শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
৬১ ব্যাংকের মধ্যে ২২টি লোকসানে নিট লোকসান ৮ হাজার ৪১৭ কোটি

৬১ ব্যাংকের মধ্যে ২২টি লোকসানে নিট লোকসান ৮ হাজার ৪১৭ কোটি

মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত দেশের ৬১টি ব্যাংকের মধ্যে ২২টি ব্যাংক পুঞ্জীভূত লোকসানে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া প্রতিবেদনে দেখা গেছে এসব ব্যাংকের মোট পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা। একই সময়ে পুরো ব্যাংক খাতে পরিচালন মুনাফা থাকলেও প্রভিশনসহ বিভিন্ন ব্যয় সমন্বয়ের পর নিট লোকসান হয়েছে ৮ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা।রোববার অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া প্রতিবেদনে ব্যাংক খাতের এই চিত্র তুলে ধরা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে মার্চ পর্যন্ত ব্যাংক খাতে পরিচালন মুনাফা ছিল ৭৮৯ কোটি টাকা। তবে উচ্চ শ্রেণিকৃত ঋণ, খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রয়োজনীয় প্রভিশন সংরক্ষণ, মূলধন ঘাটতি এবং দুর্বল সম্পদমানের কারণে সেই মুনাফা শেষ পর্যন্ত নিট লোকসানে পরিণত হয়েছে। লোকসানে থাকা ২২টি ব্যাংকের মধ্যে চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক জনতা, অগ্রণী, রূপালী ও বেসিক ব্যাংক। বিশেষায়িত ব্যাংকের মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক এবং বিদেশি ব্যাংক হিসেবে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান লোকসানে রয়েছে। এ ছাড়া বেসরকারি খাতের ১৫টি ব্যাংক পুঞ্জীভূত লোকসানে রয়েছে। আরও পড়ুন,চলতি অর্থবছরে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৫ শতাংশের বেশিএসব ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে এবি, বাংলাদেশ কমার্স, এক্সিম, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, আইসিবি ইসলামিক, আইএফআইসি, ইসলামী, মেঘনা, ন্যাশনাল, গ্লোবাল ইসলামী, পদ্মা, সীমান্ত, সোশ্যাল ইসলামী, দি প্রিমিয়ার ও ইউনিয়ন ব্যাংক। ব্যাংক খাতে অনিয়মের বড় প্রভাব পড়েছে খেলাপি ঋণেও। গত ৩০ জুন পর্যন্ত ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৩৩ শতাংশ। পাশাপাশি গত মার্চ পর্যন্ত ১৫টি ব্যাংক ন্যূনতম মূলধন সংরক্ষণ করতে পারেনি। তারল্য সংকটও প্রকট হয়ে উঠেছে। ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১২টি ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা তারল্য সহায়তা নিয়েছে। এর মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ১৫ হাজার ৮১০ কোটি, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ১৭ হাজার কোটি এবং এক্সিম ব্যাংক ১২ হাজার ১০ কোটি টাকা সহায়তা পেয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একসঙ্গে এতগুলো ব্যাংক লোকসানে থাকা ব্যাংক খাতের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়। খেলাপি ঋণের উচ্চ হার ও আর্থিক দুর্বলতার কারণে মানুষের আস্থার সংকট আরও বাড়তে পারে। সংসদীয় কমিটির বৈঠকে ব্যাংকের সংখ্যা কমানোসহ খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ ও ব্যাংক খাত সংস্কারের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

২৫ কোটির বাজেট, আয় ৩১০ কোটি

মালয়ালম সিনেমার বক্স অফিসে নতুন ইতিহাস! নিভিন পাউলি ও মামিথা বাইজু অভিনীত ‘বেথলেহেম ফ্যামিলি ইউনিট’ মুক্তির মাত্র ২৬তম দিনেই বিশ্বব্যাপী আয় করেছে ৩১০ কোটি রুপির বেশি। এর মধ্য দিয়ে ‘লোকাহ চ্যাপটার ১: চন্দ্র’-কে পেছনে ফেলে মালয়ালম ভাষার সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমার রেকর্ড গড়েছে ছবিটি।বক্স অফিসে যেন থামছেই না ‘বেথলেহেম ফ্যামিলি ইউনিট’-এর দাপট।স্যাকনিল্কের হিসাব অনুযায়ী, ১৫ সেপ্টেম্বর ভারতে ছবিটির নেট আয় হয়েছে ১ কোটি ৪০ লাখ রুপি। ফলে ভারতে মোট নেট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৪৯ কোটি ৯০ লাখ রুপি।এর সঙ্গে বিদেশের বাজার থেকে এসেছে আরও ১৩৫ কোটি ৫০ লাখ রুপি। সব মিলিয়ে বিশ্বব্যাপী ছবিটির আয় ৩১০ কোটি ৫৫ লাখ রুপি।চতুর্থ সপ্তাহেও দর্শকের আগ্রহে খুব একটা ভাটা পড়েনি। ১১ সেপ্টেম্বর আয় ছিল ২ কোটি ৫০ লাখ রুপি। শনিবার তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩ কোটি ৮৫ লাখে। রোববার আয় হয় ৪ কোটি ৬০ লাখ রুপি। সোমবারও আসে ২ কোটি ১০ লাখ। এরপর মঙ্গলবার আয় কিছুটা কমে দাঁড়ায় ১ কোটি ৪০ লাখ রুপিতে।আড়ও পড়ুন,দুই দিনে চার প্রদর্শনী নিয়ে ফিরছে প্রদর্শনীছবিটির সবচেয়ে বড় বাজার মালয়ালম সংস্করণ। এখন পর্যন্ত এই সংস্করণ থেকেই এসেছে ১৪৩ কোটি ২৫ লাখ রুপি।এর আগে ২৪তম দিনেই ‘বেথলেহেম ফ্যামিলি ইউনিট’ পেছনে ফেলেছিল ‘লোকাহ চ্যাপটার ১: চন্দ্র’-কে। তখন ছবিটির আয় ছিল ৩০৪ কোটি ৯৫ লাখ রুপি। ‘লোকাহ’-এর লাইফটাইম আয় ছিল ৩০১ কোটি ৪১ লাখ রুপি।মালয়ালম সিনেমার সর্বোচ্চ আয়কারী ছবির তালিকায় এখন দ্বিতীয় অবস্থানে ‘লোকাহ চ্যাপটার ১: চন্দ্র’। প্রায় ২৬২ কোটি রুপি আয় নিয়ে তৃতীয় ‘এল ২: এমপুরান’। এরপর রয়েছে ‘ভাঝা ২: বায়োপিক অব আ বিলিয়ন ব্রোস’ এবং ‘থুদারুম’।সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য—মাত্র ২৫ কোটি রুপি বাজেটে নির্মিত হয়েছে বলে জানা গেছে ‘বেথলেহেম ফ্যামিলি ইউনিট’। ফলে ছবিটির বর্তমান আয় নির্মাণ ব্যয়ের তুলনায় বহুগুণ বেশি।এটি নিভিন পাউলির ক্যারিয়ারেরও সবচেয়ে বড় বক্স অফিস সাফল্য।পরিবারের দর্শকদের বড় ভূমিকা, বয়সের ব্যবধানের প্রেমের গল্প, হাস্যরস ও আবেগ—সব মিলিয়েই দর্শকের মন জয় করেছে ‘বেথলেহেম ফ্যামিলি ইউনিট’। আর মাত্র ২৬ দিনেই ৩১০ কোটি ছাড়িয়ে ছবিটি লিখে ফেলেছে মালয়ালম সিনেমার বক্স অফিস ইতিহাসের নতুন অধ্যায়।

২৫ কোটির বাজেট, আয় ৩১০ কোটি