শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
শুক্রবার ঘোষণা হবে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার

শুক্রবার ঘোষণা হবে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার

বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে সংঘাত ও মানবিক সংকটের মধ্যেই আগামী শুক্রবার ঘোষণা করা হবে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার। নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান ইয়র্গেন ওয়াটনে ফ্রাইডনেস এ বছরের বিজয়ীর নাম ঘোষণা করবেন। এবার শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মোট ২৮৭টি মনোনয়ন জমা পড়েছে। এর মধ্যে ২০৮ জন ব্যক্তি এবং ৭৯টি সংগঠন রয়েছে। তবে নোবেল কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীতদের নাম প্রকাশ করে না। নিয়ম অনুযায়ী মনোনয়ন-সংক্রান্ত নথি ৫০ বছর পর্যন্ত গোপন রাখা হয়। ফলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের যেসব নাম সামনে এসেছে, সেগুলো মূলত মনোনয়নদাতা, বিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে। এবারের আলোচনায় রয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে মানবিক সহায়তা দেওয়া সংগঠন, আন্তর্জাতিক আদালত, সাংবাদিক অধিকার সংগঠন, ধর্মীয় নেতা এবং আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের মতো ব্যতিক্রমী নামও। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বিশ্লেষণে আলোচিত সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন পোপ লিও, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসি, আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা আইসিজে এবং জাতিসংঘের ফিলিস্তিনবিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক ফ্রান্সেসকা আলবানিজ। আরও পড়ুন,প্রতিবাদ আর করতালির মধ্য দিয়ে ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলার উদ্বোধনযুদ্ধ বন্ধ, সংলাপ এবং শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির পক্ষে অবস্থানের কারণে পোপ লিওর নাম আলোচনায় এসেছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক আইন ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকার জন্য আইসিসি ও আইসিজেকেও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছেন বিশ্লেষকরা। গাজা ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে সক্রিয় ভূমিকার কারণে ফ্রান্সেসকা আলবানিজের নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে তার প্রার্থিতা রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল হতে পারে বলেও মনে করছেন কেউ কেউ। এবারের আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামও রয়েছে। বিভিন্ন দেশের নেতা তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দেওয়ার কথা প্রকাশ্যে জানিয়েছেন। তবে নোবেল কমিটি এসব মনোনয়ন নিশ্চিত করেনি। বিশেষজ্ঞদের অনেকে অবশ্য ট্রাম্পের পুরস্কার পাওয়ার সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন। আলোচনায় রয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত সুদানের ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স রুমস’। ২০২৩ সালে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের গড়ে তোলা এই নেটওয়ার্ক খাদ্য, চিকিৎসা, নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া এবং জরুরি সহায়তা দিয়ে আসছে। ইউক্রেনের শিশু অধিকারকর্মী মাইকোলা কুলেবা ও তার সংগঠন ‘সেইভ ইউক্রেন’-এর নামও রয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায়। যুদ্ধের মধ্যে রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়া ইউক্রেনীয় শিশুদের উদ্ধারে এবং তাদের পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলনে সংগঠনটি কাজ করছে