শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
তারেক রহমানের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করবে যুবদল: রিজভী

তারেক রহমানের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করবে যুবদল: রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, এমন কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না, যার মাধ্যমে পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তি উৎসাহিত হয় বা রাজনীতিতে আবারও প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠার সুযোগ পায়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের বিরত থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রিজভী। এর আগে সোমবার রাতে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কার্যালয়ে ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ আহ্বান জানান। এ ধরনের কর্মকাণ্ড পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তিকে প্রাসঙ্গিক করে তোলার সুযোগ তৈরি করছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে রিজভী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ও আশপাশের জেলা থেকে নেতাকর্মীরা জিয়া উদ্যানে সমবেত হন।আরও পড়ুন,রিজভীর বক্তব্যপরে রিজভীর নেতৃত্বে যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নসহ নেতাকর্মীরা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় রিজভী বলেন, বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে যেসব গুজব ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো পরিকল্পিত বলে মনে করে দলটি। এসব প্রচারণা সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড থামাতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শেখ হাসিনার সরকারের দমন-পীড়ন উপেক্ষা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যুবদলের নেতাকর্মীরা ভূমিকা রেখেছেন বলে উল্লেখ করেন রিজভী। তিনি আরও বলেন, মানুষের অধিকার রক্ষা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যুবদলের অসংখ্য নেতাকর্মী জীবন উৎসর্গ করেছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে ৪৮ বছর আগে সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যুবদল দেশের অন্যতম বৃহৎ যুব সংগঠনে পরিণত হয়েছে। অতীতের নির্যাতনের কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, রাজনৈতিক আন্দোলনের কারণে যুবদলের নেতাকর্মীদের বারবার দমন-পীড়নের শিকার হতে হয়েছে। অনেককে দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকতে হয়েছে। তারপরও তারা গণতান্ত্রিক আন্দোলন থেকে পিছিয়ে যাননি। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উৎপাদন, উন্নয়ন, জনকল্যাণ ও সামাজিক সুরক্ষাভিত্তিক রাজনীতি বাস্তবায়নে যুবদল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশের পুনর্গঠন এবং মানুষের আর্থিক উন্নয়নেও সংগঠনটি কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান এলডিপি প্রধানের

ক্ষমতাসীন সরকারের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, কর্মসংস্থান, বিচারব্যবস্থা ও প্রবাসীদের সমস্যাসহ সার্বিক জাতীয় পরিস্থিতি নিয়ে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ। জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অলি আহমেদ দাবি করেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর কর্মসংস্থান সৃষ্টির যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, বাস্তব চিত্র তার সম্পূর্ণ উল্টো। নতুন বিনিয়োগ প্রায় বন্ধ এবং কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে ইতোমধ্যেই প্রায় ৮০ হাজার মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষ এখন রাতে বা রাস্তায় চলাচলে বিন্দুমাত্র নিরাপত্তা বোধ করছে না। দেশের বিচারব্যবস্থায় বৈষম্য তৈরি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আরও পড়ুন,ইশরাকের অস্ত্র হাতে নামার কারণ রাষ্ট্রের ব্যর্থতাব্যাংকিং খাতের সংকট তুলে ধরে তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার পাশাপাশি নির্দোষ মালিকদের ব্যাংক পরিচালনার সুযোগ দিয়ে অর্থনীতিতে গতি ফেরানোর আহ্বান জানান। এছাড়া বিদেশে কর্মরত প্রবাসীদের ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের জটিলতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূতদের দ্রুত হস্তক্ষেপ না থাকলে প্রবাসীরা দেশে ফিরে এলে অর্থনৈতিক সংকট আরও ঘনীভূত হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমছে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছে। একই সাথে ইউএনও ও ওসিদের সংসদ সদস্যদের পেছনে না ঘুরে দাপ্তরিক কাজ করার তাগিদ দেন তিনি। ১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক সমঝোতার স্মৃতিচারণ করে অলি আহমেদ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সতর্ক করে বলেন, তাঁর চারপাশের ভুল পরামর্শদাতারা দল ও দেশের জন্য ক্ষতিকর। শেষভাগে তিনি দেশের বিরাজমান সংকট নিরসনে এবং জন দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত ‘জুলাই সনদ’ ও সংস্কারসমূহ বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান এলডিপি প্রধানের

প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা কমানোর সুপারিশ

কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ও বর্তমান আর্থিক লোকসানের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় সংসদের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই, বাস্তবায়ন এবং লোকসানের কারণ নিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের ভিত্তিতে কাজ করার বিষয়ে কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ কাজে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার জাতীয় সংসদ ভবনে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন। বৈঠকে কর্ণফুলী টানেলের ফিজিবিলিটি স্টাডি বা সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বর্তমানে আর্থিক লোকসানের পেছনের কারণগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। তবে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা পরবর্তী বৈঠকে করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এদিকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন চলমান এক হাজার ১৫৩টি প্রকল্পের তালিকা কমিটির সদস্যদের কাছে উপস্থাপন করা হয়। এসব প্রকল্পের পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলপত্র তুলে ধরে কীভাবে সেগুলো বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, সে বিষয়েও কমিটিকে অবহিত করা হয়। বৈঠকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২৫৬টি প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর কারণও ব্যাখ্যা করা হয়। আরও পড়ুন,জিয়া ও খালেদা জিয়ার বই সংগ্রহে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়এর মধ্যে রয়েছে ভূমি অধিগ্রহণে জটিলতা, আমদানিনির্ভরতা, প্রকল্প পরিচালক নিয়োগে সমস্যা, যথাযথ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের ঘাটতি, সময়মতো অর্থ ছাড় না হওয়া এবং আন্তমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের অভাব। প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা কমাতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি। পাশাপাশি প্রকল্প পরিচালক নিয়োগে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। নীতিমালাটি চূড়ান্ত হলে নিয়োগসংক্রান্ত জটিলতা কমবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। বৈঠকে আরও জানানো হয়, অঞ্চলভিত্তিক বৈষম্য কমিয়ে ন্যায্যতার ভিত্তিতে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের চেষ্টা চলছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ২২১টি শূন্য পদের বিপরীতে বিভিন্ন গ্রেডে ৬৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের কার্যক্রমও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। শূন্য পদের বিপরীতে সুপরিকল্পিত কর্মভার নির্ধারণ করে অগ্রাধিকারভিত্তিতে নিয়োগ সম্পন্ন করতে নির্দেশনা দিয়েছেন কমিটির সভাপতি। বৈঠকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ কমিটির সদস্যরা অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা কমিশন, পরিকল্পনা বিভাগ, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা কমানোর সুপারিশ

জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ বাস্তবায়নে স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে চিঠি

জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর আওতায় স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য জারি করা গেজেট অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে চিঠি পাঠিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ।বুধবার ৭ অক্টোবর অর্থ বিভাগের উপসচিব সারমিন সুলতানার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, সংযুক্তির বর্ণনা অনুযায়ী গেজেটের দুটি কপি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে। অফিস আদেশে আরও জানানো হয়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর অর্থ বিভাগ থেকে এসআরও নম্বর ৩৪৮-আইন/২০২৬-এর গেজেট জারি করা হয়েছিল। ওই গেজেটের কপিও পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এর আগে ১৯ সেপ্টেম্বর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিতআরও পড়ুন,সাইবার বিভ্রাটে দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা অচল‘চাকরি বেতন ও ভাতাদি আদেশ ২০২৬’ শীর্ষক নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়।নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী গ্রেডভেদে সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। নতুন এই বেতন কাঠামো গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে।সরকারি কর্মচারীদের জন্য ঘোষিত নতুন পে-স্কেল তিনটি ধাপে পুরোপুরি বাস্তবায়নের কথা রয়েছে। পাশাপাশি চাকরিজীবীরা তাদের প্রাপ্য বকেয়া বেতনও পাবেন।এখন স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে জারি করা গেজেট অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ বাস্তবায়নে স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে চিঠি