রংপুরমুখী লংমার্চ ঘিরে উত্তাপ, রাশেদ খাঁনের অভিযোগ ও সতর্কবার্তা
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের রংপুরমুখী লংমার্চ নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তাঁর দাবি, এই কর্মসূচির মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আবার মাঠে নামার সুযোগ পেতে পারে। একই সঙ্গে লংমার্চকে কেন্দ্র করে নাশকতার প্রস্তুতির অভিযোগও করেছেন তিনি।শুক্রবার সকালে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ফটকে জুলাই আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতিচিহ্ন পরিদর্শন করেন রাশেদ খাঁন।পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বিরোধী দলগুলো রাষ্ট্র পুনর্গঠনে সরকারকে সহযোগিতা না করে লংমার্চের মতো কর্মসূচি দিলে আওয়ামী লীগ মাঠে নামার সুযোগ পেতে পারে।রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, ১১-দলীয় জোটের লংমার্চকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং নাশকতার উদ্দেশ্য থাকতে পারে—এমন তথ্য তাঁরা বিভিন্নভাবে পাচ্ছেন।লংমার্চ নিয়ে জামায়াতকেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।এ সময় ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাকিবুল হাসানের ছড়িয়ে পড়া একটি অডিওর প্রসঙ্গ তোলেন রাশেদ খাঁন।ওই অডিওতে সরকার, প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনী নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য শোনা যায় বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।অডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর রাকিবুল হাসানকে ক্যান্টনমেন্ট থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। আড়ও পড়ুন,প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিয়ে শফিকুর রহমানের বক্তব্যপরে তাঁকে গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।রাশেদ খাঁন আরও বলেন, আগের সরকারের সময়ে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে তৈরি হওয়া কাঠামোর পুরোপুরি পরিবর্তন এখনো হয়নি। এ জন্য তিনি জামায়াতের রাজনৈতিক ভূমিকারও সমালোচনা করেন।চট্টগ্রামের আগের লংমার্চের প্রসঙ্গ তুলে তিনি অভিযোগ করেন, সেখানে আওয়ামী লীগের নেতাদের গাড়ি ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির এক নেতার বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলেন তিনি, তবে তাঁর নাম প্রকাশ্যে বলেননি।এদিকে আট দফা দাবিতে ১১-দলীয় ঐক্যের রংপুরমুখী লংমার্চ শনিবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও এখন আলোচনায়।