মালয়ালম সিনেমার বক্স অফিসে নতুন ইতিহাস! নিভিন পাউলি ও মামিথা বাইজু অভিনীত ‘বেথলেহেম ফ্যামিলি ইউনিট’ মুক্তির মাত্র ২৬তম দিনেই বিশ্বব্যাপী আয় করেছে ৩১০ কোটি রুপির বেশি। এর মধ্য দিয়ে ‘লোকাহ চ্যাপটার ১: চন্দ্র’-কে পেছনে ফেলে মালয়ালম ভাষার সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমার রেকর্ড গড়েছে ছবিটি।বক্স অফিসে যেন থামছেই না ‘বেথলেহেম ফ্যামিলি ইউনিট’-এর দাপট।স্যাকনিল্কের হিসাব অনুযায়ী, ১৫ সেপ্টেম্বর ভারতে ছবিটির নেট আয় হয়েছে ১ কোটি ৪০ লাখ রুপি। ফলে ভারতে মোট নেট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৪৯ কোটি ৯০ লাখ রুপি।এর সঙ্গে বিদেশের বাজার থেকে এসেছে আরও ১৩৫ কোটি ৫০ লাখ রুপি। সব মিলিয়ে বিশ্বব্যাপী ছবিটির আয় ৩১০ কোটি ৫৫ লাখ রুপি।চতুর্থ সপ্তাহেও দর্শকের আগ্রহে খুব একটা ভাটা পড়েনি। ১১ সেপ্টেম্বর আয় ছিল ২ কোটি ৫০ লাখ রুপি। শনিবার তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩ কোটি ৮৫ লাখে। রোববার আয় হয় ৪ কোটি ৬০ লাখ রুপি। সোমবারও আসে ২ কোটি ১০ লাখ। এরপর মঙ্গলবার আয় কিছুটা কমে দাঁড়ায় ১ কোটি ৪০ লাখ রুপিতে।
আড়ও পড়ুন,দুই দিনে চার প্রদর্শনী নিয়ে ফিরছে প্রদর্শনী
ছবিটির সবচেয়ে বড় বাজার মালয়ালম সংস্করণ। এখন পর্যন্ত এই সংস্করণ থেকেই এসেছে ১৪৩ কোটি ২৫ লাখ রুপি।এর আগে ২৪তম দিনেই ‘বেথলেহেম ফ্যামিলি ইউনিট’ পেছনে ফেলেছিল ‘লোকাহ চ্যাপটার ১: চন্দ্র’-কে। তখন ছবিটির আয় ছিল ৩০৪ কোটি ৯৫ লাখ রুপি। ‘লোকাহ’-এর লাইফটাইম আয় ছিল ৩০১ কোটি ৪১ লাখ রুপি।মালয়ালম সিনেমার সর্বোচ্চ আয়কারী ছবির তালিকায় এখন দ্বিতীয় অবস্থানে ‘লোকাহ চ্যাপটার ১: চন্দ্র’। প্রায় ২৬২ কোটি রুপি আয় নিয়ে তৃতীয় ‘এল ২: এমপুরান’। এরপর রয়েছে ‘ভাঝা ২: বায়োপিক অব আ বিলিয়ন ব্রোস’ এবং ‘থুদারুম’।সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য—মাত্র ২৫ কোটি রুপি বাজেটে নির্মিত হয়েছে বলে জানা গেছে ‘বেথলেহেম ফ্যামিলি ইউনিট’। ফলে ছবিটির বর্তমান আয় নির্মাণ ব্যয়ের তুলনায় বহুগুণ বেশি।এটি নিভিন পাউলির ক্যারিয়ারেরও সবচেয়ে বড় বক্স অফিস সাফল্য।পরিবারের দর্শকদের বড় ভূমিকা, বয়সের ব্যবধানের প্রেমের গল্প, হাস্যরস ও আবেগ—সব মিলিয়েই দর্শকের মন জয় করেছে ‘বেথলেহেম ফ্যামিলি ইউনিট’। আর মাত্র ২৬ দিনেই ৩১০ কোটি ছাড়িয়ে ছবিটি লিখে ফেলেছে মালয়ালম সিনেমার বক্স অফিস ইতিহাসের নতুন অধ্যায়।
মতামত