অপ্রতিমের মৃত্যুতে শোক, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি তারকাদের
বয়স মাত্র ১৩ বছর। সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী অপ্রতিম ভালোবাসত প্রকৃতির ছবি তুলতে। গত শুক্রবার বিকেলেও মায়ের আইফোন হাতে ছবি তুলতে বাসা থেকে বের হয়েছিল সে। কিন্তু আর ফেরেনি। নিখোঁজের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয় তার মরদেহ।অপ্রতিমের এমন মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে পরিবারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক জানিয়েছেন শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন তারা।প্রকৃতির ছবি তোলার নেশা ছিল অপ্রতিমের। সপ্তম শ্রেণির এই শিক্ষার্থী শুক্রবার বিকেলে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয়।এরপর আর কোনো খোঁজ মেলেনি তার।দীর্ঘ প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছের লালমাই পাহাড়ের একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয় অপ্রতিমের মরদেহ।কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের সন্তান অপ্রতিমের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবার।অপ্রতিমের ছবি → পরিবার → কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা → লালমাই পাহাড়ের দৃশ্য।ঘটনাটি নাড়া দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও। শোবিজ অঙ্গনের একাধিক তারকা অপ্রতিমের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।অভিনেতা সিয়াম আহমেদ অপ্রতিমের ছবি দেখে নিজের সন্তানের কথা মনে পড়ার কথা জানিয়ে পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে তদন্তের মাধ্যমে সত্য সামনে আনার আহ্বান জানান তিনি।আড়ও পড়ুন,আমি ভুল করছি, দুঃখিত’—ম্যাকলমোর বিতর্কে এড শিরানঅভিনেত্রী পূজা চেরীও অপ্রতিমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তার প্রত্যাশা—সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হবে।অভিনেতা তৌসিফ মাহবুবও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ নিজের ক্ষোভের কথা জানিয়ে দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।তবে অপ্রতিমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী—কীভাবে তার মৃত্যু হলো, সে বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।একটি শিশুর এভাবে চলে যাওয়া পরিবারকে যেমন গভীর শোকে ডুবিয়েছে, তেমনি প্রশ্ন তুলেছে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়েও।এখন পরিবারের অপেক্ষা—তদন্তে ঘটনার প্রকৃত সত্য সামনে আসবে এবং যদি কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকে, দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হবে।অপ্রতিমের পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি কোনোভাবেই পূরণ হওয়ার নয়। তবে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে—এটাই এখন পরিবারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা