শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
রাজশাহীতে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশ

রাজশাহীতে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশ

রাজশাহীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম চলাকালে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। নির্দেশনা অমান্য করে নির্ধারিত সময়ে কোচিং সেন্টার চালু রাখা হলে অভিযান চালানোর কথাও জানিয়েছে প্রশাসন। সোমবার রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শিক্ষা ও কল্যাণ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, স্কুল চলাকালে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম সচল রাখার উদ্দেশ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, স্কুল চলাকালে অনেক শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত না থেকে কোচিং সেন্টারে চলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আরও পড়ুন,তিন বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস, বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রাএ কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস চলার সময় কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, নির্দেশনা অমান্য করে কোনো কোচিং সেন্টার নির্ধারিত সময়ে চালু থাকলে সেখানে অভিযান চালানো হবে। কোচিং সেন্টার পরিচালনা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগও প্রশাসনের নজরে এসেছে। বিশেষ করে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কোচিংয়ের জন্য অগ্রিম টাকা নেওয়ার পর তা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এসব অভিযোগের বিষয়েও পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গণবিজ্ঞপ্তি বাস্তবায়নে রাজশাহীর পুলিশ সুপার, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের এ নির্দেশনার ফলে স্কুল চলাকালে কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ কমবে এবং শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে নির্দেশনা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও নিয়মিত তদারকি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বোমা ভেবে আতঙ্ক, পুলিশ গিয়ে পেল মিউজিক ডিভাইস

রাজশাহীতে স্কুটিতে লাগিয়ে দেওয়া একটি ডিভাইস নিয়ে হুলস্থুল কাণ্ড ঘটেছে। স্কুটির মালিক এই ডিভাইসটিকে বোমা ভেবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো আরডিএ মার্কেট এলাকায়।  খবর পেয়ে পুলিশের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট গিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখে ডিভাইসটি আসলে মোটরসাইকেলের একটি মিউজিক ডিভাইস। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে মহানগরীর সাহেববাজার আরডিএ মার্কেটের নিচতলায় সাত নম্বর গলিতে এ ঘটনা ঘটে।  পুলিশ বলছে, আতঙ্ক ছড়াতে এক যুবক ইচ্ছাকৃতভাবেই এই কাজটি করেছেন। জনমনে আতঙ্ক ছড়ানোর কারণে তাকে শনাক্ত করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে অজ্ঞাত এক যুবক স্কুটিতে ডিভাইসটি লাগিয়ে দিয়ে চলে যান। পরে এর মালিক সেটি দেখে বোমা ভেবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এরপর পুরো মার্কেটেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তখন বিষয়টি পুলিশকেও জানানো হয়। খবর পেয়ে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা সেখানে আসেন। আরএমপির মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, ‘স্কুটিতে লাগিয়ে দেওয়া ডিভাইসটি আসলে মিউজিক ডিভাইস। এটি মোটরসাইকেলেই ব্যবহার করা হয়। আতঙ্ক ছড়াতে এটি এক যুবক ওই স্কুটিতে লাগিয়ে দেয়। বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট গিয়ে দেখে এটি মিউজিক ডিভাইস। পরে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে পুলিশ ফিরে আসে।’ তিনি জানান, জনমনে আতঙ্ক ছড়ানো একটি অপরাধ। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তারা আইনি পদক্ষেপ নেবেন।

বোমা ভেবে আতঙ্ক, পুলিশ গিয়ে পেল মিউজিক ডিভাইস

বোমা ভেবে আতঙ্ক, পুলিশ গিয়ে পেল মিউজিক ডিভাইস

রাজশাহীতে স্কুটিতে লাগিয়ে দেওয়া একটি ডিভাইস নিয়ে হুলস্থুল কাণ্ড ঘটেছে। স্কুটির মালিক এই ডিভাইসটিকে বোমা ভেবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো আরডিএ মার্কেট এলাকায়।  খবর পেয়ে পুলিশের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট গিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখে ডিভাইসটি আসলে মোটরসাইকেলের একটি মিউজিক ডিভাইস। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে মহানগরীর সাহেববাজার আরডিএ মার্কেটের নিচতলায় সাত নম্বর গলিতে এ ঘটনা ঘটে।  পুলিশ বলছে, আতঙ্ক ছড়াতে এক যুবক ইচ্ছাকৃতভাবেই এই কাজটি করেছেন। জনমনে আতঙ্ক ছড়ানোর কারণে তাকে শনাক্ত করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে অজ্ঞাত এক যুবক স্কুটিতে ডিভাইসটি লাগিয়ে দিয়ে চলে যান। পরে এর মালিক সেটি দেখে বোমা ভেবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এরপর পুরো মার্কেটেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তখন বিষয়টি পুলিশকেও জানানো হয়। খবর পেয়ে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা সেখানে আসেন। আরএমপির মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, ‘স্কুটিতে লাগিয়ে দেওয়া ডিভাইসটি আসলে মিউজিক ডিভাইস। এটি মোটরসাইকেলেই ব্যবহার করা হয়। আতঙ্ক ছড়াতে এটি এক যুবক ওই স্কুটিতে লাগিয়ে দেয়। বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট গিয়ে দেখে এটি মিউজিক ডিভাইস। পরে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে পুলিশ ফিরে আসে।’ তিনি জানান, জনমনে আতঙ্ক ছড়ানো একটি অপরাধ। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তারা আইনি পদক্ষেপ নেবেন।

বোমা ভেবে আতঙ্ক, পুলিশ গিয়ে পেল মিউজিক ডিভাইস