শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
সিডনিতে নারী ও দুই শিশুর মরদেহ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তি গ্রেপ্তার

সিডনিতে নারী ও দুই শিশুর মরদেহ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তি গ্রেপ্তার

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ক্যাম্পবেলটাউনে একটি আবাসিক বাড়ি থেকে ৪৬ বছর বয়সী এক নারী এবং তার ১২ ও ৪ বছর বয়সী দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মো. শোমন আহমেদ নামে ৪৭ বছর বয়সী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে তিনটি হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।স্থানীয় সময় ১৮ মে রাত ৮টার কিছু আগে রেমন্ড এভিনিউয়ের ওই বাড়ি থেকে জরুরি ফোন পেয়ে পুলিশ ও উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা সেখানে পৌঁছান। পরে বাড়ির ভেতর থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই শোমন আহমেদকে আটক করে পুলিশ।তদন্তকারীদের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ওই দিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৭টা ৫৫ মিনিটের মধ্যবর্তী কোনো এক সময়ে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে। তবে ঠিক কীভাবে এবং কোন পরিস্থিতিতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে তা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের পর স্পষ্ট হবে।১৯ মে ক্যাম্পবেলটাউন লোকাল কোর্টে মামলাটি সংক্ষিপ্ত শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হয়। শোমন আহমেদ আদালতে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন না এবং তার পক্ষ থেকে জামিনের আবেদনও করা হয়নি। আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে আগামী ১৫ জুলাই পরবর্তী হাজিরার দিন নির্ধারণ করেছেন।আড়ও পড়ুন,হরমুজ প্রণালী খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে সাত দিনের পরিকল্পনা ইরানেরআদালতের বাইরে শোমন আহমেদের আইনজীবী জাওয়াদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, তার মক্কেল মানসিকভাবে অত্যন্ত বিপর্যস্ত এবং ভেঙে পড়েছেন। একই সঙ্গে ঘটনাটিকে ভুক্তভোগী পরিবার ও পুরো কমিউনিটির জন্য অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা বলে উল্লেখ করেন তিনি।পুলিশ জানিয়েছে, বাড়ির ভেতরে তিনটি মরদেহ আলাদা কক্ষে পাওয়া যায়। পুলিশের অ্যাক্টিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মোরোনি বলেন, তিনজনের শরীরেই গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। তবে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়।পুলিশ আরও জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে আগে কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড বা পারিবারিক সহিংসতার অভিযোগ পাওয়া যায়নি।স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, নিহত নারী চাকরি করতেন এবং পরিবারের বাবা দুই সন্তানকে দেখাশোনা করতেন। বড় সন্তানটির গুরুতর স্নায়বিক সমস্যা ও শিখন অক্ষমতা ছিল বলেও জানা গেছে।প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, পরিবারটি তুলনামূলক নিরিবিলি জীবনযাপন করত এবং খুব বেশি সামাজিকভাবে মিশত না। ঘটনার পর পুরো এলাকা পুলিশ ঘিরে রাখে। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছেন।নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অঙ্গরাজ্যে পারিবারিক সহিংসতা সংক্রান্ত জরুরি কলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। ক্যাম্পবেলটাউনের এই ঘটনা ঘিরে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

গুরুদাসপুরে সন্ত্রাস দমন মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

নাটোরের গুরুদাসপুরে সন্ত্রাস দমন আইনের একটি মামলায় নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার সকালে গুরুদাসপুর থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নাজিরপুর ডোবারপাড় এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে উসকানিমূলক স্লোগান দেওয়ার মাধ্যমে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে একটি মামলা করা হয়। ওই মামলায় নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলীকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে।মামলায় আরও দুইজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ মোট ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মামলার অভিযোগের ভিত্তিতেই চেয়ারম্যান আইয়ুব আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলছে।আড়ও পড়ুন,ডেঙ্গুতে সিলেট বিভাগে আরও বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাএকই সঙ্গে মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।তবে চেয়ারম্যানের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগটি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, একটি ঘটনার খোঁজ নিতে আইয়ুব আলী নিজেই থানায় গিয়েছিলেন। তিনি কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় নন বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় হওয়ায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে।তবে পুলিশ বলছে, অভিযোগের ভিত্তিতে আইন অনুযায়ী মামলার তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল হান্নান জানিয়েছেন, অপরাধ দমনে মামলাটির তদন্ত চলছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এখন তদন্তে মামলায় আনা অভিযোগগুলোর সত্যতা কতটা পাওয়া যায় এবং অন্য আসামিদের বিষয়ে কী ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয় সেটিই দেখার বিষয়।

গুরুদাসপুরে সন্ত্রাস দমন মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

জামিন পেয়েও মুক্তি মিলল না মিষ্টি সুভাষ নতুন মামলায় গ্রেপ্তার

এক মামলায় জামিন পাওয়ার পর কারামুক্তির অপেক্ষায় থাকা অভিনেত্রী ও মডেল শিমু আক্তার বৃষ্টি ওরফে মিষ্টি সুভাষকে এবার আশুলিয়া থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।রোববার ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজুল ইসলাম সোহাগের আদালতে এ মামলার শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে মামলাটিতে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।এদিন কারাগার থেকে মিষ্টি সুভাষকে আদালতে হাজির করা হয়। দুপুর ১২টার পর তাকে কাঠগড়ায় নেওয়ার সময় হাজতখানা থেকে বের হলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। মাথা ঘুরে মাটিতে পড়ে গেলে পুলিশ সদস্যরা তাকে ধরে আবার হাজতখানায় নিয়ে যান। পরে সুস্থ বোধ করলে তাকে পুনরায় আদালতের কাঠগড়ায় নেওয়া হয়।শুনানির সময় আদালতের কাছে কথা বলার অনুমতি চান মিষ্টি সুভাষ। অনুমতি পেয়ে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলো নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।মিষ্টি সুভাষ আদালতকে বলেন, তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে গিয়েছিলেন। তার দাবি, এটি কোনো অপরাধ নয় এবং তাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। জামিন পেলেই একের পর এক মামলা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মামলাটিতে তাকে গ্রেপ্তার না দেখানোর আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী গোলাম রাব্বানী। তবে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি দেন। আড়ও পড়ুন,আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন খারিজর রিট খারিজপরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৬ মার্চ জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে যাওয়ার সময় মিষ্টি সুভাষকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর মধ্যে চারটি মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন।কারামুক্তির প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই আশুলিয়া থানার এই হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর উদ্যোগ নেয় পুলিশ।গত ৯ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক আতোয়ার রহমান কারাগারে থাকা মিষ্টি সুভাষকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত তার উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ১৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন।নির্ধারিত দিনে শুনানি শেষে আদালত তাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি দেন এবং কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

জামিন পেয়েও মুক্তি মিলল না মিষ্টি সুভাষ নতুন মামলায় গ্রেপ্তার