তবে এর জন্য ওয়াশিংটনকে প্রথমে কূটনৈতিক পথে সংকট সমাধানের আনুষ্ঠানিক ইঙ্গিত দিতে হবে বলে জানিয়েছে তেহরান। ইরানের ওই কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী এরপর আলোচনার প্রক্রিয়া কীভাবে এগোবে তার একটি সময়সূচি নিয়েও দুই পক্ষকে একমত হতে হবে।ইরানের এই বার্তা এসেছে এমন সময়ে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। রোববার ইরানের সামরিক কেন্দ্রীয় কমান্ড সতর্ক করে বলেছে আঞ্চলিক দেশগুলোর সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র আবার সামরিক অভিযান শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তাদের জানানো হয়েছে। এর জবাবে তেহরান কোনো সীমাবদ্ধতা ছাড়াই পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এদিকে ইরানের প্রতিনিধি দল বর্তমানে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে রয়েছে। ইরানি ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরায় শুরু করার পূর্ণ ক্ষমতা প্রতিনিধি দলকে দেওয়া হয়েছে।ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও মঙ্গলবার নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
আড়ও পড়ুন,ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র
তবে ইরানি কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী জাতিসংঘ সদর দপ্তরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের পরিকল্পনা নেই। তবে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধের চুক্তির বিস্তারিত বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। ইরানের দাবি অনুযায়ী ১৬ সেপ্টেম্বর মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তেহরানের একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।ইরানি ওই কর্মকর্তা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদকে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিতে ফেরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী ওয়াশিংটন বাস্তব পদক্ষেপ নিলে তেহরানও কূটনৈতিক আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করতে প্রস্তুত।এরই মধ্যে ইরানের হরমুজ পুনরায় খোলার সম্ভাবনার খবরে আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। মঙ্গলবার তেলের দাম কমে দুই সপ্তাহের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে।
মতামত