রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
তিতাসের নতুন কূপে বাড়ছে দেশীয় গ্যাসের সরবরাহ

তিতাসের নতুন কূপে বাড়ছে দেশীয় গ্যাসের সরবরাহ

দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের নতুন কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে গ্যাস। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে আগামীকাল শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।কূপটির উদ্বোধনের পরপরই জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এতে আমদানি করা গ্যাসের ওপর নির্ভরতার চাপ কিছুটা কমিয়ে দেশীয় উৎস থেকে সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হবে বলে আশা করছেন তারা।বিজিএফসিএলের কর্মকর্তারা জানান, তিতাসের ২৮ ২৯ ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপ এবং বাখরাবাদ ১১ নম্বর কূপের কাজ এগিয়ে চলছে। এসব কূপের কার্যক্রম শেষ হলে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে সর্বোচ্চ প্রায় সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে।তিতাস ২৮ নম্বর কূপের খননকাজ প্রায় এক মাস আগে শেষ হয়েছে। কূপটির গভীরতা প্রায় ১৩ হাজার ফুট। প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তিতাস ২৮ ২৯ ৩০ ও কামতা ২ নম্বর কূপ খননের কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে তিতাস ২৮ নম্বর কূপই শনিবার উৎপাদনে যাচ্ছে।এদিকে তিতাস ২৯ নম্বর কূপের মূল খননকাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে লগিংসহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম চলছে। আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে কূপটি উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হতে পারে। এই কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তিতাস ৩০ নম্বর কূপের কাজও আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। আড়ও পড়ুন,খেলাপি ঋণ আদায় ও ক্যাশলেস লেনদেন বাড়াতে রূপালী ব্যাংকের জোরসেখান থেকেও দৈনিক ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।অন্যদিকে তিতাস ৩১ নম্বর গভীর অনুসন্ধান কূপের খননকাজ শুরু হয়েছে চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল। ইতোমধ্যে কূপটির খনন গভীরতা প্রায় চার হাজার ৯২০ মিটারে পৌঁছেছে। লক্ষ্যমাত্রা গভীরতা পাঁচ হাজার ৬০০ মিটার। ভূতাত্ত্বিক জটিলতা না থাকলে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে কাজ শেষ হতে পারে। সফল হলে এই কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে।তিতাস ৩১ একটি অনুসন্ধানমূলক কূপ হওয়ায় এখানে নতুন গ্যাসের মজুদ আবিষ্কারের সম্ভাবনাও দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী প্রায় দুই টিসিএফ অতিরিক্ত মজুদ পাওয়া যেতে পারে। তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ মজুদের পরিমাণ নিশ্চিত নয়।সব মিলিয়ে তিতাস ২৮ ২৯ ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপ এবং বাখরাবাদ ১১ নম্বর কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক সর্বোচ্চ প্রায় সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।