আবরার হত্যার দ্রুত বিচার দাবি বাবার
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড দেশের মানুষকে আধিপত্যবাদ ও সম্প্রসারণবাদেরবিরুদ্ধে আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।বুধবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অডিটোরিয়ামে শহীদ আবরার ফাহাদের সপ্তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী বলেন, ফ্যাসিবাদের দমন-পীড়নের সময়ে একের পর এক আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ায় মানুষের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছিল। তবে আবরার হত্যাকাণ্ডের পর দেশের মানুষের তীব্র প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করে প্রতিবাদের শক্তি তখনো মানুষের মধ্যে বিদ্যমান ছিল। দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে আবরারের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বক্তব্যই তাঁর হত্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।আরও পড়ুন,দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না: রিজভীরিজভীর দাবি, আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ড পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট তৈরি করে। আলোচনা সভায় আবরার ফাহাদের বাবা মো. রহমত উল্লাহ বলেন, দেশের স্বার্থবিরোধী বিভিন্ন চুক্তি ও কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখাই ছিল তাঁর ছেলের অপরাধ। এ কারণে বুয়েটের হলে কয়েক ঘণ্টা ধরে নির্যাতনের পর আবরারকে হত্যা করা হয়। সাত বছর পেরিয়ে গেলেও বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি। সভায় বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আবরার হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত ছিল বলে আদালতের রায়েও উঠে এসেছে। তাঁর ভাষ্য, আবরারসহ বিভিন্ন ছাত্র ও রাজনৈতিক নেতার আত্মত্যাগ পরবর্তী সময়ে জুলাই আন্দোলনের পথ তৈরি করে। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীসহ ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।