বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
অবিলম্বে কার্যকর হচ্ছে ডিএমপির দুই কর্মকর্তার দায়িত্ব পরিবর্তন

অবিলম্বে কার্যকর হচ্ছে ডিএমপির দুই কর্মকর্তার দায়িত্ব পরিবর্তন

ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) দুই অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের দায়িত্বে রদবদল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয় থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। আদেশ অনুযায়ী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রটেকশন অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি) মো. আবুল বাশার তালুকদারকে তাঁর বর্তমান পদে বহাল রাখা হয়েছে।আরও পড়ুন,পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবিপাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে তাঁকে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি) করা হয়েছে। অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি) মোহাম্মদ ওসমান গনিকে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ডিএমপির অফিস আদেশে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জনস্বার্থে তাঁদের নতুন দায়িত্বে পদায়ন করা হয়েছে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। এই দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের মাধ্যমে ডিএমপির গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিভাগের দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হলো।

যৌন হেনস্তার অভিযোগের মধ্যেই দিল্লি পুলিশ কর্মকর্তার পদোন্নতি

নারী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ ওঠার পরও দিল্লি পুলিশের এক কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়ার ঘটনায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে পরে দিল্লি সরকার ওই পদোন্নতির নির্দেশ স্থগিত করেছে। নির্বাচন কমিশনের এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিরোধীরা ২ অক্টোবর থেকে ধারাবাহিক বিক্ষোভ করে আসছে। এসব কর্মসূচিতে প্রতিদিনই যন্তর মন্তরের দিকে মিছিলের চেষ্টা করছেন বিক্ষোভকারীরা। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটছে। গত শনিবার বিক্ষোভের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে তিন নারী সাংবাদিক কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ করেন। অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে দিল্লি পুলিশের সহকারী কমিশনার বিবেক ভগতের নামও রয়েছে। এর মধ্যে সোমবার দিল্লি পুলিশের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আরও ১১ কর্মকর্তার সঙ্গে বিবেক ভগতকেও সহকারী কমিশনার থেকে ডেপুটি কমিশনার পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারী সাংবাদিকেরা অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে এফআইআর করতে থানায় গেলেও তা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি অপরাধ শাখা তদন্ত করছে। তদন্তের পর এফআইআরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে অভিযোগকারীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যৌন হেনস্তার অভিযোগ পাওয়ার পর এফআইআর দায়ের করা উচিত ছিল। আরও পড়ুন,চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল ২০২৬ আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেলের আবিষ্কারে সম্মানিত তিনজনএই পরিস্থিতিতে অভিযুক্ত কর্মকর্তার পদোন্নতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।সোমবার গভীর রাতে দিল্লি সরকারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানানো হয়, বিবেক ভগতের পদোন্নতির নির্দেশ আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।সরকারের বার্তা অনুযায়ী, ১২ কর্মকর্তার পদোন্নতির সিদ্ধান্ত বিক্ষোভের ঘটনার আগেই ২৫ সেপ্টেম্বর নেওয়া হয়েছিল এবং ৫ অক্টোবর তা আনুষ্ঠানিকভাবে জারি হয়। তবে বিবেক ভগত নিজেই জানিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি পদোন্নতি গ্রহণ করতে চান না। তাঁর অবস্থান অনুযায়ী, তাঁকে বাদ দিয়ে অন্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতির বিষয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। এদিকে পদোন্নতির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিক্ষোভকারীদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ করা এক নারী সাংবাদিককেও বিক্ষোভস্থল থেকে আটক করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করা হয়েছে। দলটির নেতা সৌরভ দাসের অভিযোগ, আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে অভিযোগকারী নারী সাংবাদিকেরা পুলিশের সঙ্গে দেখা করতে চাইলেও তাঁদের এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। সিপিএম নেত্রী বৃন্দা কারাতকে সঙ্গে নিয়ে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় বিবেক ভগতের বিরুদ্ধে এফআইআর করতে গেলেও অভিযোগ নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেছে দলটি। ককরোচ জনতা পার্টির নেত্রী রত্না সিংয়ের অভিযোগ, পুলিশ অভিযোগকারী নারীদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং তাঁদের আটক ও মুঠোফোন জব্দের চেষ্টা করছে।

যৌন হেনস্তার অভিযোগের মধ্যেই দিল্লি পুলিশ কর্মকর্তার পদোন্নতি

তিন কারা কর্মকর্তার সম্পদ বিবরণী চাইল দুদক

দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তিন কারা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথকভাবে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক। দুদকের অনুসন্ধানে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের ল্যাব টেকনিশিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম, একই কারাগারের ফ্যাক্টরি ওভারশিয়ার মো. জহুরুল ইসলাম এবং নড়াইল জেলা কারাগারের ডেপুটি জেলার সাইফুল ইসলামের নামে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার দুদকের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান। দুদক জানায়, মো. রফিকুল ইসলামের নামে ২০২৫-২৬ করবর্ষ পর্যন্ত স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে মোট ৪২ লাখ ৩৭ হাজার ৬৬০ টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে। পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয়সহ তার মোট সম্পদ অর্জনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭০ লাখ ৩২ হাজার ৪৯৬ টাকা। এর বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে ৬৬ লাখ ১১ হাজার ৫৬৫ টাকা। এতে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ ৯৯ হাজার ২১১ টাকা। অন্যদিকে মো. জহুরুল ইসলামের নিজের নামে কোনো স্থাবর সম্পদ না থাকলেও তার স্ত্রীর নামে ১০ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং তার নিজের নামে ৫২ লাখ ৭৬ হাজার ২৮৪ টাকার অস্থাবর সম্পদ পাওয়া গেছে। আড়ও পড়ুন,৪৯তম বিসিএসে বাদ পড়া ৪৬ জনের গেজেট সোমবারপারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয়সহ মোট সম্পদের পরিমাণ ৯২ লাখ ৩ হাজার ৬৬৫ টাকা। এর বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয় ৫০ লাখ ৫২ হাজার ২৯৬ টাকা। ফলে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ ৪১ লাখ ৫১ হাজার ৩৬৯ টাকা। এদিকে নড়াইল জেলা কারাগারের ডেপুটি জেলার সাইফুল ইসলামের নামে ২৬ লাখ ৯৭ হাজার ৪৫৪ টাকার অস্থাবর সম্পদ পাওয়া গেছে। পারিবারিক ব্যয়সহ মোট ব্যয়ের পরিমাণ ৩০ লাখ ৯৭ হাজার ৪৫৪ টাকা। এর বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয় ২০ লাখ ৯৭ হাজার ৯৫৪ টাকা। অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে ১১ লাখ ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে। দুদক আইন ২০০৪-এর ২৬(১) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে তিনটি সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় রাজশাহীর উপসহকারী পরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান অভিযোগটি অনুসন্ধান করেন।

তিন কারা কর্মকর্তার সম্পদ বিবরণী চাইল দুদক