শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি বাস উপহার দিয়েছে পূবালী ব্যাংক। দেশের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এই বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।শিক্ষার্থীদের যাতায়াত আরও সহজ করতে এবার পাশে দাঁড়িয়েছে পূবালী ব্যাংক।নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বাস উপহার দিয়েছে দেশের অন্যতম এই ব্যাংক।নেত্রকোনা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র—টিটিসির সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত হয় বাস হস্তান্তর অনুষ্ঠান।অনুষ্ঠানে পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক—এমডি মোহাম্মদ আলী নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. খালেদ উজ্জামানের হাতে বাসের চাবি তুলে দেন।ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের শিক্ষা খাত এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে অবদান রাখার লক্ষ্যেই সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াতে পরিবহন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আড়ও পড়ুন,অনুমোদনহীন ঋণদাতা অ্যাপের পেমেন্ট বন্ধের নির্দেশনতুন এই বাস শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে আসা-যাওয়া আরও সহজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।শিক্ষার্থীদের পরিবহন সুবিধার পাশাপাশি এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত সহায়তাতেও বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণের একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতেও শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পূবালী ব্যাংকের দেওয়া এই বাস সেই উদ্যোগেরই একটি অংশ।
সোনালী ব্যাংক সিবিএ (বি-৬৬৪)-এর নবগঠিত ৩০ সদস্যের কমিটিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটি।কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে অনুমোদন ও প্রত্যয়নপত্র হস্তান্তরের মাধ্যমে নতুন কমিটির সাংগঠনিক কার্যক্রমের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।নতুন কমিটিতে মো. জাকির হোসেনকে সভাপতি এবং মো. সিরাজ উদ্দিন আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।কেন্দ্রীয় অনুমোদনের পর সোনালী ব্যাংক সিবিএর নেতা-কর্মী ও সাধারণ সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।নতুন নেতৃত্বে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে সোনালী ব্যাংকের শ্রমিক-কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় যথাযথভাবে কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার প্রত্যাশা রয়েছে।সভাপতি মো. জাকির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজ উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে কমিটির সদস্যরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।আড়ও পড়ুন,জাতীয় নির্বাচনে সুযোগ থাকলে স্থানীয় নির্বাচনেও কেন নয়,শ্রমিক-কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি ও অধিকার আদায়ের পাশাপাশি তাদের কল্যাণ ও স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করা হচ্ছে নতুন কমিটির কাছে।কেন্দ্রীয় অনুমোদনের ফলে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত হবে বলে মনে করছেন নেতা-কর্মীরা। সাধারণ সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও নতুন নেতৃত্ব ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।নতুন কমিটিকে ঘিরে সাধারণ সদস্যদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। শ্রমিক-কর্মচারীদের অধিকার ও কল্যাণে নতুন নেতৃত্ব কী ধরনের উদ্যোগ নেয়, সেদিকে নজর রয়েছে তাদের।নবগঠিত কমিটির সাফল্য কামনা করেছেন সংগঠনের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা। একই সঙ্গে সভাপতি মো. জাকির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজ উদ্দিন আহমেদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বীকৃতির পর সোনালী ব্যাংক সিবিএর সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নতুন অর্থবছরের শুরুতেই দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৩ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৪২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী চলতি বছরের ১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৪২৭ মিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ৩০৬ মিলিয়ন ডলার।অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ৯ দশমিক ৩ শতাংশ।শুধু তাই নয় ১৩ সেপ্টেম্বর একদিনেই দেশে এসেছে ১৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। এতে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিক অবদান আরও স্পষ্ট হয়েছে।আড়ও পড়ুন,বরিস জনসনের ট্রেন সীমান্ত পেরোতেই ইউক্রেনে রুশ ড্রোন হামলাচলতি অর্থবছরের শুরু থেকে হিসাব করলে রেমিট্যান্স প্রবাহের চিত্র আরও ইতিবাচক। জুলাই থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৭২৫ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার।গত অর্থবছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৬২০ কোটি ৬০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে চলতি অর্থবছরের এই সময়ে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১০৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার।শতাংশের হিসাবে এই প্রবৃদ্ধি ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ।অর্থনীতিবিদদের মতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়লে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। একই সঙ্গে ডলারের বাজারে চাপ কমানো এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফেরাতেও প্রবাসী আয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।নতুন অর্থবছরের শুরুতেই রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তাই দেশের অর্থনীতির জন্য স্বস্তির খবর হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।