শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
জুলাই শহীদদের কবর জিয়ারত ও পরিবারের খোঁজ নিচ্ছেন রাশেদ খাঁন

জুলাই শহীদদের কবর জিয়ারত ও পরিবারের খোঁজ নিচ্ছেন রাশেদ খাঁন

জুলাই আন্দোলনে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা সবচেয়ে বেশি শহীদ হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং নেপথ্যের অবদান মানুষের সামনে তুলে ধরা দায়িত্বের অংশ। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর দুপুরে নিজের জেলা ঝিনাইদহে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। রাশেদ খাঁন বলেন, জুলাই আন্দোলনে শহীদ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো সবার দায়িত্ব। তাঁর দাবি, ওই আন্দোলনে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের শহীদ হওয়ার বিষয়টি অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়নি। আরও পড়ুন,বার্ধক্যজনিত জটিলতায় চিকিৎসাধীন রফিকুল ইসলাম মিয়াবিএনপির সংগ্রাম ও আন্দোলনে দলটির ভূমিকা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনে শহীদদের স্মৃতি অমলিন রাখতে তাঁদের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া, কবর জিয়ারতসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এসব কাজে জেলা বিএনপি তাঁকে সহযোগিতা করছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী। এদিকে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে বিএনপির প্রস্তুতির কথাও তুলে ধরেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় নির্বাচনেও দলের প্রস্তুতি রয়েছে। ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং সাধারণ মানুষের কাছে যাচ্ছেন।

এলপিজির নির্ধারিত দাম কার্যকর না হওয়ায় বিপাকে কোটি পরিবার

রান্নার অন্যতম প্রধান জ্বালানি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির বাজারে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি অর্থ গুনতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের সরকারি মূল্য ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হলেও রাজধানীর খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায়। ফলে প্রতিটি সিলিন্ডার কিনতে ক্রেতাদের বাড়তি গুনতে হচ্ছে ৩৬৩ থেকে ৪৬৩ টাকা। গত সাড়ে সাত মাসে দফায় দফায় এলপিজির দাম প্রায় ৩৫ শতাংশ বেড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পাইপলাইনের গ্যাসের স্বাভাবিক সরবরাহ না থাকায় দেশের এক কোটিরও বেশি পরিবার এলপিজির ওপর নির্ভরশীল। ফলে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে গিয়ে সংসারের ব্যয় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন অনেক পরিবার। সরকারি দর নির্ধারণ করা হলেও বাজারে তা কার্যকর না হওয়ায় ভোক্তাদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। বাজার পরিস্থিতি নিয়ে ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটর ও খুচরা বিক্রেতাদের মধ্যে চলছে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ। খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, প্ল্যান্ট থেকে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে না। অন্যদিকে পাইকারি বিক্রেতাদের বক্তব্য, খুচরা বিক্রেতাদের কাছে আগের মজুত থাকায় তারা নতুন করে গ্যাস তুলছেন না। আরও পড়ুন,অবিলম্বে কার্যকর হচ্ছে ডিএমপির দুই কর্মকর্তার দায়িত্ব পরিবর্তনতবে বড় কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অভিযোগ তুললে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন ছোট ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক জানিয়েছেন, দেশে এলপিজির কোনো ঘাটতি নেই। তাঁর দাবি, মধ্যস্বত্বভোগীরা অনৈতিকভাবে গ্যাস মজুত করে বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছেন। কোনো অপারেটর নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করলে প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। তবে বাজারে বাড়তি দামে সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ থাকায় সরবরাহ ও মূল্য নিয়ন্ত্রণের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। খাতসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, দেশে এলপিজির বার্ষিক চাহিদা অন্তত দেড় লাখ টন। এর প্রায় ৯৯ শতাংশই বেসরকারি খাতের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। বাজারের প্রায় ৬৮ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে চারটি বড় প্রতিষ্ঠান—ওমেরা, পেট্রোমেক্স, মেঘনা ও যমুনা। এ ছাড়া বিএম এনার্জি, ইউনাইটেড আইগ্যাস, ডেল্টা, জেএমআই ও প্রিমিয়ামসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এই খাতে ব্যবসা করছে। বাজারের বড় অংশ অল্প কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে থাকায় প্রতিযোগিতা ও সরবরাহ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এলপিজির নির্ধারিত দাম কার্যকর না হওয়ায় বিপাকে কোটি পরিবার