রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
বন্ধ শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান চালুতে বড় উদ্যোগ

বন্ধ শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান চালুতে বড় উদ্যোগ

বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর লক্ষ্যে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ স্কিম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ স্কিমের আওতায় গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ শতাংশ। একই সঙ্গে ঋণগ্রহীতাদের জন্য রাখা হয়েছে ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড।বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়।সার্কুলারে বলা হয়েছে ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন স্কিমের’ মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে অর্থায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে বন্ধ প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা করা হবে। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকগুলোকে প্রাক-অর্থায়ন সরবরাহ করবে।নীতিমালা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নেওয়া প্রাক-অর্থায়নের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে ৪ শতাংশ সুদ দিতে হবে। তবে অর্থ পাওয়ার পর প্রথম ছয় মাস এই সুদ পরিশোধ করতে হবে না। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হলে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে সুদ পরিশোধ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদও পরিশোধ করতে হবে।অন্যদিকে স্কিমের আওতায় ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের যে ঋণ দেবে তার সর্বোচ্চ সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ শতাংশ। গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও থাকছে ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড। আড়ও পড়ুন,আইসিসিবিতে আবারও জমছে গাড়ির বাজারঅর্থাৎ ঋণ বিতরণের পর প্রথম ছয় মাস কোনো সুদ আদায় করা যাবে না।ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর ঋণের সুদ আদায় শুরু হবে। এ সময় প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদও নির্ধারিত নিয়মে আদায় করতে হবে।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে তহবিলের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে স্কিমের মেয়াদকালীন তিন বছরের মধ্যে যেকোনো সময় ব্যাংকগুলো প্রাক-অর্থায়নের জন্য আবেদন করতে পারবে।স্কিমের অর্থ নির্ধারিত খাতে যথাযথভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঋণের ব্যবহার ও আদায়ের পরিস্থিতি নিয়মিত তদারক করতে হবে ব্যাংকগুলোকে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত নিয়মে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে সুদ পরিশোধের হিসাবও নিষ্পত্তি করতে হবে।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সার্কুলারে উল্লেখিত নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।