দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.২১ বিলিয়ন ডলার
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ১১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের মোট বা গ্রস রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল—আইএমএফের বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলারে। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬ হাজার ২১৩ দশমিক ২৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ৪০৩ দশমিক ৬০ মিলিয়ন ডলারে। এর আগে, গত ৮ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৬ হাজার ১৫৮ দশমিক ৫৬ মিলিয়ন ডলার। আরও পড়ুন,২০৩০ সালের আগেই বিশ্বঋণ জিডিপির ১০০ শতাংশ ছাড়ানোর শঙ্কা, চাপে বাংলাদেশওআর বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১ হাজার ৩৪৯ দশমিক ৪৪ মিলিয়ন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই হিসাব অনুযায়ী, তিন দিনের ব্যবধানে দেশের গ্রস রিজার্ভ বেড়েছে ৫৪ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন ডলার। একই সময়ে বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভ বেড়েছে ৫৪ দশমিক ১৬ মিলিয়ন ডলার। এখানে গ্রস রিজার্ভ ও বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। গ্রস রিজার্ভ হলো দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। অন্যদিকে, আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের হিসাব করা হয় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুসরণ করে। নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ নির্ধারণের ক্ষেত্রেও বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায়সহ প্রযোজ্য সমন্বয় বাদ দিয়ে প্রকৃত রিজার্ভের হিসাব নির্ধারণ করা হয়। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দেশের আমদানি ব্যয় মেটানো, আন্তর্জাতিক লেনদেনের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং বৈদেশিক আর্থিক চাপ মোকাবিলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।