বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
জেট ফুয়েলের নতুন দাম ঘোষণা করল বিইআরসি

জেট ফুয়েলের নতুন দাম ঘোষণা করল বিইআরসি

দেশে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮২ টাকা ৭১ পয়সা। আর আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ দশমিক ১৮৮২ মার্কিন ডলার। বুধবার ৭ অক্টোবর বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম বাড়ানোর বিষয়টি জানায় বিইআরসি। নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ রুটে জেট ফুয়েলের দাম আগের তুলনায় প্রতি লিটারে ১৭ টাকা ৬ পয়সা বেড়েছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে জেট ফুয়েলের দাম কমানো হয়েছিল। তখন অভ্যন্তরীণ রুটের জন্য প্রতি লিটারের দাম নির্ধারণ করা হয় ১৬৫ টাকা ৬৫ পয়সা। আর আন্তর্জাতিক রুটের জন্য দাম ছিল প্রতি লিটার ১ দশমিক ০৮ মার্কিন ডলার। আরও পড়ুন,দেশের রিজার্ভে ঊর্ধ্বগতি জানাল বাংলাদেশ ব্যাংকচলতি বছর জেট ফুয়েলের দামে একাধিকবার পরিবর্তন এসেছে। বিইআরসি সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম, ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময়মূল্য এবং জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে গত ৪ অক্টোবর অটোগ্যাস ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দামও বাড়ানো হয়। অক্টোবর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটারে প্রায় ১২ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা করা হয়েছে। জেট ফুয়েলসহ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানির দাম বাড়ায় পরিবহন ও বিমান চলাচল খাতে ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে জেট ফুয়েলের দাম বৃদ্ধির ফলে বিমানভাড়া বাড়বে কি না, তা সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাগুলোর সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

মার্চেন্ট সৌরবিদ্যুতের নতুন দাম নির্ধারণ করল বিইআরসি

বেসরকারি বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র বা মার্চেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ কেনার নতুন পাইকারি দর নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি।একই সঙ্গে জাতীয় সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন ব্যবহারের জন্য ওপেন অ্যাকসেস ট্যারিফও চূড়ান্ত করেছে কমিশন। বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একক ক্রেতা হিসেবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বা বিপিডিবি সংযোগের ভোল্টেজভেদে প্রতি ইউনিট সৌরবিদ্যুৎ ৬ টাকা ৯৮ পয়সা এবং ৭ টাকা ১১ পয়সা দরে কিনতে পারবে। আগামী অক্টোবর থেকেই এই নতুন হার কার্যকর হবে।নীতিমালা অনুযায়ী, মার্চেন্ট বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো তাদের উৎপাদিত বিদ্যুৎ সরাসরি বড় শিল্পগ্রাহকের কাছে বিক্রি করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে ক্রেতা ও বিক্রেতা পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করবেন।তবে সরকারি সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করলে বিইআরসি নির্ধারিত ওপেন অ্যাকসেস ট্যারিফ পরিশোধ করতে হবে।সংযোগের ধরন ও ভোল্টেজ অনুযায়ী এই মাশুল প্রতি ইউনিটে ১ টাকা ২২ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১ টাকা ৯০ দশমিক ৯৭ পয়সা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।আড়ও পড়ুন,নতুন পণ্যের টিভিসি নিয়ে হাজির স্টেপ ফুটওয়্যার, মডেল নুসরাত ফারিবিদ্যুৎকেন্দ্র ও গ্রাহক আলাদা বিতরণ সংস্থার এলাকায় থাকলে অতিরিক্ত ৩০ পয়সা বিতরণ মাশুল যুক্ত হবে। তবে উভয় পক্ষ একই বিতরণ সংস্থার আওতায় থাকলে এই অতিরিক্ত মাশুল প্রযোজ্য হবে না।বিতরণ সংস্থাভেদেও আলাদা মাশুল নির্ধারণ করেছে কমিশন। প্রতি ইউনিটে পিডিবির জন্য ৭০ পয়সা, আরইবির জন্য ১ টাকা ৪৩ পয়সা, ডিপিডিসির জন্য ৮৫ পয়সা, ডেসকোর জন্য ৯৯ পয়সা, ওজোপাডিকোর জন্য ৮৭ পয়সা এবং নেসকোর জন্য ১ টাকা ৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে ২০২৫ সালে মার্চেন্ট পাওয়ার নীতিমালা করে। এই নীতিমালায় কেন্দ্রগুলো ঘোষিত মাসিক উৎপাদনের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ সরকারি সংস্থার কাছে বিক্রি এবং বাকি ৮০ শতাংশ বড় বেসরকারি গ্রাহকের কাছে সরাসরি সরবরাহের সুযোগ পায়।এর আগে গত ২৩ আগস্ট এ বিষয়ে গণশুনানি করে বিইআরসি। সেখানে কমিশনের মূল্যায়ন কমিটি সরকারি ক্রয়ের দর ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৪৮ পয়সা করার সুপারিশ করেছিল।

মার্চেন্ট সৌরবিদ্যুতের নতুন দাম নির্ধারণ করল বিইআরসি