রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
ব্যাংকিং থেকে মোবাইল ফোন ১১ খাতে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন

ব্যাংকিং থেকে মোবাইল ফোন ১১ খাতে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন

সিগারেট, ওষুধ, মোবাইল ফোন ও ব্যাংকিংসহ ১১টি খাতে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর।রোববার ২০ সেপ্টেম্বর এনবিআরের ভ্যাট অনুবিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি আদেশ জারি করা হয়। আদেশ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদনকারী এবং নির্ধারিত সেবা খাতের সরবরাহকারীদের এনবিআরের ইভ্যাট পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করতে হবে।বাধ্যতামূলক করা খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে সিগারেট, মোবাইল ফোন, এমএস পণ্য, ওষুধ, পানীয়, সিমেন্ট, টাইলস, আড়ও পড়ুন,কৃষকের হাতে স্মার্টফোন, ব্যাংকিংয়ে বাড়বে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিরং ও বার্নিশ, বীমা, ব্যাংকিং ও নন-ব্যাংকিং সেবা এবং মোবাইল ব্যাংকিং সেবা।এনবিআর জানিয়েছে, কোনো নিবন্ধিত ব্যক্তি এসব পণ্য বা সেবার পাশাপাশি অন্য কোনো পণ্য বা সেবা সরবরাহের সঙ্গেও যুক্ত থাকলে তার ক্ষেত্রেও এই আদেশ প্রযোজ্য হবে।এর আগে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা নিয়ে এনবিআরের কোনো আদেশ থাকলে নতুন আদেশ জারির পর সেগুলো বাতিল বলে গণ্য হবে।এছাড়া প্রয়োজন অনুযায়ী তালিকায় নতুন খাত যুক্ত করা বা কোনো খাত বাদ দেওয়ার ক্ষমতাও সংরক্ষণ করেছে এনবিআর। আদেশটি জারির সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয়েছে।

কৃষকের হাতে স্মার্টফোন, ব্যাংকিংয়ে বাড়বে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি

চার থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যেই স্মার্টফোন পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সাশ্রয়ী স্মার্টফোন ও শক্তিশালী ইন্টারনেট অবকাঠামোর মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ডিজিটাল ও আর্থিক ব্যবস্থার আওতায় আনা সম্ভব। একই সঙ্গে গ্রামীণ অর্থনীতিকে ডিজিটাল ব্যবস্থায় যুক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।স্মার্টফোনের দাম নামছে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে। আর এর সঙ্গে ডিজিটাল অর্থনীতি ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।শনিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে পিপিআরসি আয়োজিত ‘ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ২.০’ শীর্ষক গ্রুপ ডায়ালগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।অর্থমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি একে অপরের পরিপূরক। ডিজিটাল অর্থনীতির গতি বাড়াতে নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চগতির ইন্টারনেট অপরিহার্য। শক্তিশালী ইন্টারনেট অবকাঠামো ছাড়া ডিজিটাল আর্থিক সেবার সুফল পুরোপুরি পাওয়া সম্ভব নয়।আমির খসরু বলেন, দেশে সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন উৎপাদন শুরু হয়েছে। চার থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যেই এসব ফোন পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি। আড়ও পড়ুন,ঋণের সুদ কমলেও গতি নেই বিনিয়োগে, ঋণের সুদ কমলেও গতি নেই বিনিয়োগে, বড় সমস্যা আস্থার সংকটতাঁর মতে, এতে কৃষকসহ সাধারণ মানুষের প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ আরও সহজ হবে।স্মার্টফোনের মাধ্যমে কৃষকরা আবহাওয়ার তথ্য, প্রয়োজনীয় সারের মাত্রা এবং কৃষিপণ্যের বাজারদর জানতে পারবেন বলেও উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী।এদিকে ‘ওয়ান ভিলেজ, ওয়ান প্রোডাক্ট’ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক উৎপাদক ও কারিগরদের চিহ্নিত করে তাঁদের ডিজিটাল পেমেন্ট ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার কার্ড এবং ইমাম-পুরোহিতদের ভাতা ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে দেওয়ার উদ্যোগকেও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির অংশ হিসেবে তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তবে প্রযুক্তির প্রসারের সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা ও নীতিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে উদ্ভাবনের ধারাকে এগিয়ে নিতে নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।সাশ্রয়ী স্মার্টফোন, শক্তিশালী ইন্টারনেট এবং ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনীতির মূলধারায় যুক্ত করার পরিকল্পনার কথাই উঠে এসেছে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে।

কৃষকের হাতে স্মার্টফোন, ব্যাংকিংয়ে বাড়বে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি