শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
হাসনাতের ‘গণভিক্ষা কর্মসূচি’ নিয়ে ছাত্রদল নেতা হামিমের সমালোচনা

হাসনাতের ‘গণভিক্ষা কর্মসূচি’ নিয়ে ছাত্রদল নেতা হামিমের সমালোচনা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর ঘোষিত ‘গণভিক্ষা কর্মসূচি’ নিয়ে সমালোচনা করেছেন ছাত্রদল নেতা শেখ তানভীর বারী হামিম। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি কর্মসূচিতে কাউকে অর্থ না দেওয়ার আহ্বান জানান।হামিম তার পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নেতাদের নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, এর আগে বন্যার অনুদানের অর্থ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে পোস্টে কোনো নথি বা স্বাধীন প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজনের জীবনযাপনে পরিবর্তন এসেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আগে যাদের সাধারণ স্যান্ডেল ও সিম্ফনি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা যেত, পরে তাদের দামি ব্র্যান্ডের জুতা ও আইফোন ব্যবহার করতে দেখা গেছে।আড়ও পড়ুন,জং ধরা হ্যান্ডকাফে রক্তাক্ত হাত, অভিযোগ পলকেরএ ছাড়া আগে ক্যাম্পাসে সাইকেলে চলাফেরা করতেন—এমন কয়েকজনকে ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন গাড়িতে চলতে দেখা গেছে বলেও দাবি করেন হামিম। একই ধরনের বক্তব্য নিয়ে সোমবার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।হামিমের পোস্টে আরও অভিযোগ করা হয়, গণভিক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ ব্যবহার করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অর্জিত কথিত ‘কালো টাকা’ বৈধ করার চেষ্টা হতে পারে। এ কারণে তিনি কর্মসূচিতে কাউকে অর্থ না দেওয়ার আহ্বান জানান।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সমালোচনা সাদিক কায়েমের

জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর সমালোচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম। তিনি এই মূল্যবৃদ্ধিকে গণমানুষের ওপর সরাসরি জুলুম বলে মন্তব্য করেছেন।সোমবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।সাদিক কায়েমের দাবি, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম সাম্প্রতিক সময়ে কমছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সোমবারই প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় দুই ডলার কমেছে।এমন পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞ ভোক্তা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে কার্যকর পরামর্শ বা গণশুনানি ছাড়াই দেশে জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।ডাকসু ভিপি বলেন, জ্বালানি তেলের দামের সঙ্গে দেশের অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয় সরাসরি সম্পর্কিত। ফলে তেলের দাম বাড়লে পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।নিজের বক্তব্যে তিনি সরকারের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন। আড়ও পড়ুন,ফার্মগেটে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলতাঁর দাবি, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির কারণে স্বল্প ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের মানুষের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। এর পাশাপাশি জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সাদিক কায়েম আরও বলেন, ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিএনপি সরকার মানুষের জন্য একের পর এক দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে তিনি মনে করেন। জ্বালানি বিদ্যুৎ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে সাধারণ মানুষ কষ্টে রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।তবে এগুলো সাদিক কায়েমের রাজনৈতিক বক্তব্য ও সরকারের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ। জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সরকার আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং সীমান্তপথে পাচারের ঝুঁকিসহ বিভিন্ন কারণের কথা জানিয়েছে।ফলে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সরকারের ব্যাখ্যা এবং এর সমালোচকদের বক্তব্য—দুই দিকই সামনে এসেছে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সমালোচনা সাদিক কায়েমের