শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
অবিলম্বে কার্যকর হচ্ছে ডিএমপির দুই কর্মকর্তার দায়িত্ব পরিবর্তন

অবিলম্বে কার্যকর হচ্ছে ডিএমপির দুই কর্মকর্তার দায়িত্ব পরিবর্তন

ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) দুই অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের দায়িত্বে রদবদল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয় থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। আদেশ অনুযায়ী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রটেকশন অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি) মো. আবুল বাশার তালুকদারকে তাঁর বর্তমান পদে বহাল রাখা হয়েছে।আরও পড়ুন,পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবিপাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে তাঁকে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি) করা হয়েছে। অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি) মোহাম্মদ ওসমান গনিকে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ডিএমপির অফিস আদেশে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জনস্বার্থে তাঁদের নতুন দায়িত্বে পদায়ন করা হয়েছে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। এই দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের মাধ্যমে ডিএমপির গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিভাগের দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হলো।

সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে একাদশে চার পরিবর্তন, মাঠে বাংলাদেশ

লয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে হেরে FIFA ASEAN Cup-এর অভিযান শুরু করা বাংলাদেশ দ্বিতীয় ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় শুরু হয়েছে ম্যাচটি।গ্রুপ ‘এ’-তে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার কাছে হারার পর পরের ধাপে টিকে থাকার লড়াইয়ে সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুর—দুই দলই নিজেদের প্রথম ম্যাচে হেরেছিল। ফলে এই ম্যাচে দুই দলের জন্যই পয়েন্ট সংগ্রহ গুরুত্বপূর্ণ ছিল।সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে একাদশে চারটি পরিবর্তন এনেছেন বাংলাদেশের কোচ থমাস ডুলি। মালয়েশিয়া ম্যাচে শুরু থেকে খেলা সোহেল রানা ও শাকিল আহাদ তপু এবার একাদশে নেই। তাদের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন নিয়মিত অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ও জিদান ইউসুফ।আড়ও পড়ুন,অভিযোগের পর এসেক্সের হয়ে আর মাঠে নামেননি রবিনএ ছাড়া ফাহমিদুল ইসলামের পরিবর্তে একাদশে এসেছেন শেখ মোরসালিন। ইংল্যান্ডপ্রবাসী ফারহান আলী ওয়াহিদের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন সুকি ইতোফুসা।মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ বেশ কিছু সমস্যায় পড়েছিল। ওই ম্যাচে আরিফ আইমান দুটি গোল করেন এবং বার্গসন দা সিলভা করেন আরেকটি গোল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ ব্যবধানে হেরে যায় বাংলাদেশ।সিঙ্গাপুরও নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল। ফলে দ্বিতীয় ম্যাচে দুই দলই ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামে। FIFA-এর ম্যাচ-পূর্ব প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ম্যাচে পরাজিত দলের পরবর্তী পর্বে এগিয়ে যাওয়ার আশা শেষ হয়ে যাবে।

সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে একাদশে চার পরিবর্তন, মাঠে বাংলাদেশ

চাঁদাবাজির ভয় নিয়ে চলতে হলে পরিবর্তন কোথায়

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও জুলাইযোদ্ধা সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির—এনসিপির—মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দাবি করেন, চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। তবে হামলার পেছনে চাঁদাবাজির অভিযোগ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তে নিশ্চিত হয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।পোস্টে পাটওয়ারী জুলাইয়ের আন্দোলনের সময় সালমান মুক্তাদিরের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জুলাইয়ের কঠিন সময়ে যখন অনেকে নীরব ছিলেন, তখন সালমান প্রকাশ্যে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা ও আশ্রয়ের দায়িত্ব নেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।আড়ও পড়ুনজাসদ কার্যালয়ে পুলিশের অভিযান আটক অর্ধশতাধিকএনসিপির এই নেতা প্রশ্ন তোলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও যদি একজন নাগরিককে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের ভয় নিয়ে চলতে হয়, তাহলে সেই পরিবর্তনের অর্থ কী। তিনি বলেন, এক জালিমের হাত থেকে মুক্ত হয়ে আরেক জালিমের হাতে পড়ার জন্য মানুষ জুলাইয়ে দাঁড়ায়নি।শেষে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, আল্লাহ যেন দেশকে সব চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী ও জালিমের হাত থেকে রক্ষা করেন।এর আগে শনিবার দিবাগত রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ভাঙচুর ও মালামাল লুটের অভিযোগ ওঠে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে স্টুডিওর সিসিটিভি ক্যামেরা ও সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত বা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগের কথাও বলা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

চাঁদাবাজির ভয় নিয়ে চলতে হলে পরিবর্তন কোথায়

সাইবার সুরক্ষা আইনে পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে

দেশের মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অনলাইনে অপতথ্য বন্ধে মিডিয়া লিটারেসি বা গণমাধ্যম-সংক্রান্ত সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।তিনি বলেছেন প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন এখনও চূড়ান্তভাবে পাস হয়নি। ফলে আইনটিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। প্রস্তাবিত আইন নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধনের সুযোগ কাজে লাগানোর কথাও জানান তিনি।শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী এবং বাংলাদেশ জার্নালিস্টস কাউন্সিল বা বিজেসির পর্যালোচনা ও প্রস্তাবনা নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন ডা. জাহেদ উর রহমান।তিনি বলেন দেশের মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এমন একটি সাইবার সুরক্ষা আইন প্রয়োজন যা অনলাইন জগতে নাগরিকদের নিরাপত্তা দেবে। একই সঙ্গে অনলাইনে গুজব মিথ্যাচার ও অপতথ্য ছড়িয়ে পড়া বন্ধেও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।তবে শুধু আইন করে অপতথ্য মোকাবিলা করা সম্ভব নয় বলেও আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে মিডিয়া লিটারেসি বা গণমাধ্যম সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি। অনলাইনে কোনো তথ্য গ্রহণ ও প্রচারের আগে তার সত্যতা যাচাইয়ের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।আড়ও পড়ুন,সাইবার অপরাধ ঠেকাতে নতুন ইউনিট গঠনের ঘোষণাবর্তমান সময়ে অনলাইনভিত্তিক সাংবাদিকতার ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। পাশাপাশি সাংবাদিকতা ও ডিজিটাল কনটেন্ট থেকে আয়ের নতুন নতুন পদ্ধতিও তৈরি হচ্ছে। এসব নতুন বাস্তবতাকে নীতিমালার কাঠামোর মধ্যে আনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তথ্য উপদেষ্টা।ডা. জাহেদ উর রহমান আরও বলেন গুজব মিথ্যাচার বা অপতথ্য ছড়ানোর ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ সবার জন্য একই হওয়া উচিত। কোনো ব্যক্তি বা পক্ষের পরিচয় বিবেচনা না করে একই আইনি কাঠামোর আওতায় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।আলোচনা সভায় প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের বিভিন্ন সংশোধনী নিয়ে মতামত তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ জার্নালিস্টস কাউন্সিলের পর্যালোচনা এবং বিভিন্ন প্রস্তাবনা নিয়েও আলোচনা করেন অংশগ্রহণকারীরা।সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মতপ্রকাশ ও সাংবাদিকতার নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইনটি কীভাবে আরও কার্যকর করা যায় তা নিয়েই সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সাইবার সুরক্ষা আইনে পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে

আউটসোর্সিং সেবায় বড় পরিবর্তন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বাদ

সরকারি কাজে গতি বাড়ানো এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যয় কমানোর লক্ষ্য নিয়ে ‘আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় সেবাগ্রহণ নীতিমালা ২০২৫’-এর বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা সংশোধন করেছে সরকার। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা-৩ শাখা থেকে সম্প্রতি একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সংশোধিত বিধান অনুযায়ী নতুন করে আউটসোর্সিং সেবা নেওয়ার ক্ষেত্রে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কর্মী বা সেবা নেওয়ার সুযোগ থাকছে না।নতুন ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বিভাগ বা দপ্তর সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সরাসরি ব্যক্তির কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সেবা নিতে পারবে। একই সঙ্গে অর্থ বিভাগ অনুমোদিত কোনো বিশেষায়িত সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকেও আউটসোর্সিং সেবা নেওয়া যাবে। ফলে নতুন করে সেবা কেনার ক্ষেত্রে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সেবা সরবরাহকারী হিসেবে যুক্ত করার সুযোগ বন্ধ করা হয়েছে।সংশোধিত নীতিমালায় ‘সেবা সরবরাহকারী’র সংজ্ঞাতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন আউটসোর্সিংয়ের জন্য নির্ধারিত সেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সেবা ক্রয়কারীর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ বিশেষায়িত সরকারি প্রতিষ্ঠানকে সেবা সরবরাহকারী হিসেবে গণ্য করা হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ যে কমিটি গঠন করবে সেটিই ‘আউটসোর্সিং সেবা পরিবীক্ষণ কমিটি’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।সেবাকর্মীদের ছুটি প্রশিক্ষণ শৃঙ্খলা এবং অন্যান্য বিষয় সেবা ক্রয়কারী ও সেবা সরবরাহকারী বিশেষায়িত সরকারি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। অন্যদিকে সেবাকর্মীদের নিয়োগ পদোন্নতি নিরাপত্তা কল্যাণ ও ব্যবস্থাপনার মতো প্রশাসনিক বিষয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বিভাগ দপ্তর বা প্রতিষ্ঠানের অধীনে থাকবে।আড়ও পড়ুন,বিশ্ববাজারে কমেছে সোনার দামসেবাকর্মী পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও নতুন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। সেবা ক্রয়কারীর অনুমোদন ছাড়া কোনো সেবাকর্মী পরিবর্তন করা যাবে না। তবে কাজে অবহেলা অসদাচরণ বা এ ধরনের সুনির্দিষ্ট কারণে কর্মী পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে আউটসোর্সিং সেবা পরিবীক্ষণ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। পাশাপাশি যে নির্দিষ্ট সেবার জন্য চুক্তি করা হয়েছে সেই কাজের বাইরে সেবাকর্মীকে অন্য কোনো কাজে নিয়োজিত করা যাবে না।পারিশ্রমিক দেওয়ার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। সংশোধিত বিধান অনুযায়ী চুক্তিভুক্ত সেবার বিপরীতে সেবাকর্মীর নিজ নামীয় ব্যাংক হিসাব অথবা ব্যক্তিগত মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা এমএফএস অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সরাসরি অর্থ পরিশোধ করতে হবে। এতে পারিশ্রমিক প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।এ ছাড়া চুক্তির শর্ত ভঙ্গ হলে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। সেবা ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান এবং সেবা সরবরাহকারী বিশেষায়িত সরকারি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির মধ্যে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ হলে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট ২০০৬ এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস ২০০৮ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে সংশোধিত আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। এর ফলে নতুন করে সরকারি আউটসোর্সিং সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে সরাসরি ব্যক্তি অথবা অনুমোদিত বিশেষায়িত সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সেবা নেওয়ার কাঠামো কার্যকর হলো।

আউটসোর্সিং সেবায় বড় পরিবর্তন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বাদ

সর্বজনীন পেনশনে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ

সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ। পেনশনারের মৃত্যুর পর তার স্বামী বা স্ত্রী কিংবা নমিনি ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত পেনশন সুবিধা পাবেন। বর্তমানে এ সুবিধার বয়সসীমা ৭৫ বছর।বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সুরাতুজ্জামান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান জানান, পেনশনার নিজে আজীবন পেনশন পাবেন। তার মৃত্যুর পর স্বামী বা স্ত্রীকে ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত পেনশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগে এই সুবিধা ৭৫ বছর বয়স পর্যন্ত ছিল।এ ছাড়া সরকারি মালিকানাধীন যেসব প্রতিষ্ঠানে পেনশন ব্যবস্থা নেই সেসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীদেরও সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদের ‘প্রগতি’ স্কিমের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। কোন কোন প্রতিষ্ঠান এতে যুক্ত হবে এবং কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তা পরে নির্ধারণ করা হবে।আড়ও পড়ুন,আসিফ মাহমুদের সম্পদের খোঁজে দুদকবিদেশগামী কর্মীদেরও সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিদেশ যাওয়ার আগে কর্মীদের ‘প্রবাস’ স্কিম সম্পর্কে জানানো এবং নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।এদিকে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির ইসলামিক বা শরিয়াহভিত্তিক সংস্করণ চালুর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে পরিচালনা পর্ষদ। এর কাঠামো ও পরিচালনপদ্ধতি নির্ধারণে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এবং স্থানীয় পরামর্শকেরা কাজ করছেন। অ্যাকচুয়ারিয়াল বিশ্লেষণসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে আলাদা বিধিমালা প্রণয়নের পর এই স্কিম চালু করা হবে।তবে পেনশন শুরুর বয়স ৬০ বছর থেকে কমিয়ে ৫৫ বছর করার প্রস্তাবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি অ্যাকচুয়ারিয়াল পরামর্শ নিয়ে পরবর্তী সময়ে আবার পরিচালনা পর্ষদে উপস্থাপন করা হতে পারে।সর্বজনীন পেনশন তহবিল থেকে অংশগ্রহণকারীদের ঋণ দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। ঋণ দেওয়া হলে তহবিলের কাঙ্ক্ষিত রিটার্ন এবং অংশগ্রহণকারীদের স্বার্থ বিবেচনা করে অ্যাকচুয়ারিয়াল নির্দেশনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।পেনশন কর্মসূচির সঙ্গে স্বাস্থ্যবিমা চালুর বিষয়টিও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। কোন মডেলে এটি চালু করা হবে এবং এতে তহবিলের ওপর কী ধরনের আর্থিক ঝুঁকি তৈরি হতে পারে তা বিশ্লেষণের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।অন্যদিকে পাঁচ বছর অর্থ জমা দেওয়ার পর শারীরিক বা আর্থিক কারণে অক্ষম হলে বিশেষ বিবেচনায় অর্থ উত্তোলনের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে সেটিও অনুমোদন পায়নি।সর্বজনীন পেনশনে নতুন নিবন্ধন বাড়াতে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রণোদনা বাড়ানো হয়েছে। আগে একজনকে নিবন্ধনের জন্য ১৫ টাকা দেওয়া হলেও এখন তা বাড়িয়ে ২৫ টাকা করা হয়েছে।এ ছাড়া জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের আর্থিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বাড়াতে সরকারি নিরীক্ষার পাশাপাশি একটি বেসরকারি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ফার্ম দিয়ে নিরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে পেনশন সুবিধার বয়সসীমা বাড়ানো শরিয়াহভিত্তিক স্কিম চালু সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের অন্তর্ভুক্তি এবং বিদেশগামী কর্মীদের নিবন্ধনের মতো একাধিক উদ্যোগের মাধ্যমে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে পরিবর্তন আনার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ।

সর্বজনীন পেনশনে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ