রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1

নিরাপদ অভিবাসনে জালিয়াতি বন্ধে কঠোর হচ্ছে সরকার

অভিবাসন প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খল করা, জাল নথি ও প্রতারণা বন্ধ এবং অবৈধ সিন্ডিকেটের হাত থেকে বাংলাদেশিদের সুরক্ষায় সমন্বিত পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বিদেশে কর্মসংস্থানের প্রত্যাশী বাংলাদেশিরা প্রায়ই অসাধু মধ্যস্বত্বভোগী ও অবৈধ সিন্ডিকেটের প্রতারণার শিকার হন। এসব চক্র জাল নথি ব্যবহার করে একদিকে নাগরিকদের ক্ষতিগ্রস্ত করছে, অন্যদিকে দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ণ করছে।অভিবাসন সেবা আরও সুসংহত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৃথক অভিবাসন শাখা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।অভিবাসন-সংক্রান্ত আবেদনে জাল নথি ও মিথ্যা তথ্য ব্যবহারের বিষয়টি মোকাবিলায় অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।শামা ওবায়েদ বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো আরও বেশি বাংলাদেশি যাতে দক্ষ কর্মী হিসেবে বৈধভাবে বিদেশে যেতে পারেন এবং পুরো প্রক্রিয়াটি যেন সহজ ও নিরাপদ হয়।এ জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি যৌথ কমিটি গঠন করা হয়েছে।আড়ও পড়ুন,কৃষক শক্তিশালী হলে দেশ শক্তিশালী হবে কৃষিমন্ত্রী এতে পাসপোর্ট অধিদফতর, অভিবাসন কর্তৃপক্ষ, পুলিশ এবং স্বরাষ্ট্র, প্রবাসীকল্যাণ, বাণিজ্য, আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা থাকছেন।সরকারের ‘এক নাগরিক, এক কার্ড’ উদ্যোগের আওতায় পর্যায়ক্রমে নাগরিকদের প্রয়োজনীয় তথ্য একটি কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারে আনার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।তিনি বলেন, এই ব্যবস্থা চালু হলে নাগরিকদের তথ্য যাচাই আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে জাল নথি তৈরি ও ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতারণার সুযোগও কমে আসবে।তবে এই ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু না হওয়া পর্যন্ত নাগরিকদের সঠিক ও যাচাই করা নথিপত্র নিয়ে বিদেশ যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।সরকারের নেওয়া সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে অভিবাসন-সংক্রান্ত জালিয়াতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে এবং নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল বিদেশযাত্রার সুযোগ আরও বাড়বে বলে আশাবাদ জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

নিরাপদ অভিবাসনে জালিয়াতি বন্ধে কঠোর হচ্ছে সরকার

জ্বালানি চাহিদা মেটাতে অক্টোবরের মধ্যে আরও ছয় কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার

দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে আরও ছয় কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।রোববার অনুষ্ঠিত চলতি বছরের সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৪৪তম সভায় এলএনজি কেনার বিষয়ে তিনটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী আন্তর্জাতিক কোটেশন পদ্ধতিতে দুটি কার্গো এলএনজি কেনা হবে। এর মধ্যে একটি কার্গো আগামী ৯ থেকে ১০ অক্টোবর এবং অন্যটি ২৭ থেকে ২৮ অক্টোবর দেশে সরবরাহের কথা রয়েছে।প্রথম কার্গোটির জন্য প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ দশমিক ৯৫ মার্কিন ডলার। যুক্তরাজ্যের টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড এই দর প্রস্তাব করেছে।অন্য কার্গোটির জন্য প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম পড়বে ২৯ দশমিক ৭৯৫ মার্কিন ডলার।আড়ও পড়ুন,বিদেশে ভাষা শিখতে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ, দিচ্ছে সরকারএই দর প্রস্তাব করেছে সিঙ্গাপুরের ভিটল এশিয়া পিটিই লিমিটেড।এছাড়া সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ডারাব ইনকরপোরেটেড থেকে আরও দুটি কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব এলএনজির প্রতি এমএমবিটিইউ দাম পড়বে ১৭ মার্কিন ডলার।একই পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্রের মাইন্ড মিংগল এলএলসি থেকে আরও দুটি কার্গো এলএনজি কেনা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ মার্কিন ডলার।অর্থাৎ আন্তর্জাতিক কোটেশনে কেনা দুই কার্গোর তুলনায় সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কেনা চার কার্গোর এলএনজির দাম তুলনামূলকভাবে কম পড়ছে।সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৪৪তম সভায় জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের এলএনজি ক্রয়সংক্রান্ত এই তিনটি প্রস্তাব অনুমোদনের মধ্য দিয়ে মোট ছয় কার্গো এলএনজি কেনার প্রক্রিয়া এগিয়ে গেল।

জ্বালানি চাহিদা মেটাতে অক্টোবরের মধ্যে আরও ছয় কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার