শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
সার ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ, এমপিদের পরিবার নিয়ে হাসনাতের কটাক্ষ

সার ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ, এমপিদের পরিবার নিয়ে হাসনাতের কটাক্ষ

কোনো সরকার নতুন করে বিধবা কিংবা বেকার কার্ড চালু করলে সংসদ সদস্যদের স্ত্রীরাই সবার আগে তা নেবেন—এমন মন্তব্য করে স্বজনপ্রীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের সমালোচনা করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। সাম্প্রতিক সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সংসদ সদস্যদের পরিবারের সদস্যদের সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি এ মন্তব্য করেন। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে মহানগর ছাত্রশক্তি আয়োজিত জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। বক্তব্যে সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সম্প্রতি ডিলার নিয়োগে সংসদ সদস্যদের ছেলে-মেয়ে এমনকি শ্যালিকারাও ডিলারশিপ পেয়েছেন বলে দেখা গেছে।আরও পড়ুন,দেশে হত্যা-ধর্ষণ-ছিনতাই রোধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি মামুনুল হকেরএ পরিস্থিতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, দেশের বর্তমান অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে সরকার বিধবা কিংবা বেকার কার্ড চালু করলে সংসদ সদস্যদের স্ত্রীরাই সবার আগে তা নেবেন। তাঁর এ বক্তব্যে সরকারি সুবিধা বণ্টন ও নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠে এসেছে। তবে যেসব সার ডিলার নিয়োগের প্রসঙ্গ তিনি উল্লেখ করেছেন, সেগুলোর বিস্তারিত তথ্য বা অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। শিক্ষাঙ্গনের পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য দেন এনসিপির এই নেতা। এ সময় তিনি চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্যকে ঘিরে অসন্তোষের প্রসঙ্গ তোলেন। হাসনাত আবদুল্লাহর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কেউই বর্তমান উপাচার্যকে চান না। এ ছাড়া একটি বিশেষ গোষ্ঠী দেশকে আবারও পেছনের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে হাসনাত আবদুল্লাহ সরকারি সুবিধা বণ্টন, সার ডিলার নিয়োগ এবং শিক্ষাঙ্গনের পরিস্থিতি নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। তাঁর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে স্বজনপ্রীতি, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা বণ্টনে যোগ্যতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো আবারও আলোচনায় এসেছে।

ওজন কমিয়েও কটাক্ষ থেকে রেহাই পাননি রাধিকা মদন

শরীরের ওজন নিয়ে সমালোচনা থেকে মুক্তি পেতে ওজন কমানোর দিকে মনোযোগী হয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী রাধিকা মদন। কিন্তু অতিরিক্ত ওজন কমানোর চেষ্টা তাঁর শারীরিক অবস্থার ওপরও প্রভাব ফেলে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে কাজ থেকে বিরতি নেওয়ার প্রয়োজন হয়। তবে ওজন কমানোর পরও সমালোচনা থামেনি। বরং যাঁরা একসময় তাঁকে মোটা বলে কটাক্ষ করতেন, তাঁরাই পরে অতিরিক্ত রোগা হয়ে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে রাধিকা উপলব্ধি করেন, অন্যের প্রত্যাশা পূরণ করতে গিয়ে নিজের শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপ নেওয়ার কোনো অর্থ নেই। কারণ, যাঁরা অন্যের চেহারা নিয়ে সমালোচনা করতে অভ্যস্ত, তাঁদের সন্তুষ্ট করা কঠিন। এরপর থেকে শারীরিক গড়নের চেয়ে সুস্থ থাকার ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে শুরু করেন অভিনেত্রী। নিজের শরীর নিয়ে অন্যের মন্তব্যকে জীবনের সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করতে না দেওয়ার অবস্থান নেন তিনি। রাধিকা মদনের অভিজ্ঞতা নতুন করে সামনে এনেছে বিনোদনজগতে তারকাদের শারীরিক গঠন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা সমালোচনার বিষয়টি। আরও পড়ুন,‘আবার এল যে সন্ধ্যা’র স্রষ্টা হ্যাপি আখান্দ, যাঁর শূন্যতা আজও পূরণ হয়নিবিশেষ করে নারী শিল্পীদের ক্ষেত্রে ওজন, চেহারা ও সৌন্দর্য নিয়ে নানা মন্তব্য তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন ও মানসিক স্বস্তিতে প্রভাব ফেলতে পারে। এদিকে, সম্প্রতি মা হওয়ার পর বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফের শারীরিক পরিবর্তন নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা দেখা গেছে। মাতৃত্ব থেকে শুরু করে অভিনয়জীবন বিভিন্ন ক্ষেত্রেই নারীর শরীর যেন অন্যের বিচার-বিশ্লেষণের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু সৌন্দর্যকে নির্দিষ্ট কোনো ওজন বা শারীরিক গড়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা যায় না। প্রত্যেক মানুষের শরীর আলাদা, আর সুস্থতার বিষয়টিও ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। রাধিকা মদনের অভিজ্ঞতা সেই বার্তাই সামনে এনেছে—অন্যের মন্তব্যের চেয়ে নিজের স্বাস্থ্য ও সুস্থতাকে গুরুত্ব দেওয়াই বেশি জরুরি।

ওজন কমিয়েও কটাক্ষ থেকে রেহাই পাননি রাধিকা মদন