শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
সৌদি আরবের জাতীয় দিবসের সংবর্ধনায় ডা. শফিকুর রহমান

সৌদি আরবের জাতীয় দিবসের সংবর্ধনায় ডা. শফিকুর রহমান

সৌদি আরবের ৯৬তম জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকায় সৌদি আরবের দূতাবাস আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর শেরাটন ঢাকার গ্র্যান্ড বলরুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে সৌদি আরবের জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশটির বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের প্রতি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি চিঠি বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহর হাতে তুলে দেন ডা. শফিকুর রহমান।চিঠিতে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে সৌদি বাদশাহ, রাজপরিবার, সরকার এবং সৌদি জনগণের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন ও উষ্ণ শুভেচ্ছা জানানো হয়।চিঠিতে বিশ্বের মুসলমানদের কাছে সৌদি আরবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববীর সেবা ও ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরবের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।এ ছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে সৌদি আরবে যাওয়া মুসলমানদের হজ ও ওমরাহ পালনে দেশটির সহযোগিতা ও সেবার বিষয়টিও চিঠিতে তুলে ধরা হয়।   আড়ও পড়ুন,জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সমালোচনা সাদিক কায়েমেরডা. শফিকুর রহমানের দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্ক শুধু প্রচলিত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দুই দেশের সম্পর্ক গভীর ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগের ওপর প্রতিষ্ঠিত।সৌদি আরবে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছেন বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।এ সময় বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ডা. শফিকুর রহমান বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ দলটির কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

হাজারো শিক্ষার্থীর উচ্ছ্বাসে সিলেটে জিপিএ-৫ সংবর্ধনা

জিপিএ-৫ পাওয়ার আনন্দে সিলেটে একদিনের বর্ণিল উৎসব। কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ঘিরে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে জড়ো হয়েছিল এক হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী। গান, নাচ, কুইজ আর নানা আয়োজনে দিনভর মুখর ছিল পুরো প্রাঙ্গণ। শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়েছে ভবিষ্যৎ গড়ার নানা পরামর্শ ও অনুপ্রেরণা।প্রচণ্ড গরম। তবু আনন্দে একটুও ভাটা নেই।সিলেটের কিশোরী মোহন উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ঋধি দে ও অর্চি সূত্রধর এসেছেন সংবর্ধনা নিতে। ছবি তোলার সময় পাশে বাবা। সাফল্যের আনন্দ ভাগ করে নিতে ব্যস্ত সবাই।শুক্রবার সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজন করা হয় জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।সকাল ৯টার আগেই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা জড়ো হতে শুরু করেন। সকাল ১০টায় জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান।দেশের ৬৪ জেলায় ‘স্বপ্ন দেখো, জীবন গড়ো’ স্লোগানে আয়োজন করা হচ্ছে এই সংবর্ধনা।আড়ও পড়ুন,আইএইএ মহাপরিচালকের সঙ্গে বিজ্ঞানমন্ত্রীর বৈঠকএরই ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠিত হলো সিলেট পর্ব।অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সামনে ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা দিকনির্দেশনা দেন শিক্ষক ও গুণীজনেরা।সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আলিমুল ইসলাম বলেন, জিপিএ-৫ পাওয়ার পর পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ না পেলেও হতাশ হওয়ার কিছু নেই। নিজের পছন্দের বিষয়ে পড়াশোনা করে কিংবা ভিন্ন ক্ষেত্র বেছে নিয়েও জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়া সম্ভব।শিক্ষার্থীদের মাদক, মিথ্যা ও মুখস্থনির্ভরতা থেকে দূরে থাকার শপথও পড়ানো হয়।তবে শুধু বক্তব্য আর পরামর্শ নয়—ছিল আনন্দের নানা আয়োজনও।কেউ কুইজে অংশ নিয়েছে, কেউ ঘুরেছে বিভিন্ন স্টলে। কেউ আবার ঘুরিয়েছে পুরস্কারের চাকা। বন্ধুদের সঙ্গে সেলফি আর ছবি তোলায় ব্যস্ত ছিল অনেকেই।দক্ষিণ সুরমার জাফরাবাদ উচ্চবিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া মহিউদ্দিন শারফ এসেছে বাবা-মায়ের সঙ্গে। বাবা-মা দুজনই শিক্ষক। মহিউদ্দিনের স্বপ্নও ভবিষ্যতে শিক্ষক হয়ে দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখা।অন্যদিকে সিলেট স্কলার্স হোম থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া তাসনিমুল হক ও ফারহান আহমেদ খান বন্ধুদের সঙ্গে অনুষ্ঠানে এসে পেয়েছে আনন্দের নতুন অভিজ্ঞতা। তাদের স্বপ্ন ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করা।

হাজারো শিক্ষার্থীর উচ্ছ্বাসে সিলেটে জিপিএ-৫ সংবর্ধনা