শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

চার বছরের মধ্যে পথশিশু ও ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য


ক্রাইম এক্সপ্রেস
ক্রাইম এক্সপ্রেস

চার বছরের মধ্যে পথশিশু ও ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য
ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য

আগামী চার বছরের মধ্যে ধীরে ধীরে বাংলাদেশকে পথশিশু ও ভিক্ষুকমুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। বুধবার সকালে শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘শিশুর স্বপ্নে ৫০ বছর: অর্জনে অভিজ্ঞতা ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, শিশুদের যত্ন, সুরক্ষা ও বিকাশ নিশ্চিত করতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগ কাজ করছে। পথশিশুদের জন্যও মন্ত্রণালয়ের একটি পৃথক বিভাগ রয়েছে। পথশিশুদের পুনর্বাসন ও উন্নয়নে এই বিভাগকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, পথশিশুদের শুধু পড়াশোনার সুযোগ দিলেই হবে না। তাদের মানসিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের বিষয়েও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদেরও মূলধারার শিশুদের মতো শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও বিকাশের সুযোগ দিতে হবে। জাহিদ হোসেন বলেন, শিশু একাডেমির মাধ্যমে সুবিধাপ্রাপ্ত শিশুদের পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদেরও একই ছাতার নিচে নিয়ে আসতে চায় সরকার। শিশুদের সার্বিক বিকাশে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি যৌথভাবে কাজ করবে। 

আরও পড়ুন,মরিয়ম আক্তারের মৃত্যু মামলা: এমপি গাজী নজরুলের জামিন নামঞ্জুর

তিনি বলেন, এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে হবে যেখানে কোনো শিশু নিজেকে পিছিয়ে পড়া মনে করবে না। রাস্তায় থাকা শিশু হোক কিংবা পরিবারের সঙ্গে থাকা শিশু—সবার শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও বিকাশের ক্ষেত্রে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, সমাজে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী নামে যে ধারণাটি এখন ব্যবহৃত হচ্ছে, ভবিষ্যতে যেন এই শব্দটি আর ব্যবহার করতে না হয়। পাহাড় ও সমতলের মানুষসহ ধর্ম, বর্ণ ও জাতি নির্বিশেষে সবার জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য নিরাপদ ও সুরক্ষিত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। শিশু নির্যাতন ও সহিংসতার মতো ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শুধু আইন প্রণয়ন করলেই হবে না, এ বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে হবে এবং সবাইকে সম্পৃক্ত করতে হবে। জাহিদ হোসেন বলেন, শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা শুধু শিশু একাডেমি বা মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একার দায়িত্ব নয়। এটি দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত দায়িত্ব। সেমিনারে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সেলিমা রহমান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এস এম আমানুল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সালমা আক্তার ও শিশু একাডেমির মহাপরিচালক আরজু আরা বেগমসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

ক্রাইম এক্সপ্রেস

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


চার বছরের মধ্যে পথশিশু ও ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য

প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

আগামী চার বছরের মধ্যে ধীরে ধীরে বাংলাদেশকে পথশিশু ও ভিক্ষুকমুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। বুধবার সকালে শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘শিশুর স্বপ্নে ৫০ বছর: অর্জনে অভিজ্ঞতা ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, শিশুদের যত্ন, সুরক্ষা ও বিকাশ নিশ্চিত করতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগ কাজ করছে। পথশিশুদের জন্যও মন্ত্রণালয়ের একটি পৃথক বিভাগ রয়েছে। পথশিশুদের পুনর্বাসন ও উন্নয়নে এই বিভাগকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, পথশিশুদের শুধু পড়াশোনার সুযোগ দিলেই হবে না। তাদের মানসিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের বিষয়েও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদেরও মূলধারার শিশুদের মতো শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও বিকাশের সুযোগ দিতে হবে। জাহিদ হোসেন বলেন, শিশু একাডেমির মাধ্যমে সুবিধাপ্রাপ্ত শিশুদের পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদেরও একই ছাতার নিচে নিয়ে আসতে চায় সরকার। শিশুদের সার্বিক বিকাশে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি যৌথভাবে কাজ করবে। 

আরও পড়ুন,মরিয়ম আক্তারের মৃত্যু মামলা: এমপি গাজী নজরুলের জামিন নামঞ্জুর

তিনি বলেন, এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে হবে যেখানে কোনো শিশু নিজেকে পিছিয়ে পড়া মনে করবে না। রাস্তায় থাকা শিশু হোক কিংবা পরিবারের সঙ্গে থাকা শিশু—সবার শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও বিকাশের ক্ষেত্রে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, সমাজে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী নামে যে ধারণাটি এখন ব্যবহৃত হচ্ছে, ভবিষ্যতে যেন এই শব্দটি আর ব্যবহার করতে না হয়। পাহাড় ও সমতলের মানুষসহ ধর্ম, বর্ণ ও জাতি নির্বিশেষে সবার জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য নিরাপদ ও সুরক্ষিত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। শিশু নির্যাতন ও সহিংসতার মতো ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শুধু আইন প্রণয়ন করলেই হবে না, এ বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে হবে এবং সবাইকে সম্পৃক্ত করতে হবে। জাহিদ হোসেন বলেন, শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা শুধু শিশু একাডেমি বা মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একার দায়িত্ব নয়। এটি দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত দায়িত্ব। সেমিনারে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সেলিমা রহমান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এস এম আমানুল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সালমা আক্তার ও শিশু একাডেমির মহাপরিচালক আরজু আরা বেগমসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।


ক্রাইম এক্সপ্রেস

সম্পাদক : রিপন রুদ্র
নির্বাহী সম্পাদক:জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
চার বছরের মধ্যে পথশিশু ও ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য
0:00 0:00
1.0x