শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
জেট ফুয়েলের নতুন দাম ঘোষণা করল বিইআরসি

জেট ফুয়েলের নতুন দাম ঘোষণা করল বিইআরসি

দেশে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮২ টাকা ৭১ পয়সা। আর আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ দশমিক ১৮৮২ মার্কিন ডলার। বুধবার ৭ অক্টোবর বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম বাড়ানোর বিষয়টি জানায় বিইআরসি। নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ রুটে জেট ফুয়েলের দাম আগের তুলনায় প্রতি লিটারে ১৭ টাকা ৬ পয়সা বেড়েছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে জেট ফুয়েলের দাম কমানো হয়েছিল। তখন অভ্যন্তরীণ রুটের জন্য প্রতি লিটারের দাম নির্ধারণ করা হয় ১৬৫ টাকা ৬৫ পয়সা। আর আন্তর্জাতিক রুটের জন্য দাম ছিল প্রতি লিটার ১ দশমিক ০৮ মার্কিন ডলার। আরও পড়ুন,দেশের রিজার্ভে ঊর্ধ্বগতি জানাল বাংলাদেশ ব্যাংকচলতি বছর জেট ফুয়েলের দামে একাধিকবার পরিবর্তন এসেছে। বিইআরসি সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম, ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময়মূল্য এবং জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে গত ৪ অক্টোবর অটোগ্যাস ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দামও বাড়ানো হয়। অক্টোবর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটারে প্রায় ১২ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা করা হয়েছে। জেট ফুয়েলসহ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানির দাম বাড়ায় পরিবহন ও বিমান চলাচল খাতে ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে জেট ফুয়েলের দাম বৃদ্ধির ফলে বিমানভাড়া বাড়বে কি না, তা সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাগুলোর সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

ন্যাশনাল ওলামা সামিটে নতুন কমিটি ঘোষণা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র পুনর্গঠন কার্যক্রমে ওলামায়ে কেরামকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্র পুনর্গঠন কার্যক্রমে উলামাদের উপেক্ষা করার পরিণতি কখনোই ভালো হয়নি। তাই দেশের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে সরকারকে ওলামায়ে কেরামের মতামত ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিতে হবে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ আয়োজিত ন্যাশনাল ওলামা সামিটে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, ডেঙ্গু ও হামে শত শত মানুষের মৃত্যু হলেও সরকারের মধ্যে কার্যকর তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। জনদুর্ভোগ লাঘবের ক্ষেত্রেও সরকারের উদাসীনতা লক্ষণীয়। আরও পড়ুন,পানি সংকটে ভারত-বাংলাদেশকে সমান দায় নেওয়ার দাবিএকের পর এক পণ্যের দাম বাড়িয়ে সংকটের বোঝা সাধারণ মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সরকারকে সমস্যার গভীরে গিয়ে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং মানুষের দুর্ভোগ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি। চরমোনাই পীরের বক্তব্য শেষে জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ২০২৭-২৮ সেশনের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। নতুন কমিটিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি হয়েছেন মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ। জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আ ফ ম খালিদ হোসাইন। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মুফতি রেজাউল করীম আবরার এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মুফতি শামসুদ্দোহা আশরাফী। ন্যাশনাল ওলামা সামিটে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে আলেমদের ভূমিকা, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যা এবং দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

ন্যাশনাল ওলামা সামিটে নতুন কমিটি ঘোষণা

এনসিপির সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠক বয়কটের ঘোষণা

জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠকের মাধ্যমে চলমান সংকটের সমাধান হবে না। বরং এতে সংকট আরও দীর্ঘায়িত হবে।রোববার বিকেলে নীলফামারীর জলঢাকায় কৃষক শক্তির আয়োজনে কৃষক সমাবেশ ও গণশুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।আখতার হোসেন বলেন, এ কারণে এনসিপি সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠক বয়কট করছে। কোনোভাবেই তারা ওই বৈঠকে অংশ নেবেন না।তিনি অভিযোগ করেন, গণরায়কে অস্বীকার করে সরকার গণভোট নিয়ে তামাশা শুরু করেছে। সংবিধানের কাঠামোগত পরিবর্তন না করে নিজেদের মতো করে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।আখতার হোসেন বলেন,আড়ও পড়ুন,তুলতেই কৌঁসুলিকে থামালেন বিচারক সংবিধান কীভাবে সংশোধন করতে হবে তা জুলাই সনদে উল্লেখ রয়েছে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ না হলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ আরও সংকটের মুখে পড়তে পারেএদিকে কৃষক সমাবেশে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ কৃষকেরা অংশ নেন। তারা নিজেদের এলাকার কৃষি খাতের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি এবং সার সংকটের কারণে সৃষ্ট ভোগান্তির কথা তুলে ধরেন।

এনসিপির সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠক বয়কটের ঘোষণা

ব্রিকসের যৌথ ঘোষণায় ইরান-আমিরাতের একসঙ্গে যুদ্ধবিরতির আহ্বান

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে লাগাম টানতে একসঙ্গে কূটনৈতিক বার্তা দিয়েছে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। পরস্পরবিরোধী অবস্থান থাকা সত্ত্বেও ব্রিকস জোটের যৌথ ঘোষণাপত্রে সমর্থন জানিয়েছে দুই দেশ। শনিবার নয়াদিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের প্রথম দিনে এই ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়।এর আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবির যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। চলমান সংঘাত শুরুর পর এটিই দুই দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হিসেবে দেখা হচ্ছে।আবুধাবির সরকারি মিডিয়ার এক পোস্টে জানানো হয় দুই নেতা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। পাশাপাশি উত্তেজনা প্রশমন স্থিতিশীলতা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা নিয়েও কথা হয়েছে। তবে বৈঠক থেকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিস্তারিত জানানো হয়নি।রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে উপসাগরীয় অঞ্চলের সংঘাত নিয়ে ব্রিকসের সদস্য ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে যে মতপার্থক্য রয়েছে তা দূর করার প্রত্যাশাও ছিল এই সম্মেলনে।আড়ও পড়ুন,সৌদির শারুরাহ সামরিক ঘাঁটিতে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবিযৌথ ঘোষণাপত্রে মধ্যপ্রাচ্য বা পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ব্রিকস। পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে এমন পদক্ষেপ এড়িয়ে সর্বোচ্চ সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।একই সঙ্গে বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সব রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান জানানোর কথা বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করে একতরফা যুদ্ধেরও নিন্দা জানিয়েছেন ব্রিকস নেতারা।গাজা যুদ্ধ নিয়েও অবস্থান জানিয়েছে জোটটি। গাজায় যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর সুযোগ নিশ্চিত করা এবং ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার যেকোনো নীতির অবসানের আহ্বান জানানো হয়েছে।ব্রিকসের ঘোষণায় ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের ন্যায়সঙ্গত ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার পুনর্ব্যক্ত করেছে জোটটি।এদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন রাজনৈতিক সমাধানের প্রতি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতি অর্জনে কাজ করা প্রয়োজন।বিশ্লেষকদের মতে ব্রিকসের এই যৌথ অবস্থান হয়তো তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধের গতিপথ বদলে দেবে না। তবে মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে ভিন্ন অবস্থানে থাকা দেশগুলোকে একই কূটনৈতিক টেবিলে আনার ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারে।

ব্রিকসের যৌথ ঘোষণায় ইরান-আমিরাতের একসঙ্গে যুদ্ধবিরতির আহ্বান