শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
চলচ্চিত্র ‘ডিগার’-এ নতুন রূপে টম ক্রুজ

চলচ্চিত্র ‘ডিগার’-এ নতুন রূপে টম ক্রুজ

দেশের জনপ্রিয় দেশীয় ব্র্যান্ড স্টেপ ফুটওয়্যার তাদের সর্বশেষ ডিজাইনের পণ্য নিয়ে নির্মাণ করেছে নতুন একটি টেলিভিশন কমার্শিয়াল (টিভিসি)। আধুনিকতা, ফ্যাশন ও স্বাচ্ছন্দ্যের সমন্বয়ে তৈরি নতুন পণ্যসম্ভারের বৈশিষ্ট্য ও নান্দনিকতা তুলে ধরা হয়েছে এই প্রচারণায়। একই সঙ্গে পরিবর্তিত রুচি ও চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্টেপ ফুটওয়্যারের আধুনিক ব্র্যান্ড-ভাবনা ও পণ্য দর্শনও তুলে ধরা হয়েছে।গত ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর স্টুডিও নাইন এন’ হাফ-এ দুই দিনব্যাপী আয়োজনের মধ্য দিয়ে টিভিসিটির চিত্রায়ণ সম্পন্ন হয়। এতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল নুসরাত ফারিয়া। তার সাবলীল অভিনয়, ব্যক্তিত্ব ও ফ্যাশন-সচেতন উপস্থিতি টিভিসিটির মূল ভাবনাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। তার সঙ্গে অংশ নিয়েছেন এ প্রজন্মের কয়েকজন জনপ্রিয় মডেল ও তারকা শিল্পী।টিভিসিতে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে নুসরাত ফারিয়া বলেন, স্টেপ ফুটওয়্যারের মতো জনপ্রিয় দেশীয় ব্র্যান্ডের নতুন টিভিসিতে কাজ করতে পেরে তিনি আনন্দিত। আধুনিক ডিজাইন, মান ও স্বাচ্ছন্দ্যকে গুরুত্ব দিয়ে স্টেপ নিয়মিত নতুন পণ্য নিয়ে আসে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এবারের টিভিসিটিও দর্শকদের কাছে ভালো লাগবে এবং নতুন পণ্যগুলো আকর্ষণ তৈরি করবে বলে আশা প্রকাশ করেন নুসরাত ফারিয়া।আড়ও পড়ুন,দীর্ঘদিনের কাজের স্বীকৃতি, গ্রিনলিফ অ্যাওয়ার্ড পেলেন শাওনস্টেপ ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম কবির বলেন, গ্রাহকদের রুচি, প্রয়োজন ও সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিক ডিজাইন ও মানসম্মত পণ্য দেওয়ার চেষ্টা করছে প্রতিষ্ঠানটি। নতুন প্রজন্মের ফ্যাশন-সচেতন গ্রাহকদের কথা বিবেচনায় রেখে সর্বশেষ পণ্যগুলোতে আধুনিক ডিজাইন, নান্দনিকতা, স্বাচ্ছন্দ্য ও ব্যবহারিকতার সমন্বয় করা হয়েছে। এসব বৈশিষ্ট্য গ্রাহকদের সামনে আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরতেই নতুন টিভিসি নির্মাণ করা হয়েছে।স্টেপ ফুটওয়্যারের এই নতুন টিভিসি শিগগিরই বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রচারিত হবে। টিভিসিটির নির্মাণ ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিল বিজ্ঞাপনী সংস্থা অ্যাড সাইন। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৯ সাল থেকে দেশের বিজ্ঞাপন অঙ্গনে কাজ করে আসছে।

লজিস্টিক জটিলতায় স্থগিত সৌদির রেড সি চলচ্চিত্র উৎসব

লজিস্টিক জটিলতার কারণে ২০২৬ সালের রেড সি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব স্থগিত করেছে সৌদি আরব। আগামী ৩ থেকে ১২ ডিসেম্বর জেদ্দায় উৎসবটির ষষ্ঠ আসর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই আয়োজন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে ২০২৭ সালের চতুর্থ প্রান্তিক পর্যন্ত।সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানিয়েছে রেড সি ফিল্ম ফাউন্ডেশন। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী আন্তর্জাতিক পরিসরের এত বড় একটি চলচ্চিত্র উৎসব সফলভাবে আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় লজিস্টিক ব্যবস্থা এবং সময় নির্ধারণের বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আয়োজকরা জানিয়েছে তারা এমন একটি সময় ও পরিবেশে উৎসবটি আয়োজন করতে চায় যেখানে দর্শক নির্মাতা এবং আন্তর্জাতিক অতিথিদের সামনে রেড সি চলচ্চিত্র উৎসবের বিশেষ অভিজ্ঞতা যথাযথভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এলোলজিস্টিক জটিলতার কারণে ২০২৬ সালের রেড সি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব স্থগিত করেছে সৌদি আরব। আগামী ৩ থেকে ১২ ডিসেম্বর জেদ্দায় উৎসবটির ষষ্ঠ আসর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই আয়োজন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে ২০২৭ সালের চতুর্থ প্রান্তিক পর্যন্ত।সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানিয়েছে রেড সি ফিল্ম ফাউন্ডেশন। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী আন্তর্জাতিক পরিসরের এত বড় একটি চলচ্চিত্র উৎসব সফলভাবে আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় লজিস্টিক ব্যবস্থা এবং সময় নির্ধারণের বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আয়োজকরা জানিয়েছে তারা এমন একটি সময় ও পরিবেশে উৎসবটি আয়োজন করতে চায় যেখানে দর্শক নির্মাতা এবং আন্তর্জাতিক অতিথিদের সামনে রেড সি চলচ্চিত্র উৎসবের বিশেষ অভিজ্ঞতা যথাযথভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এলো যখন সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক উত্তেজনা রয়েছে। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলা এবং লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগও রয়েছে। তবে উৎসব স্থগিতের সঙ্গে এসব নিরাপত্তা পরিস্থিতির কোনো সম্পর্ক আছে বলে রেড সি ফিল্ম ফাউন্ডেশন জানায়নি।২০২৬ সালের মূল উৎসব স্থগিত হলেও ফাউন্ডেশনের অন্যান্য কার্যক্রম চালু থাকবে। রেড সি ফান্ড এবং রেড সি ল্যাবসের মতো উদ্যোগগুলোও চলবে। পাশাপাশি নভেম্বর ২০২৬ থেকে ঐতিহাসিক জেদ্দার কালচার স্কয়ারে বছরজুড়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও চলচ্চিত্রভিত্তিক আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।রেড সি চলচ্চিত্র উৎসব সৌদি আরবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র আয়োজন। ২০১৯ সালে এর যাত্রা শুরু হলেও প্রথম আসর অনুষ্ঠিত হয় ২০২০ সালে। সৌদি আরবে দীর্ঘ ৩৫ বছরের নিষেধাজ্ঞার পর বাণিজ্যিক সিনেমা হল চালু হওয়ার কয়েক বছর পর এই আন্তর্জাতিক উৎসবের উদ্যোগ নেওয়া হয়।এরপর থেকে আরব বিশ্বসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র নির্মাতা শিল্পী এবং চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মিলনস্থলে পরিণত হয়েছে জেদ্দার এই উৎসব। এখন ২০২৭ সালের নতুন আয়োজনে রেড সি চলচ্চিত্র উৎসব কীভাবে ফিরে আসে সেটিই দেখার বিষয়। যখন সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক উত্তেজনা রয়েছে।আড়ও পড়ুন,৭৫ বছর বয়সে মারা গেলেন রানি মুখার্জির মা ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলা এবং লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগও রয়েছে। তবে উৎসব স্থগিতের সঙ্গে এসব নিরাপত্তা পরিস্থিতির কোনো সম্পর্ক আছে বলে রেড সি ফিল্ম ফাউন্ডেশন জানায়নি।২০২৬ সালের মূল উৎসব স্থগিত হলেও ফাউন্ডেশনের অন্যান্য কার্যক্রম চালু থাকবে। রেড সি ফান্ড এবং রেড সি ল্যাবসের মতো উদ্যোগগুলোও চলবে। পাশাপাশি নভেম্বর ২০২৬ থেকে ঐতিহাসিক জেদ্দার কালচার স্কয়ারে বছরজুড়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও চলচ্চিত্রভিত্তিক আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।রেড সি চলচ্চিত্র উৎসব সৌদি আরবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র আয়োজন। ২০১৯ সালে এর যাত্রা শুরু হলেও প্রথম আসর অনুষ্ঠিত হয় ২০২০ সালে। সৌদি আরবে দীর্ঘ ৩৫ বছরের নিষেধাজ্ঞার পর বাণিজ্যিক সিনেমা হল চালু হওয়ার কয়েক বছর পর এই আন্তর্জাতিক উৎসবের উদ্যোগ নেওয়া হয়।এরপর থেকে আরব বিশ্বসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র নির্মাতা শিল্পী এবং চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মিলনস্থলে পরিণত হয়েছে জেদ্দার এই উৎসব। এখন ২০২৭ সালের নতুন আয়োজনে রেড সি চলচ্চিত্র উৎসব কীভাবে ফিরে আসে সেটিই দেখার বিষয়।

লজিস্টিক জটিলতায় স্থগিত সৌদির রেড সি চলচ্চিত্র উৎসব

তারকার বাইরে পৃথিবীর গল্পে জমজমাট টরন্টো চলচ্চিত্র উৎসব

শীতের আগমনী হাওয়ায় টরন্টোর বাতাসে এখনো লেগে আছে চলচ্চিত্র উৎসবের আমেজ। কিং স্ট্রিট ওয়েস্টের রাইটম্যান স্কয়ার থেকে টিআইএফএফ লাইটবক্স—সর্বত্র সিনেমাপ্রেমী, চলচ্চিত্রকর্মী আর পর্যটকদের ভিড়।৫১তম টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের শেষ দিনে এসে স্পষ্ট হয়েছে এবারের বড় পরিবর্তন। শুধু বড় তারকা বা স্টুডিওনির্ভর সিনেমা নয়, বিশ্বের নানা প্রান্তের গল্প এবং ভিন্ন ভাষার ছবিও পেয়েছে উল্লেখযোগ্য জায়গা।পেনেলোপে ক্রুজ, হাভিয়ের বারদেম, সিনথিয়া এরিভো, নাওমি ওয়াটস, মিশেল ইয়ো ও ব্ল্যাকপিংক তারকা লিসার মতো পরিচিত মুখ উৎসবে দর্শকদের আকর্ষণের কেন্দ্র ছিলেন। লিসাকে নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র ‘অলওয়েজ লালিসা’র প্রদর্শনীতেও ছিল ব্যাপক আগ্রহ।তবে উৎসবের পর্দায় উঠে এসেছে আরও বড় এক পৃথিবী। ফিলিস্তিনি চিন্তাবিদ এডওয়ার্ড সাঈদ, ইউক্রেন যুদ্ধ, ভূমধ্যসাগরের অভিবাসন সংকট, শ্রমিক আন্দোলন এবং ইরানের নারীদের জীবন নিয়ে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন চলচ্চিত্র।টিআইএফএফের প্রধান প্রোগ্রামিং কর্মকর্তা অনিতা লি জানিয়েছেন, তরুণ দর্শকেরা আবার প্রেক্ষাগৃহে ফিরছেন। মূলধারার বাইরের সিনেমা এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের গল্পের প্রতি তাঁদের আগ্রহও বাড়ছে।এবার চীনা ভাষার ও চীন-প্রযোজিত ছবির উপস্থিতিও বেড়েছে। এশিয়ার অন্যান্য দেশের সিনেমাও জায়গা করে নিয়েছে উৎসবে।বাংলাদেশের জন্যও এবারের আয়োজন ছিল গুরুত্বপূর্ণ। আড়ও পড়ুন,বাবা হওয়ার পর বদলে গেছে অনুপম রায়ের পূজার পরিকল্পনারুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ টরন্টো উৎসবের সেন্টারপিস বিভাগে প্রদর্শিত হয়েছে।প্রথমবারের মতো চালু হওয়া টিআইএফএফ চলচ্চিত্রবাজারেও ছিল বড় আয়োজন। ৯২টি দেশের ৭ হাজারের বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন বলে আয়োজকদের তথ্য।সব মিলিয়ে ১১ দিনের আয়োজন শেষে টরন্টো উৎসবের বড় বার্তা হয়ে উঠেছে বৈচিত্র্য। তারকার পাশাপাশি অচেনা দেশের অচেনা গল্প দেখতেও আগ্রহী হয়ে উঠছেন নতুন প্রজন্মের দর্শকেরা।

তারকার বাইরে পৃথিবীর গল্পে জমজমাট টরন্টো চলচ্চিত্র উৎসব

কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের দুই সিনেমার জয়

ভারতের কলকাতায় অনুষ্ঠিত পঞ্চম ওয়ার্ল্ড ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে পুরস্কার জিতেছে বাংলাদেশের দুটি চলচ্চিত্র।পিপলু আর খান পরিচালিত ‘জয়া আর শারমিন’ পেয়েছে সেরা পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের ‘বিমল রায় গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’।একই উৎসবে মকবুল চৌধুরী পরিচালিত প্রামাণ্যচিত্র ‘মামুন: ইন প্রেইজ অব শ্যাডোজ’ পেয়েছে বিচারকদের বিশেষ স্বীকৃতি ‘জুরি মেনশন’।ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব ইন্ডিয়ার পূর্বাঞ্চল শাখার আয়োজনে কলকাতার নন্দন-৩ প্রেক্ষাগৃহে ৮ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয় এই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। রোববার সন্ধ্যায় সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।ছয় দিনের উৎসবে বাংলাদেশসহ ১১টি দেশের মোট ৩৮টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রতিযোগিতা বিভাগে ছিল ১৯টি সিনেমা।‘জয়া আর শারমিন’ ছবির এই স্বীকৃতিকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ছবিটির প্রযোজক আবু শাহেদ ইমন উৎসবে চলচ্চিত্র সমালোচক নির্মাতা ও দর্শকদের সাড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।লকডাউনের সময়ের পটভূমিতে নির্মিত ৮৬ মিনিটের এই মনস্তাত্ত্বিক চলচ্চিত্রে উঠে এসেছে অভিনেত্রী জয়া এবং তার গৃহকর্মী শারমিনের সম্পর্কের পরিবর্তনের গল্প।একই ছাদের নিচে আটকে থাকা দুই নারীর নিঃসঙ্গতা মানসিক নির্ভরতা এবং শ্রেণি ও ক্ষমতার ব্যবধানকে কেন্দ্র করে এগিয়েছে সিনেমার কাহিনি।আড়ও পড়ুন,সেলিমের ‘সেপারেশন’ দিয়ে আবারও নতুন রূপে পরীমনিজয়া চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান। শারমিন চরিত্রে রয়েছেন মঞ্চাভিনেত্রী মহসিনা আক্তার।অন্যদিকে ‘মামুন: ইন প্রেইজ অব শ্যাডোজ’ প্রামাণ্যচিত্রে জুরি মেনশন পাওয়ায় উৎসবে বাংলাদেশের আরও একটি চলচ্চিত্র বিশেষ স্বীকৃতি অর্জন করেছে।কলকাতার পঞ্চম ওয়ার্ল্ড ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশের দুটি চলচ্চিত্র পুরস্কৃত হয়েছে। ‘জয়া আর শারমিন’ পেয়েছে সেরা পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের ‘বিমল রায় গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’। আর ‘মামুন: ইন প্রেইজ অব শ্যাডোজ’ পেয়েছে ‘জুরি মেনশন’।পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে দ্বিতীয় সেরা ছবির পুরস্কার পেয়েছে ভারতের অসমিয়া চলচ্চিত্র ‘রিভার টেলস’। জুরি মেনশন পেয়েছে শ্রীলঙ্কার ‘প্যানট্রাম’।প্রামাণ্যচিত্র বিভাগে সেরা হয়েছে ‘ডলস ডোন্ট ডাই: পুতুলনামা’। দ্বিতীয় সেরা হয়েছে ‘রিভার স্টিল ফ্লোজ’।স্বল্পদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র বিভাগে সেরা হয়েছে ‘দ্য টেল অব কথা’।‘জয়া আর শারমিন’ ছবিতে জয়া আহসান ও মহসিনা আক্তারের অভিনয়ের মাধ্যমে দুই নারীর সম্পর্কের জটিলতা তুলে ধরা হয়েছে। লকডাউনের বন্দিত্বের মধ্যে তাদের মানসিক নির্ভরতা এবং সামাজিক শ্রেণিবৈষম্যের বিষয়গুলো গল্পে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের দুই সিনেমার জয়