শিল্প-কারখানায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করেছে। জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইনে সরবরাহ বাড়ানোর পর ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক হয়েছে। অন্যান্য শিল্পাঞ্চলেও ধীরে ধীরে সরবরাহ বাড়ছে।ব্যবসায়ী নেতারা আশা করছেন আজ রাত থেকে আগামীকালের মধ্যে দেশের অধিকাংশ শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের চাপ আরও বাড়বে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক জানিয়েছেন জাতীয় সঞ্চালন পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দীর্ঘ সময় কম চাপ থাকার কারণে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হাজার হাজার গ্রাহকের কাছে স্বাভাবিক চাপে গ্যাস পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগবে বলেও জানান তিনি।পেট্রোবাংলা সূত্র জানিয়েছে আজ বিকেল ৪টায় জাতীয় গ্রিডে ২৬০ দশমিক ৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। আড়ও পড়ুন,জ্বালানি চাহিদা মেটাতে অক্টোবরের মধ্যে আরও ছয় কার্গো এলএনজি কিনছে সরকারআগের দিন একই সময়ে সরবরাহের পরিমাণ ছিল ২৩৪ দশমিক ৫৩ কোটি ঘনফুট। অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানিয়েছেন চট্টগ্রাম অঞ্চলে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক হয়েছে। তবে ঢাকা ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি পুরোপুরি জানতে আগামীকাল সকালে কারখানা মালিকদের কাছ থেকে তথ্য নেওয়া হবে।ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী চট্টগ্রাম জোনে গ্যাস সরবরাহে দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে। তবে ঢাকা ময়মনসিংহ গাজীপুর মানিকগঞ্জ সাভার আশুলিয়া নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীর মতো শিল্পাঞ্চলে এখনো কাঙ্ক্ষিত উন্নতি দেখা যায়নি।গাজীপুরের কারখানাগুলোতে গ্যাসের চাপ এখনো বাড়েনি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী মোশারফ হোসেন। তবে আগামীকালের মধ্যে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে বলে আশা করছেন তিনি।ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ আরও বাড়ানো গেলে রাত থেকে আগামীকালের মধ্যে দেশের অধিকাংশ শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসতে পারে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।