শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
গেম অব থ্রোনস’-এ নগ্ন দৃশ্যে বডি ডাবল কেন, মুখ খুললেন লিনা হেডি

গেম অব থ্রোনস’-এ নগ্ন দৃশ্যে বডি ডাবল কেন, মুখ খুললেন লিনা হেডি

হলিউডের জনপ্রিয় সিরিজ ‘গেম অব থ্রোনস’-এ সার্সি ল্যানিস্টার চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছেন অভিনেত্রী লিনা হেডি। পর্দায় শক্তিশালী ও জটিল এক নারী চরিত্রের অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হলেও, সিরিজটির একটি নগ্ন দৃশ্যে বডি ডাবল ব্যবহারের কারণে তাঁকে দর্শকের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। এবার অভিনয়জীবনের শুরুর দিকের অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতা এবং নিজের সীমারেখা রক্ষার বিষয়ে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লিনা হেডি জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে কাজ পাওয়াটাই ছিল তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অভিনয়ের সুযোগ পাওয়া এবং শুটিং সেটে থাকার আনন্দে অনেক সময় এমন পরিস্থিতিও মেনে নিয়েছেন, যেগুলো তাঁর জন্য পুরোপুরি স্বস্তিদায়ক ছিল না। অভিনয়জীবনের প্রথম দিকের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে তিনি জানান, কিছু চরিত্রে চুম্বন, প্রেমের অভিনয়, যৌনদৃশ্য কিংবা নগ্নতার প্রয়োজন হতো। তখন এসব বিষয়ে প্রশ্ন তোলার চেয়ে কাজ পাওয়ার সুযোগকে বেশি গুরুত্ব দিতেন তিনি। এখন অতীতের দিকে ফিরে তাকিয়ে বুঝতে পারেন, কিছু পরিস্থিতি তাঁর জন্য কঠিন ছিল। আরও পড়ুন,মৃত্যুর আগের দিনও গেয়েছিলেন গান, ৫৮ বছরেই থেমে যায় কিশোর কুমারের কিংবদন্তি কণ্ঠনিজের ব্যক্তিগত সীমারেখা সম্পর্কে সচেতনতা এবং তা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করার আত্মবিশ্বাসও তখন তুলনামূলকভাবে কম ছিল। লিনা হেডির এই অভিজ্ঞতা হলিউডে অভিনেত্রীদের পেশাগত পরিবেশ, পর্দায় শরীরের উপস্থাপন এবং নিজের সিদ্ধান্ত জানানোর অধিকার নিয়ে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে ক্যারিয়ারের শুরুতে কাজ হারানোর আশঙ্কা কিংবা সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার ভয়ে অনেক অভিনয়শিল্পী অস্বস্তিকর পরিস্থিতি মেনে নিতে বাধ্য বোধ করেন কি না, সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে। ‘গেম অব থ্রোনস’-এ বডি ডাবল ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে। সিরিজটির পঞ্চম মৌসুমের শেষ দিকে সার্সি ল্যানিস্টারের একটি বহুল আলোচিত দৃশ্য দেখানো হয়। সেখানে চরিত্রটিকে নগ্ন অবস্থায় জনতার সামনে দিয়ে হেঁটে যেতে বাধ্য করা হয়। চারপাশের মানুষের অপমান ও কটূক্তির মধ্য দিয়ে তাঁর অসহায়ত্ব, অপমান এবং মানসিক বিপর্যয় তুলে ধরা হয়েছিল। তবে দৃশ্যটিতে নগ্ন শরীরের অংশটি সরাসরি ধারণ করা হয়েছিল বডি ডাবলের মাধ্যমে। পরে ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট ব্যবহার করে লিনা হেডির মুখের দৃশ্যের সঙ্গে তা সমন্বয় করা হয়। এ সিদ্ধান্তের কারণে দর্শকের একাংশ সমালোচনা করলেও অভিনেত্রী জানিয়েছেন, চরিত্রটির আবেগ প্রকাশ করার ক্ষেত্রে তাঁর নিজস্ব বিবেচনা ছিল।

নগ্ন দৃশ্যের বিতর্ক পেরিয়ে প্রযোজক হিসেবেও সফল ডাকোটা জনসন

অভিনয়ের পাশাপাশি সম্পর্ক ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রায়ই আলোচনায় থাকেন হলিউড অভিনেত্রী ডাকোটা জনসন। তার সঙ্গে কোনো তারকার ছবি প্রকাশ্যে এলেই কিংবা একসঙ্গে কোথাও দেখা গেলেই ছড়িয়ে পড়ে প্রেমের গুঞ্জন। তবে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এসব আলোচনায় সাধারণত প্রতিক্রিয়া দিতে চান না তিনি। ফিফটি শেডস অব গ্রে’ সিনেমা রাতারাতি আন্তর্জাতিক তারকা বানিয়ে দেয় ডাকোটাকে। তবে এই সাফল্যের সঙ্গে এসেছিল নগ্ন দৃশ্য ও যৌনতার উপস্থাপন নিয়ে বিতর্ক এবং তার ব্যক্তিজীবন নিয়ে দর্শকদের প্রবল আগ্রহ। সম্প্রতি র‍্যাপার মেশিন গান কেলি বা এমজেকের সঙ্গে ডাকোটা জনসনের সম্পর্ক নিয়েও গুঞ্জন ছড়িয়েছে। টেলর সুইফট ও ট্রাভিস কেলির বিয়ের অনুষ্ঠানে তাদের একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর নতুন করে শুরু হয় এই আলোচনা। তবে ডাকোটা নিজে এই সম্পর্কের বিষয়টি নিশ্চিত করেননি। ১৯৮৯ সালের ৪ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের অস্টিনে জন্ম ডাকোটা মাইয়া জনসনের। বাবা অভিনেতা ডন জনসন এবং মা অভিনেত্রী মেলানি গ্রিফিথ। তার নানি ছিলেন ‘দ্য বার্ডস’ ও ‘মার্নি’খ্যাত অভিনেত্রী টিপ্পি হেড্রেন। ফলে অভিনয় তার কাছে শুধু পেশা নয় বরং পারিবারিক ঐতিহ্যেরও অংশ। মাত্র ৯ বছর বয়সে মায়ের অভিনীত এবং তৎকালীন সৎবাবা অ্যান্টোনিও বান্দেরাস পরিচালিত ‘ক্রেজি ইন আলাবামা’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে পর্দায় অভিষেক হয় তার।আরও পড়ুন,গালওয়ান সংঘাত নিয়ে নির্মিত সালমানের সিনেমা মুক্তির পথে পরে ছোট ছোট চরিত্রে কাজ করতে থাকেন। ২০১০ সালে ডেভিড ফিঞ্চারের ‘দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক’-এ অভিনয় করেন। এরপর ‘২১ জাম্প স্ট্রিট’, ‘দ্য ফাইভ-ইয়ার এনগেজমেন্ট’সহ বেশ কিছু সিনেমায় দেখা গেলেও বড় তারকা হয়ে ওঠেননি। ২০১৫ সালে ই এল জেমসের জনপ্রিয় উপন্যাস অবলম্বনে মুক্তি পায় ‘ফিফটি শেডস অব গ্রে’। এতে আনাস্তাসিয়া স্টিল চরিত্রে অভিনয় করেন ডাকোটা জনসন। তার বিপরীতে ছিলেন জেমি ডরনান। সিনেমাটির গল্পে যৌন সম্পর্ক ও প্রাপ্তবয়স্ক সম্পর্কের নানা জটিলতা থাকায় মুক্তির আগেই ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছিল। ডাকোটার জন্যও এটি ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিংয়ের সময় সীমিতসংখ্যক মানুষ সেটে রাখা হতো, যাতে অভিনেতাদের ব্যক্তিগত পরিসর বজায় থাকে।

 নগ্ন দৃশ্যের বিতর্ক পেরিয়ে প্রযোজক হিসেবেও সফল ডাকোটা জনসন