বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
২০২৭ সালজুড়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতির চাপের শঙ্কা

২০২৭ সালজুড়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতির চাপের শঙ্কা

যুদ্ধ, জ্বালানি ও সারের মূল্যবৃদ্ধি এবং এল নিনোর প্রভাবে খরার আশঙ্কা সব মিলিয়ে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে এই চাপ তীব্র হতে পারে। এমনকি এর প্রভাব পুরো ২০২৭ সালজুড়েও থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়বেন নিম্ন আয়ের মানুষ। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য। ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার ৬৩ বছর বয়সী পার্কিংকর্মী মুহাম্মদ ইয়াসিনের জীবনে এর প্রভাব ইতোমধ্যে স্পষ্ট। আগে চাল, টেম্পে ও টোফু কিনতে যেখানে তাঁর খরচ হতো ৭ থেকে ৮ হাজার রুপিয়া, এখন একই খাবারের জন্য দিতে হচ্ছে ১৫ হাজার রুপিয়া। চার সন্তানের বাবা ইয়াসিনের সাপ্তাহিক আয় ২ লাখ থেকে ৩ লাখ রুপিয়া। ফলে সংসারের খরচ সামলাতে তাঁকে খাবারের পরিমাণ কমাতে হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে গম পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। লোহিত সাগরে নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে জাহাজকে দীর্ঘ পথ ঘুরে চলতে হচ্ছে। আরও পড়ুন,আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দামপাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত জ্বালানি ও সার সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এর সঙ্গে এল নিনোর প্রভাবে খরার আশঙ্কা যুক্ত হওয়ায় কৃষি উৎপাদন নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরেরো জানিয়েছেন, এসব কারণে বিশ্বব্যাপী খাদ্য সরবরাহব্যবস্থা উল্লেখযোগ্য চাপের মুখে পড়েছে। সংস্থাটির খাদ্যমূল্য সূচক গত সেপ্টেম্বরে ১৩৬ পয়েন্টে পৌঁছেছে, যা ২০২২ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ। চলতি বছর আন্তর্জাতিক বাজারে গমের দাম ৩০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এশিয়ার প্রধান চাল রপ্তানিকারক দেশগুলোতে চালের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৩ শতাংশ। ইন্দোনেশিয়ায় ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে ৭ শতাংশ। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে রান্নার তেলের দাম বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধিও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। যুদ্ধের ঝুঁকি ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি নৌপথে পণ্য পরিবহনের ভাড়া প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। এতে আমদানিনির্ভর দেশগুলোর খাদ্য সংগ্রহের খরচ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী কয়েক মাসে বিভিন্ন দেশ আবার আন্তর্জাতিক বাজার থেকে খাদ্যশস্য আমদানি বাড়ালে চাহিদার ওপর নতুন চাপ তৈরি হতে পারে। সয়াবিন ও ভুট্টার মজুত আপাতত পর্যাপ্ত থাকলেও ভবিষ্যৎ সরবরাহ নির্ভর করবে প্রধান উৎপাদনকারী দেশগুলোর ফলনের ওপর। সব মিলিয়ে, খাদ্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকলে নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা আরও কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। ফলে বিশ্বজুড়ে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা আগামী দিনগুলোতে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় হামলার শঙ্কায় বাড়ছে উদ্বেগ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার ঝুঁকি এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ সংকট তীব্র হতে পারে। শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৯ দশমিক ৮৬ ডলারে পৌঁছায়। লেনদেনের একপর্যায়ে দাম ১১০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। মে মাসের পর এই প্রথম ব্রেন্টের দাম এতটা বাড়ল। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দামও বেড়েছে। এক মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের সীমা অতিক্রম করে দিন শেষে এই তেলের দাম দাঁড়ায় ১০১ দশমিক ৪১ ডলারে। আগের দিনের তুলনায় দাম বেড়েছে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা চলছে। আরও পড়ুন,ভ্যাট রিটার্ন জমায় নতুন সময়সীমা নির্ধারণযুদ্ধবিরতির খবরে একপর্যায়ে তেলের দাম কমলেও মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ কাটেনি। সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় আবারও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা। এদিকে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দরের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল লোহিত সাগরের তীরবর্তী ইয়ানবু বন্দরে নেওয়া হচ্ছে। সেখান থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল রপ্তানি করা হয়।সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের দাবি, শুক্রবার ইয়ানবুর দিকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। ইয়ানবু দেশটির গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিশোধন ও পেট্রোকেমিক্যাল কেন্দ্র হওয়ায় সেখানে হামলার আশঙ্কা তেল সরবরাহের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। জ্বালানিবিষয়ক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান রিস্টাড এনার্জির বিশ্লেষক শ্রেইনার পার্কারও ইয়ানবু বন্দরের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, হরমুজ প্রণালিতে বাধার কারণে সৌদি আরবের বিকল্প রপ্তানি পথ হিসেবে এই বন্দরের গুরুত্ব বেড়েছে। ফলে সেখানে হামলা হলে তেলের সরবরাহ আরও চাপে পড়তে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে সরবরাহ কমার পাশাপাশি পরিবহন ব্যয় ও যুদ্ধঝুঁকির বিমা খরচও বাড়বে। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর প্রভাব পড়তে পারে বিশ্ব অর্থনীতি, পরিবহন ব্যয় এবং জ্বালানিনির্ভর বিভিন্ন খাতে।

সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় হামলার শঙ্কায় বাড়ছে উদ্বেগ

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে নতুন করে শঙ্কা

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাঞ্চলীয় জলপথে একের পর এক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। তেহরানের অনুমোদিত রুটের বাইরে বা অননুমোদিত জলপথ ব্যবহার করতে গিয়ে তেলবাহী ট্যাংকারগুলো সামুদ্রিক মাইনে আঘাত হেনে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। ইরানি সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ সূত্রের বরাতে আইআরআইবি জানায়, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাংশে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক ট্যাংকার সামুদ্রিক মাইনের সংস্পর্শে আসার পর একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে।আরও পড়ুন,নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে বিচার ব্যবস্থায় লিঙ্গ-সংবেদনশীলতা জরুরিতবে বিস্ফোরণে কতটি ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলোর মালিকানা কী কিংবা কোনো হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না তাৎক্ষণিকভাবে এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই বিস্ফোরণের এই খবর সামনে এসেছে। এর আগে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে তেহরানের অনুমোদিত নিরাপদ রুট ছাড়া বিকল্প বা অননুমোদিত জলপথ ব্যবহার না করার জন্য প্রণালিটি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক ও জ্বালানিবাহী জাহাজগুলোকে সতর্ক করা হয়েছিল। হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই জলপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে তেল পরিবহন ও বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে। বিস্ফোরণের খবরের পর আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহ এবং বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোর অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য না আসা পর্যন্ত বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে নতুন করে শঙ্কা

পৃথিবীর গড় তাপমাত্রায় নতুন রেকর্ডের শঙ্কা

পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির ধারা যেন থামছেই না। প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের মধ্যে চলতি বছরের প্রথম আট মাসে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ দশমিক ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের আশঙ্কা, তাপমাত্রা বৃদ্ধির এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে চলতি বছর ইতিহাসের অন্যতম উষ্ণতম বছর হিসেবে রেকর্ড হতে পারে।শুধু চলতি বছর নয়, সামনে আরও বড় ধরনের উষ্ণতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, প্রশান্ত মহাসাগরে আসন্ন সুপার এল নিনোর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা এবং বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক ধরন বদলে যেতে পারে। এর ফলে কোথাও তীব্র তাপপ্রবাহ আবার কোথাও অতিবৃষ্টি ও চরম আবহাওয়ার পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে।কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের আগস্ট ইতিহাসের উষ্ণতম আগস্ট হিসেবে রেকর্ড হয়েছে। সাধারণত জুলাইকে বছরের সবচেয়ে উষ্ণ মাস হিসেবে ধরা হলেও এবার আগস্টের তাপমাত্রা জুলাইয়ের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে।আবহাওয়াবিদ টাইলার রয়স জানিয়েছেন, বায়ুমণ্ডল ও মহাসাগরজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধির ব্যাপক বিস্তার দেখা যাচ্ছে। এল নিনো দ্রুত শক্তিশালী হলে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়া ও বৃষ্টিপাতের ধরনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে। আড়ও পড়ুন,বিশ্ববাজারে আবারও কমেছে অপরিশোধিত তেলের দামএল নিনো মূলত একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু চক্র। সাধারণত দুই থেকে সাত বছর পরপর এর ঠান্ডা ও উষ্ণ দশার পরিবর্তন ঘটে। উষ্ণ দশায় বিষুবীয় প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। সমুদ্রে জমা হওয়া অতিরিক্ত তাপশক্তি ধীরে ধীরে বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।যুক্তরাষ্ট্রের মেট অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভবিষ্যতে প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। এতে বৈশ্বিক তাপমাত্রার ওপর আরও চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।এরই মধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং তীব্র তাপপ্রবাহের ঝুঁকি বাড়ছে। পরিবর্তন হচ্ছে বৃষ্টিপাতের ধরনও। ফলে বিভিন্ন অঞ্চলে খরা বন্যা এবং অন্যান্য চরম আবহাওয়ার ঘটনা আরও ঘন ঘন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।বিজ্ঞানীদের মতে, গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমানো এবং দ্রুত কার্যকর জলবায়ু পদক্ষেপ নেওয়া না হলে বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাব আরও গভীর হতে পারে। এতে পরিবেশের পাশাপাশি কৃষি জনস্বাস্থ্য অর্থনীতি ও মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বড় ধরনের চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পৃথিবীর গড় তাপমাত্রায় নতুন রেকর্ডের শঙ্কা