শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে বাড়ছে প্রাণহানি

কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে বাড়ছে প্রাণহানি

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটোয়ারটেক সৈকক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটোয়ারটেক সৈকতে কাঠের তৈরি একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন আরও ছয়জন। তাঁদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। বাকি চারজনের পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন টুপটুপ রিসোর্টে এ আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। স্থানীয় বাসিন্দারাও পুলিশের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধারকাজে অংশ নেন। বেলা সোয়া দুইটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কক্সবাজারের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মোরশেদ হোসেন ১০ জনের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আরও মরদেহ থাকতে পারে। এ কারণে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিহতদের মধ্যে ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান মালিহা, মিলিতা মেহেজাবিন আলভী, খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা ও নাফিসতা মীম, চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির এবং পাঁচ বছর বয়সী ফায়িজান আহম্মেদের পরিচয় পাওয়া গেছে। বাকি চারজনের মরদেহ আগুনে পুড়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন উখিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আকতার। অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ছয়জন হলেন মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন, তাঁর স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান এবং মান্নান, মেহেরুন্নেসা, মাসুদ ও সামিদা। তাঁরা সবাই কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানিয়েছেন, রিসোর্টের রান্নাঘরের চুল্লি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আগুনের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং ধ্বংসস্তূপে আর কেউ আটকে আছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে উদ্ধার অভিযান চলছে।কতে কাঠের তৈরি একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন আরও ছয়জন। তাঁদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। বাকি চারজনের পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন টুপটুপ রিসোর্টে এ আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আরও পড়ুন,গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় আগুন, ছড়িয়ে পড়ছে ধোঁয়াস্থানীয় বাসিন্দারাও পুলিশের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধারকাজে অংশ নেন। বেলা সোয়া দুইটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কক্সবাজারের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মোরশেদ হোসেন ১০ জনের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আরও মরদেহ থাকতে পারে। এ কারণে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিহতদের মধ্যে ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান মালিহা, মিলিতা মেহেজাবিন আলভী, খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা ও নাফিসতা মীম, চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির এবং পাঁচ বছর বয়সী ফায়িজান আহম্মেদের পরিচয় পাওয়া গেছে। বাকি চারজনের মরদেহ আগুনে পুড়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন উখিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আকতার। অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ছয়জন হলেন মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন, তাঁর স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান এবং মান্নান, মেহেরুন্নেসা, মাসুদ ও সামিদা। তাঁরা সবাই কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানিয়েছেন, রিসোর্টের রান্নাঘরের চুল্লি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আগুনের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং ধ্বংসস্তূপে আর কেউ আটকে আছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে উদ্ধার অভিযান চলছে।

হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানি: সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জামায়াতের

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনো গাফিলতি বা ত্রুটি ছিল কি না, তা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই সঙ্গে নিহতদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ এবং আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।মঙ্গলবার সকালে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ শোক জানান এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করেন।বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।এ সময় সিঁড়ি দিয়ে হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে অন্তত দুইজনের মৃত্যু এবং আরও ২০ জন গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করেন তিনি।আরও  পড়ুন, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে রিজভী-ইয়াও ওয়েন বৈঠকনিহতদের জন্য দোয়া এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান জামায়াতের এই নেতা। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন তিনি।হাসপাতালের মতো স্পর্শকাতর স্থানে অগ্নিকাণ্ডের পেছনে কোনো গাফিলতি বা ত্রুটি ছিল কি না, তা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানান মিয়া গোলাম পরওয়ার।ভবিষ্যতে এমন মর্মান্তিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে দেশের সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতালের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি।নিহত ও আহতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।একই সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।

হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানি: সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জামায়াতের