শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
কমপ্লায়েন্ট স্বীকৃতি পেল প্রায় ৩৯ হাজার কুয়েতি প্রতিষ্ঠান

কমপ্লায়েন্ট স্বীকৃতি পেল প্রায় ৩৯ হাজার কুয়েতি প্রতিষ্ঠান

কুয়েতে কর্মীদের নিয়মিত বেতন পরিশোধে অনিয়ম এবং বিভিন্ন আর্থিক জটিলতার সঙ্গে জড়িত ৮ হাজার ৮৪৯টি প্রতিষ্ঠানকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিহ্নিত করেছে সে দেশের পাবলিক অথরিটি ফর ম্যানপাওয়ার (প্যাম)। একই সঙ্গে সরকারি নীতিমালা সঠিকভাবে মেনে সময়মতো কর্মীদের বেতন পরিশোধ করায় ৩৯ হাজার ৫৫৯টি প্রতিষ্ঠানকে নিয়মনিষ্ঠ বা কমপ্লায়েন্ট হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। প্যামের ডিজিটাল মজুরি পর্যবেক্ষণ বা ওয়েজ-পেমেন্ট মনিটরিং সিস্টেমের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তাদের সিস্টেমে মোট ১ লাখ ২৫২টি ফাইল নিবন্ধিত রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচজনের কম কর্মী রয়েছে এমন ক্ষুদ্র ব্যবসা ও নিয়োগকর্তার সংখ্যা ৫১ হাজার ৮৪৪টি। অন্যদিকে, পাঁচ বা ততোধিক কর্মী রয়েছে এমন মাঝারি ও বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের মোট ফাইল সংখ্যা ৪৮ হাজার ৪০৮টি। আরও পড়ুন,ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলে পুড়েছে ১৯ লাখ হেক্টরএই বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকেই ৮ হাজার ৮৪৯টি প্রতিষ্ঠানের ফাইলে কর্মীদের বেতন প্রদানে অনিয়মের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। এদিকে প্রবাসী কর্মীদের বেতন থেকে যত্রতত্র অর্থ কর্তন রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে কুয়েত কর্তৃপক্ষ। বেতন কাটার জন্য সুনির্দিষ্ট ১৩টি বৈধ কারণ নির্ধারণ করে দিয়েছে প্যাম। এর মধ্যে রয়েছে অবৈতনিক ছুটি, সন্তান প্রতিপালন ও অসুস্থতাজনিত ছুটি, আংশিক বেতনভুক্ত ছুটি, সাময়িক বরখাস্ত, কর্মক্ষেত্র থেকে অনুমতি ছাড়া প্রস্থান, কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানো এবং নোটিশ ছাড়া অনুপস্থিতির মতো পেশাগত বিভিন্ন কারণ। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো কর্মীর বেতন থেকে অর্থ কাটতে হলে সেটির আইনগত যৌক্তিকতা প্রমাণে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক ও বৈধ নথিপত্র বাধ্যতামূলকভাবে কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। তাছাড়া কর্মীদের আর্থিক সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে প্যাম স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, কোনো অবস্থাতেই এক মাসে কোনো কর্মীর মূল বেতনের ২৫ শতাংশের বেশি অর্থ কাটা যাবে না। এই সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ কর্তনের ক্ষেত্রেও কর্তনের বৈধতা নিশ্চিতকারী সুনির্দিষ্ট ও গ্রহণযোগ্য নথিপত্র সংযুক্ত করা আবশ্যক করা হয়েছে। কুয়েত প্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপে দেশটিতে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বন্ধ শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান চালুতে বড় উদ্যোগ

বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর লক্ষ্যে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ স্কিম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ স্কিমের আওতায় গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ শতাংশ। একই সঙ্গে ঋণগ্রহীতাদের জন্য রাখা হয়েছে ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড।বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়।সার্কুলারে বলা হয়েছে ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন স্কিমের’ মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে অর্থায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে বন্ধ প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা করা হবে। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকগুলোকে প্রাক-অর্থায়ন সরবরাহ করবে।নীতিমালা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নেওয়া প্রাক-অর্থায়নের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে ৪ শতাংশ সুদ দিতে হবে। তবে অর্থ পাওয়ার পর প্রথম ছয় মাস এই সুদ পরিশোধ করতে হবে না। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হলে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে সুদ পরিশোধ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদও পরিশোধ করতে হবে।অন্যদিকে স্কিমের আওতায় ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের যে ঋণ দেবে তার সর্বোচ্চ সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ শতাংশ। গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও থাকছে ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড। আড়ও পড়ুন,আইসিসিবিতে আবারও জমছে গাড়ির বাজারঅর্থাৎ ঋণ বিতরণের পর প্রথম ছয় মাস কোনো সুদ আদায় করা যাবে না।ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর ঋণের সুদ আদায় শুরু হবে। এ সময় প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদও নির্ধারিত নিয়মে আদায় করতে হবে।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে তহবিলের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে স্কিমের মেয়াদকালীন তিন বছরের মধ্যে যেকোনো সময় ব্যাংকগুলো প্রাক-অর্থায়নের জন্য আবেদন করতে পারবে।স্কিমের অর্থ নির্ধারিত খাতে যথাযথভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঋণের ব্যবহার ও আদায়ের পরিস্থিতি নিয়মিত তদারক করতে হবে ব্যাংকগুলোকে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত নিয়মে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে সুদ পরিশোধের হিসাবও নিষ্পত্তি করতে হবে।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সার্কুলারে উল্লেখিত নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

বন্ধ শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান চালুতে বড় উদ্যোগ