শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

রাজশাহী ও বরিশালে লংমার্চের প্রস্তাব


ক্রাইম এক্সপ্রেস
ক্রাইম এক্সপ্রেস

রাজশাহী ও বরিশালে লংমার্চের প্রস্তাব
লংমার্চের প্রস্তাব

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের চলমান লংমার্চ কর্মসূচি আরও দুই বিভাগে সম্প্রসারণের প্রস্তাব এসেছে। রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগে লংমার্চ করার প্রস্তাব দিয়েছেন স্থানীয় নেতারা। এ নিয়ে জোটের লিয়াজোঁ কমিটি এবং শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।জোটসংশ্লিষ্ট নেতারা জানিয়েছেন পূর্বঘোষিত কর্মসূচির পাশাপাশি রাজশাহী ও বরিশালকে লংমার্চের আওতায় আনার বিষয়টি লিয়াজোঁ কমিটির পরবর্তী বৈঠকে আলোচনা করা হবে। আগামী সপ্তাহে এই বৈঠক হতে পারে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। তবে বৈঠকের দিনক্ষণ এখনো নির্ধারিত হয়নি।

এদিকে সিলেট অভিমুখে লংমার্চ সড়কপথের পরিবর্তে ট্রেনে করার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল সেটিও নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট নেতারা বলছেন সিলেট বিভাগের সড়কের বেহাল পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ট্রেনে কর্মসূচি করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। রেলস্টেশনের কাছাকাছি এলাকায় পথসভা করার প্রস্তাবও রয়েছে।

তবে ট্রেনে একই সময়ে সাধারণ যাত্রী পরিবহন চলমান থাকবে। ফলে লংমার্চের কারণে কোনো ধরনের জটিলতা তৈরি হবে কি না তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৩১ অক্টোবর খুলনা বিভাগ এবং ২১ নভেম্বর সিলেট অভিমুখে লংমার্চ হওয়ার কথা রয়েছে। খুলনা বিভাগের লংমার্চের সমাপনী কুষ্টিয়ায় করার সিদ্ধান্ত রয়েছে। আর সিলেটের কর্মসূচি ট্রেনযোগে করার বিষয়ে এর আগে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

আড়ও পড়ুন,পরাজিত শক্তিকে আশকারা না দিতে বিরোধীদের প্রতি রিজভীর আহ্বান

গত ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লংমার্চের মধ্য দিয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। নেতারা বলছেন এসব কর্মসূচিতে দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও অংশগ্রহণ ছিল।

চট্টগ্রামের কর্মসূচিতে ছয় দফা দাবির পাশাপাশি পরে দুর্নীতি দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি যুক্ত হয়। রংপুরের কর্মসূচিতে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিও যুক্ত করা হয়। নেতারা জানিয়েছেন ভবিষ্যতের কর্মসূচিতেও সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু যুক্ত হতে পারে।

এদিকে ময়মনসিংহে আলাদা লংমার্চ করার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। জোটের নেতাদের মতে ঢাকার সঙ্গে ময়মনসিংহের দূরত্ব তুলনামূলক কম এবং অন্যান্য লংমার্চের রুটের সঙ্গে এ বিভাগের কিছু এলাকা যুক্ত হচ্ছে।বিভাগভিত্তিক লংমার্চ শেষে ঢাকায় মহাসমাবেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে ১১ দলীয় ঐক্যের। তবে সেই কর্মসূচি পিছিয়ে ডিসেম্বর মাসে হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। মহাসমাবেশ থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।

বিষয় : লংমার্চ প্রস্তাব

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

ক্রাইম এক্সপ্রেস

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬


রাজশাহী ও বরিশালে লংমার্চের প্রস্তাব

প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের চলমান লংমার্চ কর্মসূচি আরও দুই বিভাগে সম্প্রসারণের প্রস্তাব এসেছে। রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগে লংমার্চ করার প্রস্তাব দিয়েছেন স্থানীয় নেতারা। এ নিয়ে জোটের লিয়াজোঁ কমিটি এবং শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।জোটসংশ্লিষ্ট নেতারা জানিয়েছেন পূর্বঘোষিত কর্মসূচির পাশাপাশি রাজশাহী ও বরিশালকে লংমার্চের আওতায় আনার বিষয়টি লিয়াজোঁ কমিটির পরবর্তী বৈঠকে আলোচনা করা হবে। আগামী সপ্তাহে এই বৈঠক হতে পারে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। তবে বৈঠকের দিনক্ষণ এখনো নির্ধারিত হয়নি।

এদিকে সিলেট অভিমুখে লংমার্চ সড়কপথের পরিবর্তে ট্রেনে করার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল সেটিও নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট নেতারা বলছেন সিলেট বিভাগের সড়কের বেহাল পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ট্রেনে কর্মসূচি করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। রেলস্টেশনের কাছাকাছি এলাকায় পথসভা করার প্রস্তাবও রয়েছে।

তবে ট্রেনে একই সময়ে সাধারণ যাত্রী পরিবহন চলমান থাকবে। ফলে লংমার্চের কারণে কোনো ধরনের জটিলতা তৈরি হবে কি না তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৩১ অক্টোবর খুলনা বিভাগ এবং ২১ নভেম্বর সিলেট অভিমুখে লংমার্চ হওয়ার কথা রয়েছে। খুলনা বিভাগের লংমার্চের সমাপনী কুষ্টিয়ায় করার সিদ্ধান্ত রয়েছে। আর সিলেটের কর্মসূচি ট্রেনযোগে করার বিষয়ে এর আগে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

আড়ও পড়ুন,পরাজিত শক্তিকে আশকারা না দিতে বিরোধীদের প্রতি রিজভীর আহ্বান

গত ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লংমার্চের মধ্য দিয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। নেতারা বলছেন এসব কর্মসূচিতে দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও অংশগ্রহণ ছিল।

চট্টগ্রামের কর্মসূচিতে ছয় দফা দাবির পাশাপাশি পরে দুর্নীতি দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি যুক্ত হয়। রংপুরের কর্মসূচিতে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিও যুক্ত করা হয়। নেতারা জানিয়েছেন ভবিষ্যতের কর্মসূচিতেও সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু যুক্ত হতে পারে।

এদিকে ময়মনসিংহে আলাদা লংমার্চ করার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। জোটের নেতাদের মতে ঢাকার সঙ্গে ময়মনসিংহের দূরত্ব তুলনামূলক কম এবং অন্যান্য লংমার্চের রুটের সঙ্গে এ বিভাগের কিছু এলাকা যুক্ত হচ্ছে।বিভাগভিত্তিক লংমার্চ শেষে ঢাকায় মহাসমাবেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে ১১ দলীয় ঐক্যের। তবে সেই কর্মসূচি পিছিয়ে ডিসেম্বর মাসে হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। মহাসমাবেশ থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।


ক্রাইম এক্সপ্রেস

সম্পাদক : রিপন রুদ্র
নির্বাহী সম্পাদক:জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
রাজশাহী ও বরিশালে লংমার্চের প্রস্তাব
0:00 0:00
1.0x