বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
সার ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ, এমপিদের পরিবার নিয়ে হাসনাতের কটাক্ষ

সার ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ, এমপিদের পরিবার নিয়ে হাসনাতের কটাক্ষ

কোনো সরকার নতুন করে বিধবা কিংবা বেকার কার্ড চালু করলে সংসদ সদস্যদের স্ত্রীরাই সবার আগে তা নেবেন—এমন মন্তব্য করে স্বজনপ্রীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের সমালোচনা করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। সাম্প্রতিক সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সংসদ সদস্যদের পরিবারের সদস্যদের সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি এ মন্তব্য করেন। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে মহানগর ছাত্রশক্তি আয়োজিত জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। বক্তব্যে সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সম্প্রতি ডিলার নিয়োগে সংসদ সদস্যদের ছেলে-মেয়ে এমনকি শ্যালিকারাও ডিলারশিপ পেয়েছেন বলে দেখা গেছে।আরও পড়ুন,দেশে হত্যা-ধর্ষণ-ছিনতাই রোধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি মামুনুল হকেরএ পরিস্থিতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, দেশের বর্তমান অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে সরকার বিধবা কিংবা বেকার কার্ড চালু করলে সংসদ সদস্যদের স্ত্রীরাই সবার আগে তা নেবেন। তাঁর এ বক্তব্যে সরকারি সুবিধা বণ্টন ও নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠে এসেছে। তবে যেসব সার ডিলার নিয়োগের প্রসঙ্গ তিনি উল্লেখ করেছেন, সেগুলোর বিস্তারিত তথ্য বা অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। শিক্ষাঙ্গনের পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য দেন এনসিপির এই নেতা। এ সময় তিনি চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্যকে ঘিরে অসন্তোষের প্রসঙ্গ তোলেন। হাসনাত আবদুল্লাহর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কেউই বর্তমান উপাচার্যকে চান না। এ ছাড়া একটি বিশেষ গোষ্ঠী দেশকে আবারও পেছনের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে হাসনাত আবদুল্লাহ সরকারি সুবিধা বণ্টন, সার ডিলার নিয়োগ এবং শিক্ষাঙ্গনের পরিস্থিতি নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। তাঁর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে স্বজনপ্রীতি, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা বণ্টনে যোগ্যতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো আবারও আলোচনায় এসেছে।

আলেক খানকে হত্যাচেষ্টার মামলা, কারাগার থেকে আদালতে সাবেক এমপি

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় আলেক খান নামে এক ব্যক্তিকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত। সোমবার, ১২ অক্টোবর, কারাগার থেকে তাঁকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাঁকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন জানানো হয়। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারা ফারজানা হক পুলিশের আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপর সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন আলেক খান। আরও পড়ুন,ইউপি নির্বাচনের পাঁচ ধাপের তারিখ চূড়ান্ত করল ইসিওই সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। পরে চিকিৎসা শেষে ২০২৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি তিনি যাত্রাবাড়ী থানায় এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় তদন্তের অংশ হিসেবে সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে পুলিশ। আবুল কালাম আজাদ রাজশাহী-৪, বাগমারা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতার বিভিন্ন ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলোর তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রমের মধ্যে এ মামলাতেও তাঁর নাম এসেছে। তবে মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হওয়ার আগে তাঁকে দোষী হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। মামলার তদন্ত ও পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়ায় অভিযোগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আলেক খানকে হত্যাচেষ্টার মামলা, কারাগার থেকে আদালতে সাবেক এমপি

মরিয়ম আক্তারের মৃত্যু মামলা: এমপি গাজী নজরুলের জামিন নামঞ্জুর

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার গাড়িচালক ওবায়দুরের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার দুপুর পৌনে ৩টার দিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত বাদীপক্ষের আপসনামা ও আসামিপক্ষের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালতে এমপি গাজী নজরুল ইসলামের জামিন চেয়ে শুনানি করেন তার আইনজীবী মাহবুবুর রহমান। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, বাদীপক্ষ আপসনামা দিয়েছে এবং এমপি নজরুল অসুস্থ। এসব বিবেচনায় তার জামিন মঞ্জুরের আবেদন করা হয়। তবে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। আইনজীবী হারুন অর রশিদ আদালতে বলেন, মামলাটি অনাপসযোগ্য ধারায় হওয়ায় আপসের সুযোগ নেই। আরও পড়ুন,ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে পদায়নে লটারিমামলার তদন্ত এখনো চলমান। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, আপসনামায় আব্দুল হামিদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাকে ও বাদীকে আটক করার আবেদন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, বাদী এ মামলায় কেবল সংবাদদাতা হিসেবে রয়েছেন এবং এ ধরনের মামলায় বাদীও আসামি হতে পারেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, বাদীপক্ষ জামিনে আপত্তি করছে না এবং তদন্তেও কোনো আপত্তি জানানো হয়নি। এমপি নজরুলের স্ত্রী জামিন পেয়েছেন উল্লেখ করে তাকেও জামিন দেওয়ার আবেদন করা হয়। দুই পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তার গাড়িচালক ওবায়দুরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

মরিয়ম আক্তারের মৃত্যু মামলা: এমপি গাজী নজরুলের জামিন নামঞ্জুর

এমপি মন্ত্রীদের সুবিধা বাড়ালে বিরোধিতা করবে জামায়াত

দেশের মানুষ যখন নানা সংকটের মধ্যে রয়েছে তখন রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্যদের আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলে তার বিরোধিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।বুধবার রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বিট সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।জামায়াত আমির বলেন পুরো সমাজ যখন সংকটের মধ্যে রয়েছে তখন সংসদ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না। সরকারকে এ ধরনের কোনো উদ্যোগ না নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। এমন উদ্যোগ নেওয়া হলে জামায়াত স্পষ্টভাবে বিরোধিতা করবে বলেও জানান।শফিকুর রহমান বলেন সংসদ সদস্যরা জনগণের প্রয়োজনে দায়িত্ব নিয়েছেন বেতনের বিনিময়ে সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য নয়। দেশের ১৮ কোটি মানুষের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হলে তখন সবার সঙ্গে সুযোগ-সুবিধা ভাগ করে নিতে তাদের আপত্তি থাকবে না।তিনি জানান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার আগে জামায়াতে ইসলামী সরকারি প্লট না নেওয়া এবং শুল্কমুক্ত গাড়ির সুবিধা গ্রহণ না করার ঘোষণা দিয়েছিল। পরবর্তীতে সংসদেও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।আড়ও পড়ুন,জামায়াতের ৩৪ এমপি ১৭ দিনের শিক্ষা সফরেএ সময় সংসদে বিভিন্ন ইস্যুতে নোটিশ দেওয়ার পরও সেগুলো আলোচনায় না আসার অভিযোগ করেন জামায়াত আমির। জ্বালানি সংকট সার বিদ্যুৎ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শিশু ধর্ষণ ও হত্যা এবং নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির মতো বিষয়গুলোতে তারা নোটিশ দিয়েছেন বলেও জানান।সাম্প্রতিক জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সমালোচনা করে তিনি বলেন এক লিটার জ্বালানির দাম ২০ টাকা বাড়লে এর প্রভাব শুধু যানবাহনের চালকের ওপর পড়ে না। পরিবহন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন ও বাজারদরেও এর প্রভাব পড়ে।সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন দেশের স্বার্থে গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরতে হবে। কোনো বক্তব্যের অংশবিশেষ প্রচার করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা উচিত নয় বলেও সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।তিনি আরও বলেন রাষ্ট্রের সংসদ নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগ সাংবিধানিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি স্তম্ভ। তবে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত শক্তিশালী। গণমাধ্যম সঠিকভাবে কাজ করলে রাষ্ট্রের অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করা সহজ হয় বলেও মন্তব্য করেন জামায়াত আমির।

এমপি মন্ত্রীদের সুবিধা বাড়ালে বিরোধিতা করবে জামায়াত

জামায়াতের ৩৪ এমপি ১৭ দিনের শিক্ষা সফরে

সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন সংসদ সদস্য বর্তমানে চার দেশে ১৭ দিনের শিক্ষা সফরে রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫ থেকে ২৬ জন সংসদ সদস্যের সঙ্গে স্ত্রীও রয়েছেন। এছাড়া দলের কয়েকজন নেতা পরিবারের সদস্য এবং একজন লেখকও সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন।জামায়াতের পক্ষ থেকে এই সফরকে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণমূলক কর্মসূচি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। দলটির নেতারা জানিয়েছেন গত ১৭ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকায় অনেক নেতার সংসদীয় কার্যক্রম ও রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতায় ঘাটতি রয়েছে। তাই দলের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সংসদ সদস্যদের বিদেশে নিয়ে বিভিন্ন দেশের সংসদ ব্যবস্থা নেতৃত্ব রাষ্ট্র পরিচালনা শিক্ষা ও অবকাঠামো উন্নয়ন সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।আড়ও পড়ুন,পলাতকরা দেশ অশান্তের চেষ্টা করছে দাবি রিজভীরগত ১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর দুই দফায় সফরকারী দলের সদস্যরা মালয়েশিয়ায় পৌঁছান। সেখানে তিন দিন অবস্থানের পর ১৭ সেপ্টেম্বর তারা সিঙ্গাপুরে যান। সিঙ্গাপুরে নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি পরিদর্শন করেন তারা এবং একটি সিম্পোজিয়ামেও অংশ নেন। সেখানে সিঙ্গাপুরের উন্নয়ন ও বর্তমান অবস্থানে পৌঁছানোর প্রেক্ষাপটসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর তারা ফিলিপাইনে পৌঁছান। সেখানে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে।

জামায়াতের ৩৪ এমপি ১৭ দিনের শিক্ষা সফরে

গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে তদন্তের পর

গাজী নজরুল ইসলামকে গত জুলাইয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ব্যক্তিগত ভিডিওকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরে দলটির পক্ষ থেকে তাঁর সংসদ সদস্য পদ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি দেওয়া হয়।এর মধ্যেই গত ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকার ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।এ ঘটনায় মরিয়মের বাবার করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় গ্রেপুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য নিজে দল থেকে পদত্যাগ করলে অথবা সংস্তারের পর গাজী নজরুল বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন।এই পরিস্থিতিতে তাঁর সংসদ সদস্য পদ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, দল থেকে বহিষ্কার করলেই সংসদ সদস্যের পদ শূন্য হয় না। আড়ও পড়ুন,বাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ঠেকাতে কঠোর নজরদারিবাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য নিজে দল থেকে পদত্যাগ করলে অথবা সংসদে দলের বিরুদ্ধে ভোট দিলে তাঁর আসন শূন্য হয়।অন্যদিকে সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো সংসদ সদস্য নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্তত দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং মুক্তির পর পাঁচ বছর না পেরোলে তিনি সংসদ সদস্য থাকার অযোগ্য হন।স্পিকার জানিয়েছেন, গাজী নজরুলের ক্ষেত্রে পুলিশ কী ব্যবস্থা নেয় তা দেখার পর নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হবে। এরপর সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। কোনো বিরোধ দেখা দিলে সংবিধান অনুযায়ী সেটি নির্বাচন কমিশনের কাছে নিষ্পত্তির জন্য যেতে পারে এবং কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হয়।অর্থাৎ বর্তমানে শুধু দল থেকে বহিষ্কারের কারণে গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয়নি। তাঁর বিরুদ্ধে চলমান মামলার তদন্ত এবং পরবর্তী আইনগত ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার ওপরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে।

গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে তদন্তের পর