শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
বদলি বাণিজ্য বন্ধে লটারি, গণপূর্তে স্বচ্ছতা ফেরাতে কঠোর অবস্থানে সরকার

বদলি বাণিজ্য বন্ধে লটারি, গণপূর্তে স্বচ্ছতা ফেরাতে কঠোর অবস্থানে সরকার

গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীদের বদলি ও পদায়ন করা হচ্ছে লটারির মাধ্যমে। বদলি বাণিজ্য বন্ধ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং যোগ্য কর্মকর্তাকে উপযুক্ত স্থানে পদায়নের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির মাধ্যমে বদলি-পদায়ন কার্যক্রমে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, এবার লটারির আওতায় থাকছেন ১৫৫ জন নির্বাহী প্রকৌশলী। তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও সংসদ সচিবালয়ের মতো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান আপাতত এ কার্যক্রমের বাইরে রাখা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ক্ষেত্রেও এ পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। জাকারিয়া তাহের বলেন, এর আগে গত ৩০ জুলাই ৭৬৭ জন উপসহকারী প্রকৌশলী, আগস্টে ২৫৪ জন উপসহকারী প্রকৌশলী এবং ১৬ আগস্ট ২১৯ জন সহকারী প্রকৌশলী ও ১৯০ জন উপবিভাগীয় প্রকৌশলীকে লটারির মাধ্যমে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট এক হাজার ৪৩০ জন কর্মকর্তাকে এ পদ্ধতিতে বদলি-পদায়ন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। মন্ত্রী আরও বলেন, মানবিক কারণে কারও বিশেষ প্রয়োজন থাকলে আবেদন করার সুযোগ থাকবে।আরও পড়ুন,আইনজীবী হওয়ার বয়সসীমা নির্ধারণের উদ্যোগ, ৩৫ বছরের পর সুযোগ সীমিত হতে পারেকাউকে হয়রানি করা সরকারের উদ্দেশ্য নয়; বরং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে পুরো প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও মানবিক রাখাই লক্ষ্য। গণপূর্ত বিভাগের ভাবমূর্তি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে রূপপুর প্রকল্পকে ঘিরে যে বদনাম তৈরি হয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে এসে অধিদপ্তরকে স্বচ্ছ, গতিশীল ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চায় সরকার। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সমঝোতা করা হবে না এবং শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করা হবে। এদিকে ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে একটি ল্যান্ড ব্যাংক তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারের কোথায় কত জমি রয়েছে, কোন জমি দখলে আছে এবং কোনগুলো দখলের বাইরে—এসব তথ্য ডিজিটাল ব্যবস্থায় সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সরকারি জমি অবৈধ দখলমুক্ত করতেও কাজ চলছে। আবাসন বরাদ্দে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগের কথাও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এ সপ্তাহের মধ্যেই প্রকল্পটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের পর রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ—রাজউক নিয়েও কাজ করা হবে। সরকারের লক্ষ্য, বদলি-পদায়ন থেকে শুরু করে ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আবাসন বরাদ্দ—সব ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

কাতার থেকে আরও দুই কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে কাতার থেকে আরও দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। দীর্ঘমেয়াদি সরকারি পর্যায়ের চুক্তির আওতায় কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি থেকে এই অতিরিক্ত এলএনজি কেনা হবে।বুধবার চলতি বছরের সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৪৬তম সভায় প্রস্তাবটি অনুমোদন করা হয়। সভায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে কমিটি তা অনুমোদন দেয়।অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী অতিরিক্ত এলএনজির কার্গো দুটি আগামী ৬ নভেম্বর ও ২২ নভেম্বর বাংলাদেশে সরবরাহ করা হবে। দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে জ্বালানির চাহিদা পূরণে এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এই অতিরিক্ত কার্গো কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।আড়ও পড়ুন,ভারতীয় রুপির বিপরীতে দুই বছরে ১১.৬ শতাংশ শক্তিশালী টাকাসভায় জানানো হয় প্রতিটি এলএনজি কার্গোর মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রতি এমএমবিটিইউতে জেকেএম মূল্যের চেয়ে শূন্য দশমিক শূন্য দুই মার্কিন ডলার কম হার প্রযোজ্য হবে। এই মূল্য বিদ্যমান দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে নির্ধারিত মূল্যের থেকে ভিন্ন।দুটি অতিরিক্ত এলএনজি কার্গোর সরবরাহকারী হিসেবে কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসিকে সুপারিশ করা হয়েছে। সরকারি পর্যায়ের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় সরাসরি সরবরাহ নিশ্চিত করার অংশ হিসেবেই প্রতিষ্ঠানটিকে সরবরাহকারী হিসেবে রাখা হয়েছে।দেশে গ্যাসের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমদানিনির্ভর এলএনজির ওপরও নির্ভরতা বাড়ছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন শিল্প ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক খাতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এলএনজি আমদানি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।সরকারের চলমান জ্বালানি ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে অতিরিক্ত এই দুই কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে কার্গো দুটি দেশে পৌঁছালে জাতীয় গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় তা যুক্ত হবে বলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ জানিয়েছে।

কাতার থেকে আরও দুই কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

ডিজেলে প্রতিদিন ১০৯ কোটি টাকা লোকসান সরকারের

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ডিজেল বিক্রিতে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ সরকার। সরকারি হিসাবে আগের দরে প্রতি লিটার ডিজেলে প্রায় ৮৯ টাকা লোকসান হচ্ছিল। এতে শুধু ডিজেল খাতেই প্রতিদিন প্রায় ১০৯ কোটি টাকা লোকসান গুনছিল বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বা বিপিসি।মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।সরকারের হিসাবে, এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে শুধু ডিজেলেই বছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা লোকসান হতে পারত। এর আগে চলতি বছরের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখায় বিপিসির প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। এই লোকসান কমানো এবং বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি তেল পাচারের ঝুঁকি কমাতে সরকার দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।আড়ও পড়ুন,দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দামনতুন দরে ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১১৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে। অকটেনের দাম ১৪৫ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৬৫ টাকা। পেট্রোল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩৫ থেকে বেড়ে ১৫৫ টাকা হয়েছে। নতুন দাম ২১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে।সরকার বলছে, প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানির দাম দীর্ঘদিন কম থাকায় সীমান্তপথে পাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। কলকাতায় ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি প্রায় ১৩৪ টাকা ৭৬ পয়সা এবং পাকিস্তানে প্রায় ১৮৫ টাকা ৪৮ পয়সা বলে সরকারি তুলনায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পরও ডিজেল বিক্রিতে সরকারের ভর্তুকি বা ঘাটতি পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না। কর্মকর্তাদের হিসাবে নতুন দামেও প্রতি লিটারে প্রায় ৭০ টাকা পর্যন্ত পার্থক্য রয়েছে। 

ডিজেলে প্রতিদিন ১০৯ কোটি টাকা লোকসান সরকারের

নিরাপদ অভিবাসনে জালিয়াতি বন্ধে কঠোর হচ্ছে সরকার

অভিবাসন প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খল করা, জাল নথি ও প্রতারণা বন্ধ এবং অবৈধ সিন্ডিকেটের হাত থেকে বাংলাদেশিদের সুরক্ষায় সমন্বিত পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বিদেশে কর্মসংস্থানের প্রত্যাশী বাংলাদেশিরা প্রায়ই অসাধু মধ্যস্বত্বভোগী ও অবৈধ সিন্ডিকেটের প্রতারণার শিকার হন। এসব চক্র জাল নথি ব্যবহার করে একদিকে নাগরিকদের ক্ষতিগ্রস্ত করছে, অন্যদিকে দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ণ করছে।অভিবাসন সেবা আরও সুসংহত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৃথক অভিবাসন শাখা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।অভিবাসন-সংক্রান্ত আবেদনে জাল নথি ও মিথ্যা তথ্য ব্যবহারের বিষয়টি মোকাবিলায় অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।শামা ওবায়েদ বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো আরও বেশি বাংলাদেশি যাতে দক্ষ কর্মী হিসেবে বৈধভাবে বিদেশে যেতে পারেন এবং পুরো প্রক্রিয়াটি যেন সহজ ও নিরাপদ হয়।এ জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি যৌথ কমিটি গঠন করা হয়েছে।আড়ও পড়ুন,কৃষক শক্তিশালী হলে দেশ শক্তিশালী হবে কৃষিমন্ত্রী এতে পাসপোর্ট অধিদফতর, অভিবাসন কর্তৃপক্ষ, পুলিশ এবং স্বরাষ্ট্র, প্রবাসীকল্যাণ, বাণিজ্য, আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা থাকছেন।সরকারের ‘এক নাগরিক, এক কার্ড’ উদ্যোগের আওতায় পর্যায়ক্রমে নাগরিকদের প্রয়োজনীয় তথ্য একটি কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারে আনার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।তিনি বলেন, এই ব্যবস্থা চালু হলে নাগরিকদের তথ্য যাচাই আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে জাল নথি তৈরি ও ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতারণার সুযোগও কমে আসবে।তবে এই ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু না হওয়া পর্যন্ত নাগরিকদের সঠিক ও যাচাই করা নথিপত্র নিয়ে বিদেশ যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।সরকারের নেওয়া সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে অভিবাসন-সংক্রান্ত জালিয়াতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে এবং নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল বিদেশযাত্রার সুযোগ আরও বাড়বে বলে আশাবাদ জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

নিরাপদ অভিবাসনে জালিয়াতি বন্ধে কঠোর হচ্ছে সরকার

জ্বালানি চাহিদা মেটাতে অক্টোবরের মধ্যে আরও ছয় কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার

দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে আরও ছয় কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।রোববার অনুষ্ঠিত চলতি বছরের সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৪৪তম সভায় এলএনজি কেনার বিষয়ে তিনটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী আন্তর্জাতিক কোটেশন পদ্ধতিতে দুটি কার্গো এলএনজি কেনা হবে। এর মধ্যে একটি কার্গো আগামী ৯ থেকে ১০ অক্টোবর এবং অন্যটি ২৭ থেকে ২৮ অক্টোবর দেশে সরবরাহের কথা রয়েছে।প্রথম কার্গোটির জন্য প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ দশমিক ৯৫ মার্কিন ডলার। যুক্তরাজ্যের টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড এই দর প্রস্তাব করেছে।অন্য কার্গোটির জন্য প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম পড়বে ২৯ দশমিক ৭৯৫ মার্কিন ডলার।আড়ও পড়ুন,বিদেশে ভাষা শিখতে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ, দিচ্ছে সরকারএই দর প্রস্তাব করেছে সিঙ্গাপুরের ভিটল এশিয়া পিটিই লিমিটেড।এছাড়া সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ডারাব ইনকরপোরেটেড থেকে আরও দুটি কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব এলএনজির প্রতি এমএমবিটিইউ দাম পড়বে ১৭ মার্কিন ডলার।একই পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্রের মাইন্ড মিংগল এলএলসি থেকে আরও দুটি কার্গো এলএনজি কেনা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ মার্কিন ডলার।অর্থাৎ আন্তর্জাতিক কোটেশনে কেনা দুই কার্গোর তুলনায় সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কেনা চার কার্গোর এলএনজির দাম তুলনামূলকভাবে কম পড়ছে।সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৪৪তম সভায় জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের এলএনজি ক্রয়সংক্রান্ত এই তিনটি প্রস্তাব অনুমোদনের মধ্য দিয়ে মোট ছয় কার্গো এলএনজি কেনার প্রক্রিয়া এগিয়ে গেল।

জ্বালানি চাহিদা মেটাতে অক্টোবরের মধ্যে আরও ছয় কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার