শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
বিশ্ব ডিম দিবসের প্রতিপাদ্য শক্তি জোগায় সুরক্ষা দেয় প্রোটিন

বিশ্ব ডিম দিবসের প্রতিপাদ্য শক্তি জোগায় সুরক্ষা দেয় প্রোটিন

আজ বিশ্ব ডিম দিবস। পুষ্টি চাহিদা পূরণে ডিমের গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতিবছর অক্টোবরের দ্বিতীয় শুক্রবার বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়। দেশে বর্তমানে বছরে মাথাপিছু ডিমের প্রাপ্যতা প্রায় ১৩৭টি। তবে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব এবং সরবরাহ ব্যবস্থার নানা সমস্যায় চাপে রয়েছেন প্রান্তিক পোলট্রি খামারিরা। এ পরিস্থিতির মধ্যেই ২০৩০ সালের মধ্যে মাথাপিছু বার্ষিক ডিমের প্রাপ্যতা ২০০টিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার ও খাতসংশ্লিষ্টরা।প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বছরে প্রায় ২ হাজার ৪৪৬ কোটি ৫০ লাখ ডিম উৎপাদিত হয়। প্রতিদিন উৎপাদনের পরিমাণ ৬ কোটিরও বেশি। এই উৎপাদনের ভিত্তিতে দেশে মাথাপিছু বছরে ডিমের প্রাপ্যতা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩৭টিতে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পুষ্টির চাহিদা পূরণ ও সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে একজন মানুষের বছরে ন্যূনতম ১০৪টি ডিম খাওয়া প্রয়োজন। সেই হিসাবে বাংলাদেশের বর্তমান ডিমের প্রাপ্যতা এই পরিমাণের চেয়ে বেশি। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তুলনায় বাংলাদেশে মাথাপিছু ডিমের ব্যবহার এখনো কম। প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মাথাপিছু ডিম ব্যবহারে মেক্সিকো শীর্ষে রয়েছে। আরও পড়ুন,বাজারে চাল কিনতে গিয়ে বাড়তি খরচে ক্রেতারাদেশটিতে একজন মানুষ বছরে গড়ে ৪০৯টি ডিম ব্যবহার করেন। জাপানে এই সংখ্যা ৩৩৭টি। উন্নত দেশগুলোতে বছরে মাথাপিছু ডিম ব্যবহারের পরিমাণ গড়ে প্রায় ২৭০ থেকে ৩০০টি। ডিমের উৎপাদন ও প্রাপ্যতা বাড়লেও খামারিদের জন্য পরিস্থিতি সহজ নয়। পোলট্রি ফিড, মুরগির বাচ্চা, ওষুধ ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ বাড়ছে। অন্যদিকে খামার থেকে ডিম বিক্রির দাম এবং খুচরা বাজারে ভোক্তাদের কেনা দামের মধ্যে বড় ব্যবধান থাকছে। সরবরাহ ব্যবস্থার ত্রুটি ও মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাবের কারণে সেই বাড়তি দামের সুফল অনেক ক্ষেত্রে প্রান্তিক খামারিরা পাচ্ছেন না। ফলে উৎপাদন চালিয়ে যেতে গিয়ে তাঁদের লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে। প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের সহজলভ্য উৎস হিসেবে ডিমের গুরুত্বও তুলে ধরা হচ্ছে এবারের বিশ্ব ডিম দিবসে। চলতি বছরের আন্তর্জাতিক প্রতিপাদ্য ‘শক্তি জোগায়, সুরক্ষা দেয় যে প্রোটিন’। ডিমের উচ্চমানের সম্পূর্ণ প্রোটিনের পাশাপাশি পেশির বৃদ্ধি, মস্তিষ্কের বিকাশ, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা এবং সুস্থ বার্ধক্যে এর ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।