রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
গ্যাস বিদ্যুৎ সংকটে ৫৫ শতাংশ নিটওয়্যার কারখানার অর্ডার কমেছে

গ্যাস বিদ্যুৎ সংকটে ৫৫ শতাংশ নিটওয়্যার কারখানার অর্ডার কমেছে

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে দেশের নিটওয়্যার পোশাক শিল্প। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের সংকটের কারণে অর্ধেকের বেশি অর্থাৎ প্রায় ৫৫ শতাংশ নিটওয়্যার কারখানার রপ্তানি আদেশ বাতিল হয়েছে অথবা কমে গেছে।মঙ্গলবার পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বিকেএমইএর এক জরিপ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে গত ২০ জুলাই থেকে শুরু হওয়া গ্যাস সংকট এবং পরবর্তীতে বিদ্যুৎ সংকটের কারণে দেশের নিটওয়্যার পোশাক রপ্তানিকারকদের ৮৭ শতাংশ সময়মতো শিপমেন্ট করতে পারেননি। ফলে বিদেশি ক্রেতাদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সরবরাহকারীকে ছাড় দিতে হয়েছে।বিকেএমইএর সক্রিয় সদস্য প্রায় ৮০০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২০ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ১৬০টি কারখানার তথ্যের ভিত্তিতে জরিপ প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।জরিপে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর ৭৫ শতাংশ গ্যাস সংকটে এবং ৯০ শতাংশ বিদ্যুৎ সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে।আড়ও পড়ুন,শিল্পাঞ্চলে বাড়ছে গ্যাসের চাপএকই সময়ে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় গ্যাসের চাপ প্রায় ৭৮ শতাংশ কম ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করতে হয়েছে প্রায় ৯২ শতাংশ কারখানাকে। এতে বেড়েছে উৎপাদন ব্যয়। একই সঙ্গে প্রায় ৯২ শতাংশ কারখানায় শ্রমঘণ্টার অপচয় হয়েছে।সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বিদেশি ক্রেতাদের আস্থা নিয়ে। জরিপে অংশ নেওয়া ৮৯ শতাংশ কারখানা মালিক জানিয়েছেন তারা বিদেশি ক্রেতার আস্থা হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন।এদিকে তিন-চতুর্থাংশের বেশি কারখানা মালিক জানিয়েছেন জ্বালানি সংকটের কারণে তাদের উৎপাদন আংশিকভাবে বন্ধ হয়েছে। ঋণখেলাপির ঝুঁকিতে পড়েছেন প্রতি দশজনের ছয়জন। আর ৭ শতাংশ কারখানা মালিক জানিয়েছেন তাদের কারখানা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা জ্বালানি সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক না হলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি রপ্তানি আদেশ আরও কমতে পারে। এতে দেশের নিটওয়্যার শিল্পে কর্মসংস্থান ও রপ্তানি আয়ের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।