শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
মোদি সরকারের সমালোচনা করে বিতর্কে সালমান রুশদি

মোদি সরকারের সমালোচনা করে বিতর্কে সালমান রুশদি

ভারতে অসহিষ্ণুতা বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখক সালমান রুশদি। ভারতের তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনকে আশার আলো হিসেবে উল্লেখ করে তিনি দেশটির বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করেছেন। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এশিয়ান আমেরিকান রাইটার্স ওয়ার্কশপের তহবিল সংগ্রহে আয়োজিত এক নৈশভোজে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন রুশদি। অনুষ্ঠানে ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সামাজিক সম্প্রীতি নিয়ে কথা বলেন তিনি। সালমান রুশদি বলেন, ভারতে বর্তমানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত। তবে দেশটির তরুণ-তরুণীরা দীর্ঘদিন পর মানুষের মধ্যে আশার আলো জাগিয়েছেন। এ সময় তিনি ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনকে উদ্‌যাপন এবং এর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন সাংবাদিক ও লেখক অমিতাভ কুমার। রুশদির এই বক্তব্যের পর ভারতের হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক মহল ও ডানপন্থী চিন্তকদের একাংশের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অতীতে ইসলামি কট্টরপন্থার সমালোচনার কারণে যাঁরা তাঁকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে প্রশংসা করেছিলেন, তাঁদের একাংশ এখন মোদি সরকারের সমালোচনায় তাঁর অবস্থানের বিরোধিতা করছেন। ভারতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অতীত স্মৃতিও তুলে ধরেন সালমান রুশদি। আরও পড়ুন,৭০ বছর পর চালু হলো বাংলাদেশ-আসাম নৌবাণিজ্যপথশৈশবে বোম্বেতে বেড়ে ওঠার সময় বিভিন্ন ধর্মের মানুষের একসঙ্গে উৎসব উদ্‌যাপনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তখন কে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিষ্টান কিংবা পার্সি তা বিবেচনা না করে সবাই একসঙ্গে আনন্দে অংশ নিতেন। কিন্তু বর্তমান ভারতে সেই চিত্র আর আগের মতো দেখা যায় না বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপূজায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্কও সামনে এসেছে। একটি সংবাদ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এবার পূজামণ্ডপে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণ তুলনামূলকভাবে কম দেখা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কট্টরপন্থীদের একাংশের প্রচারণাকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির মা চলচ্চিত্র পরিচালক মীরা নায়ারও ওই নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে তিনি নিজেকে ‘ককরোচদের মা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ভারতে ‘আরশোলারা’ গণতন্ত্রের জন্য লড়ছে। তাঁদের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সালমান রুশদির বক্তব্যের পক্ষে অনেকে সমর্থন জানালেও, তাঁর মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অসহিষ্ণুতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রশ্নে এই বক্তব্য নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

মোদির জন্মদিনে পুতিনের বিশেষ বার্তা, একই গাড়িতে দুই নেতা

জন্মদিনে মোদিকে পুতিনের শুভেচ্ছা। আর সেই বার্তায় উঠে এসেছে ভারত-রাশিয়ার দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ও কৌশলগত অংশীদারত্বের প্রসঙ্গ।বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুতিনের পাঠানো শুভেচ্ছাবার্তা প্রকাশ করে ভারতে অবস্থিত রুশ দূতাবাস‘দ্রুঝবা-দোস্তি’—অর্থাৎ বন্ধুত্বের বার্তা—হ্যাশট্যাগে প্রকাশ করা ওই বার্তায় পুতিন মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন। পুতিনের বার্তায় বলা হয়, মোদি ভারতের জনগণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপক সম্মানের অধিকারীভারত-রাশিয়ার বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করতে মোদির ব্যক্তিগত অবদানের প্রশংসাও করেন রুশ প্রেসিডেন্ট।ভিজ্যুয়াল: মোদি-পুতিনের বৈঠক, করমর্দন ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ফুটেজ।গত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয় ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন।সেই সম্মেলনে রুশ প্রতিনিধিদলকে আতিথেয়তার জন্য মোদিকে ধন্যবাদ জানান পুতিন।শুধু তাই নয়, মোদির সঙ্গে সাম্প্রতিক দ্বিপক্ষীয় আলোচনাকেও বস্তুনিষ্ঠ ও ফলপ্রসূ বলে উল্লেখ করেন তিনি। পুতিনের ভাষ্য, মোদির রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা ভারত-রাশিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করেছে।ভিজ্যুয়াল: ব্রিকস সম্মেলন, মোদি-পুতিন বৈঠক, করমর্দন ও সম্মেলনের বিভিন্ন দৃশ্য।ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে মোদি ও পুতিনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে দুই দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও অন্যান্য সহযোগিতার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আড়ও পড়ুন,আরব সাগরে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধজাহাজের সংঘর্ষএকই সঙ্গে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুও আলোচনায় আসে। ভিজ্যুয়াল: দুই নেতার বৈঠকের ক্লোজ শট।আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংকটের প্রভাব, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও কৃষ্ণসাগর অঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়েও দুই নেতার আলোচনার কথা উঠে এসেছে।বৈঠক শেষে মোদি ও পুতিনকে একই গাড়িতে করে একটি প্রদর্শনী পরিদর্শন করতে দেখা যায়।ভিজ্যুয়াল: দুই নেতার একই গাড়িতে জন্মদিনে মোদিকে পুতিনের শুভেচ্ছা। আর সেই বার্তায় উঠে এসেছে ভারত-রাশিয়ার দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ও কৌশলগত অংশীদারত্বের প্রসঙ্গ।বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুতিনের পাঠানো শুভেচ্ছাবার্তা প্রকাশ করে ভারতে অবস্থিত রুশ দূতাবাস।‘দ্রুঝবা-দোস্তি’—অর্থাৎ বন্ধুত্বের বার্তা—হ্যাশট্যাগে প্রকাশ করা ওই বার্তায় পুতিন মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন। পুতিনের বার্তায় বলা হয়, মোদি ভারতের জনগণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপক সম্মানের অধিকারী।ভারত-রাশিয়ার বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করতে মোদির ব্যক্তিগত অবদানের প্রশংসাও করেন রুশ প্রেসিডেন্ট।ভিজ্যুয়াল: মোদি-পুতিনের বৈঠক, করমর্দন ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ফুটেজ।গত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয় ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন।সেই সম্মেলনে রুশ প্রতিনিধিদলকে আতিথেয়তার জন্য মোদিকে ধন্যবাদ জানান পুতিন।শুধু তাই নয়, মোদির সঙ্গে সাম্প্রতিক দ্বিপক্ষীয় আলোচনাকেও বস্তুনিষ্ঠ ও ফলপ্রসূ বলে উল্লেখ করেন তিনি। পুতিনের ভাষ্য, মোদির রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা ভারত-রাশিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করেছে।ভিজ্যুয়াল: ব্রিকস সম্মেলন, মোদি-পুতিন বৈঠক, করমর্দন ও সম্মেলনের বিভিন্ন দৃশ্য।ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে মোদি ও পুতিনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে দুই দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও অন্যান্য সহযোগিতার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুও আলোচনায় আসে। ভিজ্যুয়াল: দুই নেতার বৈঠকের ক্লোজ শট।আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংকটের প্রভাব, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও কৃষ্ণসাগর অঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়েও দুই নেতার আলোচনার কথা উঠে এসেছে।বৈঠক শেষে মোদি ও পুতিনকে একই গাড়িতে করে একটি প্রদর্শনী পরিদর্শন করতে দেখা যায়।ভিজ্যুয়াল: দুই নেতার একই গাড়িতে ওঠা ও প্রদর্শনী পরিদর্শনের ফুটেজ।দুই নেতার একসঙ্গে চলাচলের এই দৃশ্য নতুন করে আলোচনায় আসে। এর আগেও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সম্মেলনে মোদি ও পুতিনকে একই গাড়িতে ভ্রমণ করতে দেখা গেছে।সব মিলিয়ে মোদির জন্মদিনে পুতিনের বার্তায় ব্যক্তিগত শুভেচ্ছার পাশাপাশি ভারত-রাশিয়ার কৌশলগত অংশীদারত্ব এবং দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের নিয়মিত যোগাযোগের বিষয়টিই গুরুত্ব পেয়েছে।মোদির ৭৬তম জন্মদিনে পুতিনের শুভেচ্ছাবার্তা এবং সাম্প্রতিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক—দুই দেশের দীর্ঘদিনের কৌশলগত সম্পর্ককে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে এনেছে। ওঠা ও প্রদর্শনী পরিদর্শনের ফুটেজ।দুই নেতার একসঙ্গে চলাচলের এই দৃশ্য নতুন করে আলোচনায় আসে। এর আগেও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সম্মেলনে মোদি ও পুতিনকে একই গাড়িতে ভ্রমণ করতে দেখা গেছে।সব মিলিয়ে মোদির জন্মদিনে পুতিনের বার্তায় ব্যক্তিগত শুভেচ্ছার পাশাপাশি ভারত-রাশিয়ার কৌশলগত অংশীদারত্ব এবং দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের নিয়মিত যোগাযোগের বিষয়টিই গুরুত্ব পেয়েছে।মোদির ৭৬তম জন্মদিনে পুতিনের শুভেচ্ছাবার্তা এবং সাম্প্রতিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক—দুই দেশের দীর্ঘদিনের কৌশলগত সম্পর্ককে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে এনেছে। 

মোদির জন্মদিনে পুতিনের বিশেষ বার্তা, একই গাড়িতে দুই নেতা