শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
ঢাকায় আবাসন ও বাণিজ্যিক ভবনে নতুন সংযোজন, শেল্‌টেকের দুই প্রকল্পে থাকছে আধুনিক সুবিধা

ঢাকায় আবাসন ও বাণিজ্যিক ভবনে নতুন সংযোজন, শেল্‌টেকের দুই প্রকল্পে থাকছে আধুনিক সুবিধা

ঢাকার আবাসন ও বাণিজ্যিক স্থাপনা খাতে নতুন সংযোজন হতে যাচ্ছে শেল্‌টেকের দুটি প্রকল্প। রাজধানীর আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিংয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে ‘শেল্‌টেক্‌ উইন্ডফ্লাওয়ার’ নামের একটি আবাসিক কন্ডোমিনিয়াম। অন্যদিকে, তেজগাঁও বাণিজ্যিক এলাকার লাভ রোডে গড়ে উঠছে ‘ভিঞ্চিয়া শেল্‌টেক্‌ টাওয়ার’। দুটি প্রকল্পেই আবাসন ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের পাশাপাশি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিংয়ে ৮১ কাঠার বেশি জমির ওপর নির্মিত হচ্ছে শেল্‌টেক্‌ উইন্ডফ্লাওয়ার। ১০ তলা বা গ্রাউন্ড ফ্লোরসহ নয়তলা এই ভবনে থাকছে মোট ১৯২টি অ্যাপার্টমেন্ট। প্রতিটি অ্যাপার্টমেন্টের আয়তন ১ হাজার ৪৪০ বর্গফুট এবং এতে থাকছে তিনটি বেডরুম। আরও পড়ুন,প্রবৃদ্ধি কমার শঙ্কা, বাড়ছে মূল্যস্ফীতির চাপ বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগপ্রকল্পটিতে ১৯২টি গাড়ি রাখার ব্যবস্থা, আটটি লিফট ও তিনটি সিঁড়ি রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে একটি সিঁড়ি অগ্নিনিরাপত্তার জন্য নির্ধারিত থাকবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। শুধু বসবাসের জন্য অ্যাপার্টমেন্ট তৈরি নয়, বরং বাসিন্দাদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ কন্ডোমিনিয়াম পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে প্রকল্পটির। অন্যদিকে, তেজগাঁও বাণিজ্যিক এলাকার লাভ রোডে প্রায় ২৫ কাঠার বেশি জমির ওপর নির্মাণ করা হচ্ছে ভিঞ্চিয়া শেল্‌টেক্‌ টাওয়ার। দুটি বেসমেন্টসহ ১৪ তলাবিশিষ্ট এই ভবনে থাকবে ৫১টি বাণিজ্যিক ইউনিট। এসব ইউনিটের আয়তন ৫৪৬ থেকে ৩ হাজার ৮০৯ বর্গফুট পর্যন্ত। টাওয়ারটিতে ৬৭টি গাড়ি রাখার জায়গা, চারটি লিফট এবং অগ্নিনিরাপত্তা দরজাসহ দুটি সিঁড়ির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি থাকছে দ্বিউচ্চতার প্রবেশপথ, রিসেপশন, ওপেন স্কাই টেরেস, প্রার্থনার জায়গা, ল্যান্ডস্কেপ এবং জলাধার। অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফায়ার কন্ট্রোল রুম ও ফায়ার হাইড্রেন্ট ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।

পাঁচ প্রকল্পে বদলে যাবে দেশের রেল যোগাযোগ বাড়বে পণ্য পরিবহন

দেশের উত্তর প্রান্তের পঞ্চগড় থেকে দক্ষিণ-পূর্বের কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি রেল যোগাযোগ গড়ে তুলতে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। প্রায় ১ হাজার ৭৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেল করিডর উন্নয়নে পাঁচটি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পঞ্চগড় থেকে ঢাকা হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালানোর পাশাপাশি নতুন ২০টি আন্তঃনগর ট্রেনসহ দৈনিক প্রায় ২৫০টি ট্রেন পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। রেলওয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই করিডর চালু হলে দেশের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের রেল নেটওয়ার্ক আরও সমন্বিত হবে। যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি পণ্য ও কনটেইনার পরিবহনেও আসবে বড় পরিবর্তন। উত্তরাঞ্চলের কৃষিপণ্য এবং দক্ষিণাঞ্চলের সামুদ্রিক মাছ, লবণ ও শুঁটকি দ্রুত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে কক্সবাজারকেন্দ্রিক পর্যটনেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। আরও পড়ুন,ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রতি শনিবার বিশেষ অভিযান ডিএনসিসিররেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিকল্পনা দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এই রেল করিডর গড়ে তুলতে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো সান্তাহার-বগুড়া, বগুড়া-সিরাজগঞ্জ, টঙ্গী-আখাউড়া, লাকসাম-চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথের উন্নয়ন ও নতুন লাইন নির্মাণ। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সান্তাহার-বগুড়া, টঙ্গী-আখাউড়া, লাকসাম-চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রাম-দোহাজারী অংশে ডুয়েলগেজ লাইন নির্মাণ ও উন্নয়নের কাজ রয়েছে। অন্যদিকে বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত নতুন ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব কাজ শেষ হলে দেশের রেল যোগাযোগের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা অনেকটাই কমবে। প্রস্তাবিত ব্যয় অনুযায়ী, চট্টগ্রাম-দোহাজারী অংশে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা, বগুড়া-সিরাজগঞ্জ অংশে ১২ হাজার কোটি টাকা, লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশে ১৫ হাজার কোটি টাকা, টঙ্গী-আখাউড়া অংশে ১৪ হাজার কোটি টাকা এবং সান্তাহার-বগুড়া রেলপথ উন্নয়নে সাত হাজার কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে। রেলওয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে মিটারগেজের পরিবর্তে ব্রডগেজ ও ডুয়েলগেজ রেলপথ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্ববাজারে মিটারগেজের ইঞ্জিন, কোচ ও অন্যান্য সরঞ্জাম উৎপাদন কমে আসার বিষয়টিও এই পরিকল্পনার অন্যতম কারণ। আগামী পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে দেশের রেল নেটওয়ার্ককে আরও আধুনিক ও সমন্বিত করার কাজ এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

পাঁচ প্রকল্পে বদলে যাবে দেশের রেল যোগাযোগ বাড়বে পণ্য পরিবহন