শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
জুলাই অভ্যুত্থান: ৩ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে শুনানি

জুলাই অভ্যুত্থান: ৩ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে শুনানি

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য ও মানবতাবিরোধী অপরাধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত তিন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিককে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। অভিযুক্ত তিন সাংবাদিক হলেন—জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা। নির্ধারিত দিনে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে অভিযুক্তদের কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে নিয়ে আসা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এই মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে গত ২৪ আগস্ট ট্রাইব্যুনাল এই তিন সাংবাদিককে আন্তর্জাতিক অপরাধ সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করে দেন। আরও পড়ুন,নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান খানপ্রসিকিউশনের দেওয়া তথ্যমতে, মামলার মূল পটভূমি ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলন। অভিযোগ করা হয়েছে, উক্ত সংবাদ সম্মেলনে অভিযুক্ত সাংবাদিকরা বিভিন্ন প্রশ্ন ও বক্তব্যের মাধ্যমে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং সাধারণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে তীব্র উসকানি সৃষ্টি করেন। ওই সংবাদ সম্মেলনেই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ ও ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ বলে অভিহিত করেছিলেন, যা দেশজুড়ে আন্দোলনকে আরও তীব্র ও সংঘাতময় করে তোলে। রাষ্ট্রপক্ষ ও প্রসিকিউশন দাবি করছে যে, সাংবাদিকদের এই রূপ উসকানিমূলক আচরণ ও প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাই ও আগস্ট মাসে দেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। ফলে এ ধরনের অপরাধের পেছনে অভিযুক্ত সাংবাদিকদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কতটুকু সংশ্রব ছিল, তা খতিয়ে দেখতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা গভীর তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের বিচারিক ইতিহাসে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে উসকানি ও মানবতাবিরোধী অপরাধে প্ররোচনার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এই ধরনের আইনি পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।leftanent lieutenant

জুলাই শহীদদের কবর জিয়ারত ও পরিবারের খোঁজ নিচ্ছেন রাশেদ খাঁন

জুলাই আন্দোলনে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা সবচেয়ে বেশি শহীদ হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং নেপথ্যের অবদান মানুষের সামনে তুলে ধরা দায়িত্বের অংশ। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর দুপুরে নিজের জেলা ঝিনাইদহে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। রাশেদ খাঁন বলেন, জুলাই আন্দোলনে শহীদ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো সবার দায়িত্ব। তাঁর দাবি, ওই আন্দোলনে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের শহীদ হওয়ার বিষয়টি অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়নি। আরও পড়ুন,বার্ধক্যজনিত জটিলতায় চিকিৎসাধীন রফিকুল ইসলাম মিয়াবিএনপির সংগ্রাম ও আন্দোলনে দলটির ভূমিকা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনে শহীদদের স্মৃতি অমলিন রাখতে তাঁদের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া, কবর জিয়ারতসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এসব কাজে জেলা বিএনপি তাঁকে সহযোগিতা করছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী। এদিকে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে বিএনপির প্রস্তুতির কথাও তুলে ধরেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় নির্বাচনেও দলের প্রস্তুতি রয়েছে। ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং সাধারণ মানুষের কাছে যাচ্ছেন।

জুলাই শহীদদের কবর জিয়ারত ও পরিবারের খোঁজ নিচ্ছেন রাশেদ খাঁন

এনসিপির পাঁচ নেতাকে উপদেষ্টা রেখে জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের কমিটি

জুলাই যোদ্ধাদের সংগঠন জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের কেন্দ্রীয় কমিটি আংশিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। এতে জাতীয় নাগরিক পার্টির এনসিপি শীর্ষস্থানীয় পাঁচ নেতাকে উপদেষ্টা পরিষদে রাখা হয়েছে। সংগঠনটির সভাপতি হয়েছেন সালমান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মুস্তাইন বিল্লাহ হাবিবী।সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি ঘোষণার তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী এক বছর এই কেন্দ্রীয় কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের উপদেষ্টা পরিষদে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, মুখ্য সংগঠক উত্তরাঞ্চল সারজিস আলম, রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু ও নুসরাত তাবাসসুম এবং কেন্দ্রীয় সংগঠক আরমান হোসাইন রয়েছেন।আরও পড়ুন,পাটওয়ারীর ওপর হামলাকে পঞ্চম ঘটনা বললেন নাহিদ ইসলামসংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও অর্জনকে সমুন্নত রাখা এবং জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের ন্যায়বিচার, মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।নতুন কমিটির মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত যোদ্ধাদের সংগঠিত করা এবং তাদের দাবি ও অধিকার নিয়ে কাজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের বিষয়ে ন্যায়বিচার এবং তাদের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টিকেও সংগঠনটির অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।ঘোষিত কমিটি আগামী এক বছর দায়িত্ব পালন করবে। তবে কেন্দ্রীয় কমিটির পূর্ণাঙ্গ তালিকা পরবর্তী সময়ে জানানো হবে কি না সে বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

এনসিপির পাঁচ নেতাকে উপদেষ্টা রেখে জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের কমিটি

জুলাই শহীদদের পরিবারের পাশে থাকার ঘোষণা বিএনপি সরকারের রাশেদ খান

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবারের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, বিএনপি সরকার সবসময় তাদের পরিবারের পাশে থাকবে। একই সঙ্গে শহীদদের পরিবার ন্যায়বিচার পাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মেহেরনামা এলাকায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি ওয়াসিম আকরামের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের খোঁজখবর নেন। পরে কবর জিয়ারত করে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।রাশেদ খান বলেন, ‘অনেক আগে থেকেই এ এলাকায় আসার ইচ্ছা ছিল। বিশেষ করে শহীদ ওয়াসিম আকরাম শহীদ হয়ে গোটা বাংলাদেশের মানুষকে সাহস জুগিয়েছেন। ওয়াসিমের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা আমার নৈতিক দায়িত্ব ছিল। আরও পড়ুন,হাসিনা দেশে ফিরলে আইন নিজস্ব গতিতে চলবেএ পরিবার তাদের সন্তানকে হারিয়েছে। তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি।’তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সমন্বয় ছাড়া ৩৬ দিনের মধ্যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সফলভাবে সম্পন্ন হতো কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।’জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বিএনপি ও ছাত্রদলের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানে বিএনপি ও ছাত্রদলের কোনো ভূমিকা নেই—এ ধরনের একটি মিথ্যা ও নেতিবাচক ধারণা জামায়াত ও এনসিপি প্রচার করার চেষ্টা করছে।’তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, যেদিন রংপুরে আবু সাঈদ শহীদ হন, একই দিন একই সময়ে চট্টগ্রামে ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরাম শহীদ হয়েছেন। শহীদ ওয়াসিমের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই আমি কক্সবাজারে এসেছি।’এ সময় স্থানীয় গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মী এবং বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা রাশেদ খানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই চট্টগ্রামের মুরাদপুর এলাকায় আন্দোলনের সময় ওয়াসিম আকরাম নিহত হন। তিনি চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতা ছিলেন।

জুলাই শহীদদের পরিবারের পাশে থাকার ঘোষণা বিএনপি সরকারের রাশেদ খান

সংবিধান সংস্কারে সংসদীয় উদ্যোগ, মত দেবে জুলাই সনদে সই করা দলগুলো

জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষরকারী রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতাদের সঙ্গে আজ মতবিনিময়ে বসছে জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি।জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে বেলা আড়াইটায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক। এতে জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারী ২৬টি দল ও জোটের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।দল ও জোটগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পর্যায়ের দুজন করে প্রতিনিধিকে মতবিনিময়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আলোচনায় সংবিধান সংশোধন বিষয়ে দলগুলোর মতামত জানতে চাওয়া হবে।তবে এই মতবিনিময়ে অংশ না নেওয়ার অবস্থানে রয়েছে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপিসহ কয়েকটি দল। তাদের বক্তব্য, গণভোটে জনগণের দেওয়া রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা প্রয়োজন ছিল। সেই পরিষদ গঠন না করে সংসদীয় বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সংস্কার প্রক্রিয়ায় তারা অংশ নিতে চায় না।এর আগে গত ৪ আগস্ট বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠকে রাজনৈতিক দল, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনার সিদ্ধান্ত হয়।আড়ও পড়ুন,১৭ বছরে শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ছেলেখেলা হয়েছে রিজভী তারই ধারাবাহিকতায় আজকের মতবিনিময়।জুলাই জাতীয় সনদে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব রয়েছে। এর মধ্যে ৪৮টি সংবিধান-সম্পর্কিত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব সংস্কার বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়েই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে।একদিকে বিশেষ কমিটি সংসদীয় প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে মতামত নিচ্ছে। অন্যদিকে জামায়াত-এনসিপিসহ কয়েকটি দল গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়ে আসছে।ফলে আজকের বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মতামতের পাশাপাশি যারা থাকছে না, তাদের অবস্থানও সামনে আসবে।এখন দেখার বিষয়, মতপার্থক্যের মধ্যেও সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কোনো নতুন সমঝোতার সুযোগ তৈরি হয় কি না।

সংবিধান সংস্কারে সংসদীয় উদ্যোগ, মত দেবে জুলাই সনদে সই করা দলগুলো