বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
মোদি সরকারের সমালোচনা করে বিতর্কে সালমান রুশদি

মোদি সরকারের সমালোচনা করে বিতর্কে সালমান রুশদি

ভারতে অসহিষ্ণুতা বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখক সালমান রুশদি। ভারতের তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনকে আশার আলো হিসেবে উল্লেখ করে তিনি দেশটির বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করেছেন। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এশিয়ান আমেরিকান রাইটার্স ওয়ার্কশপের তহবিল সংগ্রহে আয়োজিত এক নৈশভোজে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন রুশদি। অনুষ্ঠানে ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সামাজিক সম্প্রীতি নিয়ে কথা বলেন তিনি। সালমান রুশদি বলেন, ভারতে বর্তমানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত। তবে দেশটির তরুণ-তরুণীরা দীর্ঘদিন পর মানুষের মধ্যে আশার আলো জাগিয়েছেন। এ সময় তিনি ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনকে উদ্‌যাপন এবং এর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন সাংবাদিক ও লেখক অমিতাভ কুমার। রুশদির এই বক্তব্যের পর ভারতের হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক মহল ও ডানপন্থী চিন্তকদের একাংশের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অতীতে ইসলামি কট্টরপন্থার সমালোচনার কারণে যাঁরা তাঁকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে প্রশংসা করেছিলেন, তাঁদের একাংশ এখন মোদি সরকারের সমালোচনায় তাঁর অবস্থানের বিরোধিতা করছেন। ভারতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অতীত স্মৃতিও তুলে ধরেন সালমান রুশদি। আরও পড়ুন,৭০ বছর পর চালু হলো বাংলাদেশ-আসাম নৌবাণিজ্যপথশৈশবে বোম্বেতে বেড়ে ওঠার সময় বিভিন্ন ধর্মের মানুষের একসঙ্গে উৎসব উদ্‌যাপনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তখন কে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিষ্টান কিংবা পার্সি তা বিবেচনা না করে সবাই একসঙ্গে আনন্দে অংশ নিতেন। কিন্তু বর্তমান ভারতে সেই চিত্র আর আগের মতো দেখা যায় না বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপূজায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্কও সামনে এসেছে। একটি সংবাদ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এবার পূজামণ্ডপে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণ তুলনামূলকভাবে কম দেখা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কট্টরপন্থীদের একাংশের প্রচারণাকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির মা চলচ্চিত্র পরিচালক মীরা নায়ারও ওই নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে তিনি নিজেকে ‘ককরোচদের মা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ভারতে ‘আরশোলারা’ গণতন্ত্রের জন্য লড়ছে। তাঁদের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সালমান রুশদির বক্তব্যের পক্ষে অনেকে সমর্থন জানালেও, তাঁর মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অসহিষ্ণুতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রশ্নে এই বক্তব্য নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

শহীদ ওসমান হাদীকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিয়ে রাশেদ খাঁনের সমালোচনা

জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ‘গাঁজাখোর’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। শহীদ ওসমান হাদীর রাজনৈতিক আদর্শ, ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচন এবং তাকে ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অবস্থান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে এমন মন্তব্য করেন তিনি। শনিবার, ১০ অক্টোবর দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, জীবদ্দশায় শহীদ ওসমান হাদীর সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বিরোধ থাকলেও তার মৃত্যুর পর তাকে নিজেদের আদর্শিক নেতা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা চলছে। এ ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। পোস্টে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, ঢাকা-৮ আসনে শহীদ ওসমান হাদীর বিপরীতে এনসিপি রিকশাচালক সুজনকে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল। অন্যদিকে, জামায়াতের আমিরের ব্যক্তিগত সহকারী ও বুয়েট শাখা ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সভাপতি জুবায়ের তাকে ওই আসনে নির্বাচন না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন বলে দাবি করেন রাশেদ খাঁন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে সাদিক কায়েমের নাম জানানো হয়েছিল। রাশেদ খাঁনের দাবি, তখন ওসমান হাদী প্রয়োজনে ৫০০ ভোট পেলেও ঢাকা-৮ আসন থেকেই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা বলেছিলেন। আরও পড়ুন,ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটন মারা গেছেনএ বিষয়ে ওসমান হাদীর ভাই ওমর হাদী ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এনসিপি ও জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থানের সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন, জীবদ্দশায় ওসমান হাদী এনসিপির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, জুলাইয়ের ঐক্য বিনষ্ট এবং জুলাইকে কুক্ষিগত করার অভিযোগ তুলেছিলেন। একই সঙ্গে জামায়াতের সমালোচনাও করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর একটি বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেন, শহীদ ওসমান হাদীকে রাজনৈতিক বিতর্কের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা চলছে। বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের এ ধরনের বিতর্কে না জড়ানোর আহ্বানও জানান তিনি। এ ছাড়া জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মাজারের পাশে ওসমান হাদীকে দাফন করা নিয়ে বিতর্কের প্রসঙ্গ তুলে রাশেদ খাঁন বলেন, হত্যাকাণ্ডের শিকার একজন ব্যক্তির দাফন নিয়ে বিতর্ক করা উচিত নয়। পোস্টের শেষাংশে তিনি জানান, ওসমান হাদীর বড় ভাইয়ের সঙ্গেও তার কথা হয়েছে এবং মৃত ব্যক্তিকে ঘিরে বিরোধীপক্ষকে বিতর্কের সুযোগ দেয় এমন বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন বলে তারা একমত হয়েছেন।

শহীদ ওসমান হাদীকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিয়ে রাশেদ খাঁনের সমালোচনা

৬০তম স্বাধীনতা দিবসে ২৩ হাতি শিকারের সিদ্ধান্তে সমালোচনা

স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে ২৩টি হাতি শিকারের অনুমতি দিয়েছে আফ্রিকার দেশ বোতসোয়ানা। দেশটির ৬০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নেওয়া এই সিদ্ধান্তে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। পরিবেশবাদী সংগঠনের পাশাপাশি দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়ান খামাও সিদ্ধান্তটির বিরোধিতা করেছেন। ২ অক্টোবরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশটির বিভিন্ন জেলার জন্য নির্ধারিত হাতি শিকারের কোটার অংশ হিসেবে এসব শিকারের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের দাবি, শিকার করা হাতির মাংস দুস্থ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিতরণ করা হবে। একই উদ্যোগের আওতায় কয়েক প্রজাতির হরিণসহ আরও কিছু বন্যপ্রাণী শিকারের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। আফ্রিকান সাভানা হাতি আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংঘের তালিকায় বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে রয়েছে। তবে বোতসোয়ানায় আনুমানিক ১ লাখ ৩০ হাজার হাতি রয়েছে, যা বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় বেশি। দেশটির সরকার দীর্ঘদিন ধরে নিয়ন্ত্রিত শিকারের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে। তাদের যুক্তি, হাতির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং মানুষ ও হাতির সংঘাত কমাতে নির্দিষ্ট কোটায় শিকার প্রয়োজন। ২০১৯ সালে বোতসোয়ানা হাতি শিকারের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। আরও পড়ুন,যন্তর মন্তরে নারী সাংবাদিকদের যৌন হয়রানির অভিযোগএরপর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিবছর ২০০ থেকে ৪০০টির বেশি হাতি শিকারের অনুমতি দিয়েছে দেশটি। স্থানীয় কৃষিজমি ও অবকাঠামোর ক্ষতি এবং মানুষ হতাহতের মতো ঘটনা নিয়ন্ত্রণেও শিকারের পক্ষে যুক্তি দেওয়া হয়। তবে বোতসোয়ানা এলিফ্যান্ট প্রটেকশন সোসাইটি এই সিদ্ধান্তকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে সমালোচনা করেছে। সংগঠনটির আশঙ্কা, একটি হাতিকে হত্যা করা হলে পুরো পাল প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে। এতে হাতির পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জন্যও ঝুঁকি বাড়তে পারে। এদিকে ২০০৮ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বোতসোয়ানার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করা ইয়ান খামাও সিদ্ধান্তটির বিরোধিতা করেছেন। তাঁর মতে, জাতীয় অনুষ্ঠান উপলক্ষে হাতি হত্যার এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতে একই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার একটি প্রত্যাশা তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে দেশটির বন্যপ্রাণী ও জাতীয় উদ্যান বিভাগের উপপরিচালক ডিমাকাতসো এনতশেবে সরকারের সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ থেকে পাওয়া সুবিধা অবশ্যই সেই সব জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানো উচিত, যারা বন্যপ্রাণীর সঙ্গে বসবাস করে এবং তাদের সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে।

৬০তম স্বাধীনতা দিবসে ২৩ হাতি শিকারের সিদ্ধান্তে সমালোচনা

হাসনাতের ‘গণভিক্ষা কর্মসূচি’ নিয়ে ছাত্রদল নেতা হামিমের সমালোচনা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর ঘোষিত ‘গণভিক্ষা কর্মসূচি’ নিয়ে সমালোচনা করেছেন ছাত্রদল নেতা শেখ তানভীর বারী হামিম। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি কর্মসূচিতে কাউকে অর্থ না দেওয়ার আহ্বান জানান।হামিম তার পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নেতাদের নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, এর আগে বন্যার অনুদানের অর্থ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে পোস্টে কোনো নথি বা স্বাধীন প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজনের জীবনযাপনে পরিবর্তন এসেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আগে যাদের সাধারণ স্যান্ডেল ও সিম্ফনি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা যেত, পরে তাদের দামি ব্র্যান্ডের জুতা ও আইফোন ব্যবহার করতে দেখা গেছে।আড়ও পড়ুন,জং ধরা হ্যান্ডকাফে রক্তাক্ত হাত, অভিযোগ পলকেরএ ছাড়া আগে ক্যাম্পাসে সাইকেলে চলাফেরা করতেন—এমন কয়েকজনকে ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন গাড়িতে চলতে দেখা গেছে বলেও দাবি করেন হামিম। একই ধরনের বক্তব্য নিয়ে সোমবার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।হামিমের পোস্টে আরও অভিযোগ করা হয়, গণভিক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ ব্যবহার করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অর্জিত কথিত ‘কালো টাকা’ বৈধ করার চেষ্টা হতে পারে। এ কারণে তিনি কর্মসূচিতে কাউকে অর্থ না দেওয়ার আহ্বান জানান।

হাসনাতের ‘গণভিক্ষা কর্মসূচি’ নিয়ে ছাত্রদল নেতা হামিমের সমালোচনা

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সমালোচনা সাদিক কায়েমের

জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর সমালোচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম। তিনি এই মূল্যবৃদ্ধিকে গণমানুষের ওপর সরাসরি জুলুম বলে মন্তব্য করেছেন।সোমবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।সাদিক কায়েমের দাবি, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম সাম্প্রতিক সময়ে কমছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সোমবারই প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় দুই ডলার কমেছে।এমন পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞ ভোক্তা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে কার্যকর পরামর্শ বা গণশুনানি ছাড়াই দেশে জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।ডাকসু ভিপি বলেন, জ্বালানি তেলের দামের সঙ্গে দেশের অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয় সরাসরি সম্পর্কিত। ফলে তেলের দাম বাড়লে পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।নিজের বক্তব্যে তিনি সরকারের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন। আড়ও পড়ুন,ফার্মগেটে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলতাঁর দাবি, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির কারণে স্বল্প ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের মানুষের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। এর পাশাপাশি জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সাদিক কায়েম আরও বলেন, ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিএনপি সরকার মানুষের জন্য একের পর এক দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে তিনি মনে করেন। জ্বালানি বিদ্যুৎ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে সাধারণ মানুষ কষ্টে রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।তবে এগুলো সাদিক কায়েমের রাজনৈতিক বক্তব্য ও সরকারের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ। জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সরকার আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং সীমান্তপথে পাচারের ঝুঁকিসহ বিভিন্ন কারণের কথা জানিয়েছে।ফলে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সরকারের ব্যাখ্যা এবং এর সমালোচকদের বক্তব্য—দুই দিকই সামনে এসেছে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সমালোচনা সাদিক কায়েমের