শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
প্রবাসী কর্মী পাঠানো ও আয় বৃদ্ধি নিয়ে সংসদীয় কমিটির বৈঠক

প্রবাসী কর্মী পাঠানো ও আয় বৃদ্ধি নিয়ে সংসদীয় কমিটির বৈঠক

চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে গেছেন ৪ লাখ ৩২ হাজার ৭৮৬ জন বাংলাদেশি কর্মী। একই সময়ে দেশে প্রবাসী আয় এসেছে প্রায় ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবাসী আয় বেড়েছে ২ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলার। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি এ কে এম ফজলুল হক মিলন। বৈঠকে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে বলা হয়, আরও পড়ুন,আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সম্মানিত করার আশ্বাসনির্ধারিত সময়ে বিদেশে যাওয়া কর্মীদের মধ্যে নারী কর্মীর সংখ্যা ৩৬ হাজার ৫৯০ জন। বিদেশে কর্মসংস্থানের এই চিত্রের পাশাপাশি প্রবাসী আয় বৃদ্ধির তথ্যও বৈঠকে তুলে ধরা হয়। এদিকে বিদেশে যাওয়া এবং দেশে ফিরে আসা প্রবাসী কর্মীরা যাতে বিমানবন্দরে কোনো ধরনের অবহেলা কিংবা হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কর্মকাণ্ডে অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ বন্ধ করে স্বচ্ছতা ও সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে আরও জানানো হয়, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইরানে আটকে পড়া ১৮৬ জন বাংলাদেশিকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১২ জন নারী ও ৮ জন শিশু রয়েছেন। ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে তাঁদের প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

ন্যাশনাল ওলামা সামিটে নতুন কমিটি ঘোষণা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র পুনর্গঠন কার্যক্রমে ওলামায়ে কেরামকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্র পুনর্গঠন কার্যক্রমে উলামাদের উপেক্ষা করার পরিণতি কখনোই ভালো হয়নি। তাই দেশের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে সরকারকে ওলামায়ে কেরামের মতামত ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিতে হবে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ আয়োজিত ন্যাশনাল ওলামা সামিটে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, ডেঙ্গু ও হামে শত শত মানুষের মৃত্যু হলেও সরকারের মধ্যে কার্যকর তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। জনদুর্ভোগ লাঘবের ক্ষেত্রেও সরকারের উদাসীনতা লক্ষণীয়। আরও পড়ুন,পানি সংকটে ভারত-বাংলাদেশকে সমান দায় নেওয়ার দাবিএকের পর এক পণ্যের দাম বাড়িয়ে সংকটের বোঝা সাধারণ মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সরকারকে সমস্যার গভীরে গিয়ে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং মানুষের দুর্ভোগ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি। চরমোনাই পীরের বক্তব্য শেষে জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ২০২৭-২৮ সেশনের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। নতুন কমিটিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি হয়েছেন মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ। জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আ ফ ম খালিদ হোসাইন। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মুফতি রেজাউল করীম আবরার এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মুফতি শামসুদ্দোহা আশরাফী। ন্যাশনাল ওলামা সামিটে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে আলেমদের ভূমিকা, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যা এবং দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

ন্যাশনাল ওলামা সামিটে নতুন কমিটি ঘোষণা

এনসিপির পাঁচ নেতাকে উপদেষ্টা রেখে জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের কমিটি

জুলাই যোদ্ধাদের সংগঠন জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের কেন্দ্রীয় কমিটি আংশিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। এতে জাতীয় নাগরিক পার্টির এনসিপি শীর্ষস্থানীয় পাঁচ নেতাকে উপদেষ্টা পরিষদে রাখা হয়েছে। সংগঠনটির সভাপতি হয়েছেন সালমান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মুস্তাইন বিল্লাহ হাবিবী।সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি ঘোষণার তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী এক বছর এই কেন্দ্রীয় কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের উপদেষ্টা পরিষদে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, মুখ্য সংগঠক উত্তরাঞ্চল সারজিস আলম, রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু ও নুসরাত তাবাসসুম এবং কেন্দ্রীয় সংগঠক আরমান হোসাইন রয়েছেন।আরও পড়ুন,পাটওয়ারীর ওপর হামলাকে পঞ্চম ঘটনা বললেন নাহিদ ইসলামসংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও অর্জনকে সমুন্নত রাখা এবং জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের ন্যায়বিচার, মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।নতুন কমিটির মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত যোদ্ধাদের সংগঠিত করা এবং তাদের দাবি ও অধিকার নিয়ে কাজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের বিষয়ে ন্যায়বিচার এবং তাদের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টিকেও সংগঠনটির অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।ঘোষিত কমিটি আগামী এক বছর দায়িত্ব পালন করবে। তবে কেন্দ্রীয় কমিটির পূর্ণাঙ্গ তালিকা পরবর্তী সময়ে জানানো হবে কি না সে বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

এনসিপির পাঁচ নেতাকে উপদেষ্টা রেখে জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের কমিটি

এনসিপির সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠক বয়কটের ঘোষণা

জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠকের মাধ্যমে চলমান সংকটের সমাধান হবে না। বরং এতে সংকট আরও দীর্ঘায়িত হবে।রোববার বিকেলে নীলফামারীর জলঢাকায় কৃষক শক্তির আয়োজনে কৃষক সমাবেশ ও গণশুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।আখতার হোসেন বলেন, এ কারণে এনসিপি সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠক বয়কট করছে। কোনোভাবেই তারা ওই বৈঠকে অংশ নেবেন না।তিনি অভিযোগ করেন, গণরায়কে অস্বীকার করে সরকার গণভোট নিয়ে তামাশা শুরু করেছে। সংবিধানের কাঠামোগত পরিবর্তন না করে নিজেদের মতো করে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।আখতার হোসেন বলেন,আড়ও পড়ুন,তুলতেই কৌঁসুলিকে থামালেন বিচারক সংবিধান কীভাবে সংশোধন করতে হবে তা জুলাই সনদে উল্লেখ রয়েছে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ না হলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ আরও সংকটের মুখে পড়তে পারেএদিকে কৃষক সমাবেশে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ কৃষকেরা অংশ নেন। তারা নিজেদের এলাকার কৃষি খাতের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি এবং সার সংকটের কারণে সৃষ্ট ভোগান্তির কথা তুলে ধরেন।

এনসিপির সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠক বয়কটের ঘোষণা

ফার্মেসি শিক্ষার্থীদের নিয়ে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন কমিটি

বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টস ফোরামের ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের নতুন উপদেষ্টা ও নির্বাহী প্যানেল অনুমোদন করা হয়েছে।এক বছরের জন্য অনুমোদিত এই কমিটির লক্ষ্য ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে পেশাগত যোগাযোগ বাড়ানো নেতৃত্বের বিকাশ এবং একাডেমিক সহযোগিতা জোরদার করা।বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টস ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. আজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মেহেদী হাসান তানভীর যৌথভাবে নতুন কমিটি ঘোষণা করেন।নতুন কমিটিতে ফার্মেসি শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েট এবং পেশাজীবীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।উপদেষ্টা প্যানেলে দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ফার্মাসিস্টদের পাশাপাশি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরাও রয়েছেন।এই প্যানেলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পেশাগত দিকনির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের নির্বাহী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ফাইজা আহমেদ ইলহাম। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন শমসের ইয়ামিন।এ ছাড়া সহকারী সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন ফারিহা হোসাইন, রিফাত আরিফিন রিত্তিক, আনিকা নাওয়ার, সামিয়া হাবিব ও মুশফিরাত রহমান রুতবা।যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কাজী নুসরাত মাহরিন মাশফি। অর্থ সম্পাদক রাজিন দ্যুলোক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. তাসিন ইয়াসার খান।কমিটিতে যোগাযোগ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন নওশীন হাসান। আড়ও পড়ুন,তিন দফা দাবিতে সাভারে ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদমিডিয়া সম্পাদক সাদিকা মুনজেরিন এবং প্রকাশনা সম্পাদক আফনান রিয়া।অ্যালামনাই সম্পর্কবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাদিয়া জেমী। তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক হয়েছেন রিফাহ তাশফিয়া রিদি।এ ছাড়া বিভিন্ন পদে আরও বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েটকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নতুন এই কমিটির মাধ্যমে ফার্মেসি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, নেতৃত্বের বিকাশ, শিক্ষামূলক কার্যক্রম এবং বৃহত্তর ফার্মেসি সম্প্রদায়ের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ ফার্মাসিস্টদের কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং পেশাজীবীদের অভিজ্ঞতার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের যুক্ত করতেও কাজ করবে সংগঠনটি।নবনিযুক্ত উপদেষ্টা ও নির্বাহী কমিটির সদস্যদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।এক বছরের মেয়াদে নতুন নেতৃত্ব ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি শিক্ষার্থীদের পেশাগত ও একাডেমিক উন্নয়নে কী ধরনের কার্যক্রম হাতে নেয় এখন সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্টদের।

ফার্মেসি শিক্ষার্থীদের নিয়ে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন কমিটি

সোনালী ব্যাংক সিবিএর নতুন কমিটির অনুমোদন

সোনালী ব্যাংক সিবিএ (বি-৬৬৪)-এর নবগঠিত ৩০ সদস্যের কমিটিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটি।কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে অনুমোদন ও প্রত্যয়নপত্র হস্তান্তরের মাধ্যমে নতুন কমিটির সাংগঠনিক কার্যক্রমের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।নতুন কমিটিতে মো. জাকির হোসেনকে সভাপতি এবং মো. সিরাজ উদ্দিন আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।কেন্দ্রীয় অনুমোদনের পর সোনালী ব্যাংক সিবিএর নেতা-কর্মী ও সাধারণ সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।নতুন নেতৃত্বে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে সোনালী ব্যাংকের শ্রমিক-কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় যথাযথভাবে কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার প্রত্যাশা রয়েছে।সভাপতি মো. জাকির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজ উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে কমিটির সদস্যরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।আড়ও পড়ুন,জাতীয় নির্বাচনে সুযোগ থাকলে স্থানীয় নির্বাচনেও কেন নয়,শ্রমিক-কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি ও অধিকার আদায়ের পাশাপাশি তাদের কল্যাণ ও স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করা হচ্ছে নতুন কমিটির কাছে।কেন্দ্রীয় অনুমোদনের ফলে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত হবে বলে মনে করছেন নেতা-কর্মীরা। সাধারণ সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও নতুন নেতৃত্ব ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।নতুন কমিটিকে ঘিরে সাধারণ সদস্যদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। শ্রমিক-কর্মচারীদের অধিকার ও কল্যাণে নতুন নেতৃত্ব কী ধরনের উদ্যোগ নেয়, সেদিকে নজর রয়েছে তাদের।নবগঠিত কমিটির সাফল্য কামনা করেছেন সংগঠনের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা। একই সঙ্গে সভাপতি মো. জাকির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজ উদ্দিন আহমেদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বীকৃতির পর সোনালী ব্যাংক সিবিএর সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোনালী ব্যাংক সিবিএর নতুন কমিটির অনুমোদন

পাচার হওয়া সম্পদে কর আদায়ে ৭ সদস্যের কমিটি

বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদের মধ্যে আদালতের আদেশে ফ্রিজ বা সংযুক্ত করা ব্যাংক হিসাব থেকে সরকারের প্রাপ্য শুল্ক ও কর আদায়ে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।এ লক্ষ্যে অ্যাটর্নি জেনারেলকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।রোববার এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কেন্দ্রীয় ব্যাংক শাখার উপসচিব আফরোজা আক্তার রিবা এতে স্বাক্ষর করেন।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল।কমিটির সদস্য হিসেবে থাকছেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশনের মানিলন্ডারিং শাখার মহাপরিচালক, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রধান কর্মকর্তা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলের মহাপরিচালক এবং পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের অর্গানাইজড ক্রাইম শাখার ডিআইজি।আড়ও পড়ুন,ইরান যুদ্ধ দীর্ঘ হলে আবারও লাফিয়ে বাড়তে পারে তেলের দামএ ছাড়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।কমিটির মূল কাজ হবে বিদেশে পাচার করা সম্পদের মধ্যে আদালতের আদেশে ফ্রিজ বা অ্যাটাচমেন্ট করা হিসাব থেকে সরকারের প্রাপ্য শুল্ক ও কর আদায়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নির্ধারণ করা।এ জন্য বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান পর্যালোচনা করে কোন ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন এবং কোন প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রের পাওনা অর্থ আদায় করা সম্ভব তা নির্ধারণ করবে কমিটি।পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করার বিষয়েও সিদ্ধান্ত ও সুপারিশ দেবে তারা।সরকার মনে করছে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদের অনুসন্ধান থেকে শুরু করে আর্থিক লেনদেনের গতিপথ শনাক্ত এবং আদালতের নির্দেশে অবরুদ্ধ সম্পদের ব্যবস্থাপনা পর্যন্ত একাধিক সংস্থা জড়িত থাকায় সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।কমিটির সুপারিশ যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হবে।সংশ্লিষ্টদের আশা পাচার হওয়া সম্পদ উদ্ধারের পাশাপাশি এসব সম্পদ থেকে রাষ্ট্রের প্রাপ্য শুল্ক ও কর আদায়েও কার্যকর কাঠামো তৈরি হবে।বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদের মধ্যে আদালতের আদেশে ফ্রিজ বা সংযুক্ত করা ব্যাংক হিসাব থেকে সরকারের প্রাপ্য শুল্ক ও কর আদায়ের বিষয়ে মতামত ও সিদ্ধান্ত দিতে সাত সদস্যের আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করেছে সরকার।অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উদ্যোগে গঠিত এই কমিটিতে রাজস্ব আদায়কারী সংস্থা থেকে শুরু করে দুর্নীতি দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার প্রতিনিধিদের রাখা হয়েছে।কমিটি বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান পর্যালোচনা করে রাষ্ট্রের পাওনা অর্থ আদায়ের পথ নির্ধারণ করবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়ে সুপারিশ দেবে।বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে চলমান কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার পাশাপাশি রাষ্ট্রের আর্থিক স্বার্থ সুরক্ষায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

পাচার হওয়া সম্পদে কর আদায়ে ৭ সদস্যের কমিটি