শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
আমদানি কমেছে ২৫ শতাংশ, এলপিজির বাজারে তীব্র সংকট

আমদানি কমেছে ২৫ শতাংশ, এলপিজির বাজারে তীব্র সংকট

এক মাসের ব্যবধানে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) আমদানি প্রায় ২৫ শতাংশ কমে যাওয়ায় দেশের বাজারে সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। ঘাটতির সুযোগে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে সিলিন্ডারপ্রতি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে খুচরা বাজারে বহুল ব্যবহৃত ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার টাকা ছাড়িয়ে গেছে।বিইআরসি ও এলপিজি আমদানিকারক সূত্রে জানা গেছে, গত আগস্টে দেশে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টন এলপিজি আমদানি হয়েছিল। চলতি সেপ্টেম্বরে তা কমে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টনে নেমেছে। অর্থাৎ এক মাসে আমদানি কমেছে প্রায় ৪০ হাজার টন বা প্রায় ২৫ শতাংশ।এদিকে চলতি মাসের ২ সেপ্টেম্বর ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ ভোক্তাদের। বিভিন্ন খুচরা বাজারে একই সিলিন্ডার ২ হাজার থেকে ২ হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে।আমদানিকারকদের ভাষ্য, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থার প্রভাবে লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালিসহ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে পরিবহন জটিলতা তৈরি হয়েছে। এতে জাহাজ সংকটের পাশাপাশি পরিবহন ব্যয়ও বেড়েছে। বাংলাদেশের এলপিজির প্রধান আমদানি উৎস মধ্যপ্রাচ্য হওয়ায় এর প্রভাব সরাসরি দেশের বাজারে পড়ছে।মেঘনা ফ্রেশ এলপিজি লিমিটেডের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (সিএমও) আবু সাঈদ রেজা বলেন, বর্তমানে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো প্রয়োজনীয় কার্গো পাওয়া। আগে একটি নৌপথে সমস্যা হলে বিকল্প পথে পণ্য আনার সুযোগ থাকত। এখন সেই সুযোগও সীমিত হয়ে গেছে।তিনি জানান, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি থাকা সত্ত্বেও অনেক বৈশ্বিক সরবরাহকারী প্রায় ২০ শতাংশ সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। অতিরিক্ত প্রিমিয়াম দিয়েও খোলাবাজার থেকে প্রয়োজনীয় কার্গো সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।আড়ও পড়ুন,স্বর্ণের দাম কমল, ভরিতে ছাড় ২১৫৮ টাকাএলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সদস্যদের দাবি, বিশ্ববাজারে কার্গো প্রিমিয়াম ও পরিবহন ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। তাদের হিসাবে, টনপ্রতি কার্গো প্রিমিয়াম বিইআরসির মূল্য নির্ধারণে বিবেচিত ১৬০ ডলার থেকে বেড়ে ২৬০ থেকে ৪০০ ডলারে পৌঁছেছে। ফলে বিইআরসির নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি করলে বাড়তি ব্যয় সমন্বয় করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে কিছু প্রতিষ্ঠান আমদানি সীমিত রেখেছে বলে তারা দাবি করেন।ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তানজীম চৌধুরী বলেন, সেপ্টেম্বরে তাদের প্রতিষ্ঠান প্রায় ৩০ হাজার টন এলপিজি আমদানি করেছে। বৈশ্বিক সংকটে উৎপাদকদের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।দেশে বছরে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ লাখ টন এলপিজির চাহিদা রয়েছে। এর প্রায় ৮০ শতাংশ গৃহস্থালির রান্নায় ব্যবহৃত হয়। মোট চাহিদার প্রায় ৯৯ শতাংশ বেসরকারি খাতের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়।বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, কিছু প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত জাহাজ যথাসময়ে দেশে না পৌঁছানোয় সেপ্টেম্বর মাসে বাজারে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। সংকট নিরসনে দ্রুত আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে।তবে বৈশ্বিক নৌপথের জটিলতা অব্যাহত থাকলে এবং প্রয়োজনীয় কার্গো নিশ্চিত করা না গেলে অক্টোবরেও এলপিজি সংকট বজায় থাকার ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

জিটুজি ব্যবস্থায় ইউরিয়া সার আমদানির দুই প্রস্তাব অনুমোদন

২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকার-টু-সরকার বা জিটুজি ব্যবস্থায় ইউরিয়া সার আমদানির দুটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকার। বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপিত প্রস্তাব দুটি বিবেচনার পর অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।প্রথম প্রস্তাবের আওতায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফার্টিগ্লোব ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের সঙ্গে বিদ্যমান জিটুজি চুক্তি সংশোধনের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। চুক্তি সংশোধনের ফলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার এফওবি এবং সিএফআর উভয় শর্তে কেনার সুযোগ তৈরি হবে।আড়ও পড়ুন,কাতার থেকে আরও দুই কার্গো এলএনজি কিনবে সরকারসরকারের প্রস্তাব অনুযায়ী এ সংশোধনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত দুটি সরবরাহ ও মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থার যেকোনো একটির আওতায় বাংলাদেশ ইউরিয়া সার আমদানি করতে পারবে। এতে প্রয়োজন অনুযায়ী সার কেনার ক্ষেত্রে সরকারের বিকল্প ব্যবস্থা থাকবে।অন্যদিকে দ্বিতীয় প্রস্তাবের আওতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জিটুজি ব্যবস্থায় প্রিল্ড ইউরিয়া সার আমদানির জন্য ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন প্রডিনটর্গের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।কৃষি উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে আগামী অর্থবছরে কৃষকদের জন্য প্রয়োজনীয় ইউরিয়া সারের সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

জিটুজি ব্যবস্থায় ইউরিয়া সার আমদানির দুই প্রস্তাব অনুমোদন

অনাপত্তি সনদ বাতিলের পর ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ

মৎস্য অধিদফতরের ১০৩টি অনাপত্তি সনদ বা এনওসি বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ায় ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। মৎস্য অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনকের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর ১০৩টি ইলিশ আমদানির অনাপত্তি সনদ বাতিল করা হয়। এরপর থেকেই ভারত থেকে ইলিশ আমদানির প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। আমদানি-রফতানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান বাংলাদেশ মৎস্য অধিদফতরের একটি চিঠি তাদের কাছে এসেছে। ওই চিঠিতে একাধিক অনাপত্তি সনদ বাতিলের কথা জানানো হয়েছে। এর ফলে ইলিশ আমদানি বন্ধ রয়েছে এবং এ সিদ্ধান্তে আমদানিকারকরা আর্থিকভাবে বিপাকে পড়েছেন।আড়ও পড়ুন,ভোস্ট্রো হিসাবের মাধ্যমে টাকা আমদানি রপ্তানি নিষ্পত্তির সুযোগ ইলিশ আমদানিকারক সৈয়্যদ মহিদুল হক রুবাই বলেন হঠাৎ করে আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। আমদানির উদ্দেশ্যে ভারতের অংশে ইতোমধ্যে যেসব ইলিশ কেনা হয়েছিল সেগুলো এখন কম দামে ফেরত দিতে হতে পারে। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা এতে শুধু কেনাবেচার ক্ষেত্রেই নয় আমদানি প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য খরচেও লোকসান গুনতে হবে। কারণ সীমান্তের ওপারে ইলিশ কেনার পাশাপাশি পরিবহন ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচও ইতোমধ্যে হয়ে গেছে। ফলে মৎস্য অধিদফতরের ১০৩টি অনাপত্তি সনদ বাতিলের সিদ্ধান্তের পর ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ আনার পুরো প্রক্রিয়াই আপাতত বন্ধ রয়েছে। এতে আমদানিকারকদের পাশাপাশি ইলিশের আন্তঃদেশীয় বাণিজ্যও নতুন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে।

অনাপত্তি সনদ বাতিলের পর ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ

ভোস্ট্রো হিসাবের মাধ্যমে টাকা আমদানি রপ্তানি নিষ্পত্তির সুযোগ

বাংলাদেশ ব্যাংক নন-রেসিডেন্ট টাকা বা ভোস্ট্রো হিসাব ব্যবহার করে টাকায় দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক লেনদেন নিষ্পত্তির নতুন কাঠামো চালু করেছে। বুধবার নন-রেসিডেন্ট টাকা বা ভোস্ট্রো হিসাব পরিচালনার বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন ব্যবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত ডিলার বা এডি ব্যাংকের মাধ্যমে বাণিজ্য অংশীদার দেশগুলোর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নামে পরিচালিত ভোস্ট্রো হিসাব ব্যবহার করা যাবে। বিদ্যমান ব্যবস্থায় এডি ব্যাংকগুলো অবাধে বিনিময়যোগ্য বৈদেশিক মুদ্রায় পাওয়া রেমিট্যান্সের বিপরীতে বিদেশি ব্যাংকের নামে টাকা ভোস্ট্রো হিসাব খুলতে পারত। তবে নতুন কাঠামোয় প্রাথমিকভাবে বৈদেশিক মুদ্রা জমা না নিয়েও বাংলাদেশে আমদানির বিপরীতে প্রাপ্য অর্থের ভিত্তিতে বিদেশি ব্যাংকের নামে টাকা ভোস্ট্রো হিসাব খোলা ও পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই হিসাবে জমা হওয়া টাকা বাংলাদেশের রপ্তানি মূল্য পরিশোধসহ অন্যান্য অনুমোদিত কাজে ব্যবহার করা যাবে। ঋণপত্র বা এলসি চুক্তি এবং ইনভয়েস আগের মতো অবাধে বিনিময়যোগ্য অথবা অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রায় সম্পাদিত হবে। পরে প্রচলিত বিনিময় হার অনুযায়ী সেই বৈদেশিক মুদ্রার মূল্য টাকায় রূপান্তর করে ভোস্ট্রো হিসাবের মাধ্যমে লেনদেন নিষ্পত্তি করা হবে। আমদানি লেনদেনের ক্ষেত্রে আমদানিকারকের কাছ থেকে পাওয়া টাকা ভোস্ট্রো হিসাবে জমা হবে। আর রপ্তানি লেনদেনের ক্ষেত্রে ওই হিসাব থেকে রপ্তানিকারকের অনুকূলে অর্থ পরিশোধ করা যাবে।আড়ও পড়ুন,দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম নতুন ব্যবস্থায় বৈদেশিক মুদ্রা বিধিমালা অনুসরণ করে আমদানি ও রপ্তানির বিপরীতে অগ্রিম অর্থ পরিশোধের সুযোগও রাখা হয়েছে। টাকায় রপ্তানি আয় গ্রহণকারী রপ্তানিকারকেরা নির্দিষ্ট সুবিধার আওতায় বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণ করতে পারবেন। এসব বৈদেশিক মুদ্রা রপ্তানি পণ্যের কাঁচামাল আমদানি এবং ইডিএফ ঋণ পরিশোধসহ অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রার দায় পরিশোধে ব্যবহার করা যাবে। এ ছাড়া ভোস্ট্রো হিসাবে জমা থাকা অতিরিক্ত অর্থ বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের বিনিয়োগেও ব্যবহার করা যাবে। এর মধ্যে রয়েছে বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ বা এফডিআই এবং বৈদেশিক পোর্টফোলিও বিনিয়োগ। পাশাপাশি বিকল্প বিনিয়োগ তহবিল এবং ওপেন অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের সুযোগও রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন সাপেক্ষে এসব অর্থ বাংলাদেশে থাকা প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যাবে। একই সঙ্গে নির্ধারিত নিয়ম মেনে হিসাবের অর্থ বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন এই কাঠামোতে বিদ্যমান নথি ব্যবস্থাপনা রিপোর্টিং এবং পরিপালন ব্যবস্থা বহাল থাকবে। এর পাশাপাশি টাকায় দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক লেনদেন নিষ্পত্তির জন্য একটি অতিরিক্ত মাধ্যম তৈরি হলো। শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে উপযুক্ত বাণিজ্য অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে আন্তর্জাতিক লেনদেনে টাকার ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি বৈদেশিক বাণিজ্য নিষ্পত্তির পদ্ধতিতে বৈচিত্র্য আনতে নতুন এই ব্যবস্থা ভূমিকা রাখতে পারে।

ভোস্ট্রো হিসাবের মাধ্যমে টাকা আমদানি রপ্তানি নিষ্পত্তির সুযোগ

বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে ভারতীয় আমদানি বাড়ানোর আহ্বান

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ভারসাম্য উন্নত করতে ভারতকে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি পণ্য আমদানির আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠকে এ আহ্বান জানান তিনি।বাংলাদেশ ও ভারতের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে বৈঠক।মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ে গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও আর্থিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ভারসাম্য উন্নত করতে ভারতকে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি পণ্য আমদানির আহ্বান জানান গভর্নর।বাণিজ্যের পাশাপাশি অর্থ লেনদেনকে আরও সহজ ও আধুনিক করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।বাংলা কিউআর-এর ব্যবহার আরও বাড়ানো এবং দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত পেরিয়ে ডিজিটাল অর্থ পরিশোধের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন গভর্নর।এ ক্ষেত্রে ভারতের অভিজ্ঞতা এবং সম্ভাব্য কারিগরি সহযোগিতার বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।বৈঠকে বিদেশি বিনিয়োগের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।আড়ও পড়ুন,এলডিসি উত্তরণ হতে হবে মসৃণ ও টেকসই অর্থ উপদেষ্টা তিতুমীরভারতের হাইকমিশনার বিদেশি বিনিয়োগের প্রক্রিয়া আরও সহজ করার ওপর গুরুত্ব দেন।জবাবে গভর্নর জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে বিনিয়োগবান্ধব বিভিন্ন নীতিগত উদ্যোগ নিয়েছে।এর ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা তাঁদের বিনিয়োগ করা অর্থ এবং মুনাফা সহজে নিজ দেশে ফেরত নিতে পারবেন বলে জানান তিনি।একই সঙ্গে বাংলাদেশের প্রযুক্তিনির্ভর, উৎপাদনমুখী ও শিল্প খাতে আরও বেশি ভারতীয় বিনিয়োগের আহ্বান জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর।বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং ডিজিটাল অর্থ লেনদেনের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে ভারতীয় আমদানি বাড়ানোর আহ্বান