সিজেপি নেতাদের জেল হেফাজত, প্রতিবাদে সরব রাহুল গান্ধী
ভারতের দিল্লিতে যন্তর মন্তরে লোহার ফটক টপকে প্রবেশ করে বিক্ষোভ করার অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে পাঁচ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। বুধবার সকালে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হলে দিল্লি পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে দলের আরেক নেতা অজিঙ্ক শিন্ডেকে শান্তি ভঙ্গ না করার শর্তে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে আশুতোষ, সৌরভ ও অজিঙ্ক তাঁদের সমর্থকদের নিয়ে পুলিশের নজর এড়িয়ে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করেন। সেখানে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর বাতিলের দাবিতে স্লোগান দেন তাঁরা। পরে পুলিশ তাঁদের আটক করে। দিনভর আটকে রাখার পর গভীর রাতে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সিজেপির অভিযোগ, আটকে রাখার দীর্ঘ সময় নেতাদের আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি এবং তাঁদের ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আদালতে দিল্লি পুলিশ দাবি করে, আরোও পড়ুন,https://crimeexpress.net/post/6545/রিয়াদ বিমানবন্দরে একের পর এক হামলা, ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে আসার উদ্বেগ সৌদিরসিজেপি নেতারা ফোন করে লোক জড়ো করেছিলেন এবং বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত নয়—এমন স্থানে বেআইনিভাবে প্রবেশ করেছিলেন। তাঁদের মুক্তি দেওয়া হলে আবারও শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রয়েছে বলেও যুক্তি দেয় পুলিশ। এদিকে, সিজেপির দুই নেতাকে জেল হেফাজতে পাঠানোর ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানো কোনো অপরাধ নয়। এ কারণে তরুণদের কারাগারে পাঠানোকে কাপুরুষতার লক্ষণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাহুল গান্ধী আরও বলেন, ছাত্র, যুবক, সাংবাদিক ও বিরোধী জোটের ব্যানার আলাদা হলেও তাঁদের উদ্দেশ্য অভিন্ন। নাগরিকেরা তাঁদের সাংবিধানিক অধিকার চাইছেন। অন্যদিকে, সিজেপি নেতা অভিজিৎ দিপক জানিয়েছেন, তাঁদের দল একটি স্বাধীন চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে কাজ করবে। তবে এর অর্থ এই নয় যে তাঁরা ইন্ডিয়া জোটের বিরোধী। জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে দুই পক্ষের লক্ষ্য এক বলেও দাবি করেন তিনি।