রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
সোনালী ব্যাংক সিবিএর নতুন কমিটির অনুমোদন

সোনালী ব্যাংক সিবিএর নতুন কমিটির অনুমোদন

সোনালী ব্যাংক সিবিএ (বি-৬৬৪)-এর নবগঠিত ৩০ সদস্যের কমিটিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটি।কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে অনুমোদন ও প্রত্যয়নপত্র হস্তান্তরের মাধ্যমে নতুন কমিটির সাংগঠনিক কার্যক্রমের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।নতুন কমিটিতে মো. জাকির হোসেনকে সভাপতি এবং মো. সিরাজ উদ্দিন আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।কেন্দ্রীয় অনুমোদনের পর সোনালী ব্যাংক সিবিএর নেতা-কর্মী ও সাধারণ সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।নতুন নেতৃত্বে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে সোনালী ব্যাংকের শ্রমিক-কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় যথাযথভাবে কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার প্রত্যাশা রয়েছে।সভাপতি মো. জাকির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজ উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে কমিটির সদস্যরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।আড়ও পড়ুন,জাতীয় নির্বাচনে সুযোগ থাকলে স্থানীয় নির্বাচনেও কেন নয়,শ্রমিক-কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি ও অধিকার আদায়ের পাশাপাশি তাদের কল্যাণ ও স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করা হচ্ছে নতুন কমিটির কাছে।কেন্দ্রীয় অনুমোদনের ফলে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত হবে বলে মনে করছেন নেতা-কর্মীরা। সাধারণ সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও নতুন নেতৃত্ব ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।নতুন কমিটিকে ঘিরে সাধারণ সদস্যদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। শ্রমিক-কর্মচারীদের অধিকার ও কল্যাণে নতুন নেতৃত্ব কী ধরনের উদ্যোগ নেয়, সেদিকে নজর রয়েছে তাদের।নবগঠিত কমিটির সাফল্য কামনা করেছেন সংগঠনের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা। একই সঙ্গে সভাপতি মো. জাকির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজ উদ্দিন আহমেদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বীকৃতির পর সোনালী ব্যাংক সিবিএর সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পাচার হওয়া সম্পদে কর আদায়ে ৭ সদস্যের কমিটি

বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদের মধ্যে আদালতের আদেশে ফ্রিজ বা সংযুক্ত করা ব্যাংক হিসাব থেকে সরকারের প্রাপ্য শুল্ক ও কর আদায়ে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।এ লক্ষ্যে অ্যাটর্নি জেনারেলকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।রোববার এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কেন্দ্রীয় ব্যাংক শাখার উপসচিব আফরোজা আক্তার রিবা এতে স্বাক্ষর করেন।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল।কমিটির সদস্য হিসেবে থাকছেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশনের মানিলন্ডারিং শাখার মহাপরিচালক, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রধান কর্মকর্তা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলের মহাপরিচালক এবং পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের অর্গানাইজড ক্রাইম শাখার ডিআইজি।আড়ও পড়ুন,ইরান যুদ্ধ দীর্ঘ হলে আবারও লাফিয়ে বাড়তে পারে তেলের দামএ ছাড়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।কমিটির মূল কাজ হবে বিদেশে পাচার করা সম্পদের মধ্যে আদালতের আদেশে ফ্রিজ বা অ্যাটাচমেন্ট করা হিসাব থেকে সরকারের প্রাপ্য শুল্ক ও কর আদায়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নির্ধারণ করা।এ জন্য বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান পর্যালোচনা করে কোন ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন এবং কোন প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রের পাওনা অর্থ আদায় করা সম্ভব তা নির্ধারণ করবে কমিটি।পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করার বিষয়েও সিদ্ধান্ত ও সুপারিশ দেবে তারা।সরকার মনে করছে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদের অনুসন্ধান থেকে শুরু করে আর্থিক লেনদেনের গতিপথ শনাক্ত এবং আদালতের নির্দেশে অবরুদ্ধ সম্পদের ব্যবস্থাপনা পর্যন্ত একাধিক সংস্থা জড়িত থাকায় সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।কমিটির সুপারিশ যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হবে।সংশ্লিষ্টদের আশা পাচার হওয়া সম্পদ উদ্ধারের পাশাপাশি এসব সম্পদ থেকে রাষ্ট্রের প্রাপ্য শুল্ক ও কর আদায়েও কার্যকর কাঠামো তৈরি হবে।বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদের মধ্যে আদালতের আদেশে ফ্রিজ বা সংযুক্ত করা ব্যাংক হিসাব থেকে সরকারের প্রাপ্য শুল্ক ও কর আদায়ের বিষয়ে মতামত ও সিদ্ধান্ত দিতে সাত সদস্যের আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করেছে সরকার।অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উদ্যোগে গঠিত এই কমিটিতে রাজস্ব আদায়কারী সংস্থা থেকে শুরু করে দুর্নীতি দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার প্রতিনিধিদের রাখা হয়েছে।কমিটি বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান পর্যালোচনা করে রাষ্ট্রের পাওনা অর্থ আদায়ের পথ নির্ধারণ করবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়ে সুপারিশ দেবে।বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে চলমান কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার পাশাপাশি রাষ্ট্রের আর্থিক স্বার্থ সুরক্ষায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

পাচার হওয়া সম্পদে কর আদায়ে ৭ সদস্যের কমিটি