ্রমিকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় না করে স্বচ্ছ জবাবদিহিমূলক এবং কম খরচের অভিবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিবাদ থেকেই এবি পার্টির উত্থান: মঈন খান

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, প্রতিবাদ থেকেই আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) উত্থান হয়েছে এবং এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও দেশের রাজনীতিতে ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, এবি পার্টির অগ্রযাত্রা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা হয়ে থাকবে। শনিবার (২ মে) এবি পার্টির ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মঈন খান বলেন, যখনই গণতন্ত্রের পথ থেকে দেশ বিচ্যুত হয়েছে, তখনই আন্দোলন-প্রতিবাদ হয়েছে। ১৯৭১ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত জনগণ বারবার ভুল শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে দেশকে সংশোধনের পথে নিয়ে এসেছে। তিনি আরও বলেন, জনগণ কখনো ভুল করেনি, বরং রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভুলই আন্দোলনের জন্ম দিয়েছে। অনুষ্ঠানে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, দেশের মানুষ এখন আবেগনির্ভর ও প্রতিশ্রুতিনির্ভর রাজনীতি চায় না। তারা বাস্তবভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাজনীতি প্রত্যাশা করে। তার দাবি, এবি পার্টি সেই বিকল্প রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত রাজনীতি প্রতিষ্ঠাই সাম্প্রতিক আন্দোলনের বড় অর্জন।  বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামনুল হক বলেন, জুলাই আন্দোলন রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের একটি বড় আকাঙ্ক্ষা তৈরি করেছে। এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভুইয়া বলেন, এবি পার্টি আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং ছাত্রশক্তি গঠনের আগেও পাশে ছিল। তিনি বলেন, সব রাজনৈতিক শক্তির সম্মিলিত ত্যাগের ফলেই গণঅভ্যুত্থান সম্ভব হয়েছে। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, বর্তমান সময় গণতন্ত্র পুনর্গঠনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। তিনি শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। বিএনপি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা, সাবেক আইন কর্মকর্তা, শিক্ষক ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিশের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের, নাগরিক ঐক্যের সদস্য সচিব শহীদুল্লাহ্ কায়সার, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, ন্যাপের সভাপতি জেবালুর রহমান গণি, শহীদ নাফিসা মারওয়ার বাবা আবুল হোসেন, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চান, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান ও শহীদ নাঈমার আম্মা আইনুন্নাহার।  

প্রতিবাদ থেকেই এবি পার্টির উত্থান: মঈন খান