শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
দৌড়ের শুরু থেকেই এগিয়ে, শেষ করেই বিশ্বরেকর্ড

দৌড়ের শুরু থেকেই এগিয়ে, শেষ করেই বিশ্বরেকর্ড

মাত্র এক সেকেন্ডের ব্যবধানে আগের রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন কেনিয়ার দীর্ঘপাল্লার দৌড়বিদ অ্যাগনেস এনগেটিচ। ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স রোড রানিং চ্যাম্পিয়নশিপের নারীদের হাফ-ম্যারাথনে ১ ঘণ্টা ৫ মিনিট ১৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন ২৫ বছর বয়সী এই অ্যাথলেট।কোপেনহেগেনের রৌদ্রোজ্জ্বল সকাল। দৌড় শুরুর পর প্রথম কিলোমিটার থেকেই এগিয়ে অ্যাগনেস এনগেটিচ।একবার লিড নেওয়ার পর আর পেছনে ফিরে তাকাননি কেনিয়ার এই দীর্ঘপাল্লার দৌড়বিদ। গতি ধরে রেখে একের পর এক প্রতিদ্বন্দ্বীকে পেছনে ফেলেছেন তিনি।শেষ পর্যন্ত ১ ঘণ্টা ৫ মিনিট ১৫ সেকেন্ডে ফিনিশিং লাইন স্পর্শ করে গড়েছেন নতুন বিশ্বরেকর্ড।এনগেটিচ আগের বিশ্বরেকর্ডটি ভেঙেছেন মাত্র এক সেকেন্ডের ব্যবধানে। শুধু বিশ্বরেকর্ডই নয়, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ও স্বদেশী ভেরোনিকা লোলোকে ৫০ সেকেন্ড পেছনে ফেলে সবার আগে দৌড় শেষ করেন তিনি।বিশ্বরেকর্ডের পর উচ্ছ্বসিত এনগেটিচ কৃতিত্ব দিয়েছেন তাঁর কোচকে। জানিয়েছেন, কোচের বিশ্বাসই তাঁকে আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে।“আমার কোচ আমার ওপর বিশ্বাস রেখেছিলেন এবং বলেছিলেন যে আমি এটা করতে পারব, আমি স্বর্ণপদক জিততে পারব। আড়ও পড়ুন,প্রীতি ম্যাচের আগে চমক: বাংলাদেশ মাঠে, চীন অনুপস্থিততাই এখন বিশ্ব হাফ-ম্যারাথন রেকর্ডের অধিকারী হতে পেরে আমি খুব খুশি এবং অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।”২৫ বছর বয়সী এনগেটিচের এই কীর্তি কেনিয়ার দীর্ঘপাল্লার দৌড়ের ঐতিহ্যেও যোগ করল নতুন এক অধ্যায়।শুরু থেকেই দৌড়ে আধিপত্য, শেষ পর্যন্ত অবিশ্বাস্য গতি ধরে রাখা—আর মাত্র এক সেকেন্ডে পুরোনো রেকর্ড ভেঙে বিশ্বসেরা হয়ে যাওয়া।কোপেনহেগেনের সেই সকালে অ্যাগনেস এনগেটিচ শুধু ফিনিশিং লাইনই স্পর্শ করেননি, ছুঁয়েছেন অ্যাথলেটিক্সের নতুন এক মাইলফলক।এক সেকেন্ড—দৌড়ের মঞ্চে সময়ের এই ক্ষুদ্র ব্যবধানই গড়ে দিল ইতিহাস। অ্যাগনেস এনগেটিচ এখন নারীদের হাফ-ম্যারাথনের নতুন বিশ্বরেকর্ডের মালিক।

সেঞ্চুরি নেই তবু ২ হাজার ৪৬০ রান নতুন বিশ্বরেকর্ড

ঘটনাবহুল তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে পাকিস্তানকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছে ইংল্যান্ড। ব্যাট ও বল হাতে পুরো সিরিজজুড়েই দাপট দেখিয়েছে স্বাগতিকরা। অন্যদিকে পাকিস্তানের ব্যাটিং বিপর্যয়ও ছিল চোখে পড়ার মতো।তবে সিরিজের সবচেয়ে আলোচিত রেকর্ড তৈরি হয়েছে অন্য জায়গায়। তিন ম্যাচের ১২ ইনিংসে দুই দলের ব্যাটাররা মিলে করেছেন ২ হাজার ৪৬০ রান। এসেছে মোট ২০টি হাফসেঞ্চুরি। কিন্তু কোনো ব্যাটারই সেঞ্চুরি করতে পারেননি।সেঞ্চুরি ছাড়াই তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে এটিই এখন সর্বোচ্চ দলীয় রানের নতুন বিশ্বরেকর্ড। এর আগে ১৯৯৩ সালে পাকিস্তান ও জিম্বাবুয়ের মধ্যকার সিরিজে এই রেকর্ড ছিল। ওই সিরিজে দুই দলের ব্যাটাররা ১৮টি হাফসেঞ্চুরির সাহায্যে করেছিলেন ২ হাজার ২১৩ রান।আড়ও পড়ুন,বুকের দুধ বাড়াতে মায়ের খাবারে যেসব পুষ্টিকর উপাদান রাখবেনএবারের সিরিজে কয়েকজন ব্যাটার সেঞ্চুরির খুব কাছাকাছি গিয়েও নার্ভাস নাইন্টিতে থেমেছেন। পাকিস্তানের সৌদ শাকিল লর্ডস টেস্টে সর্বোচ্চ ৯৭ রান করেন। সাবেক অধিনায়ক শান মাসুদ আউট হন ৯৫ রানে। আর হেডিংলি টেস্টে ইংল্যান্ডের হ্যারি ব্রুক ৯১ রানে থেমে যান।তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে কোনো সেঞ্চুরি না হওয়ার ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। টেস্ট ইতিহাসে এর আগে এমন ঘটনা ঘটেছে সাতবার। ইংল্যান্ডের মাটিতে এটি মাত্র দ্বিতীয়বার। এর আগে ১৮৮৮ সালের অ্যাশেজ সিরিজে তিন টেস্টের কোনো ইনিংসেই সেঞ্চুরি হয়নি।এবারের সিরিজে সবচেয়ে বেশি রান এসেছে এজবাস্টন টেস্টে। সেখানে দুই দলই একবার করে ৪০০ রান পার করে। চার ইনিংসে মোট রান হয়েছে ১ হাজার ১৬৫। দুই দলের ব্যাটাররা মিলে করেছেন ১১টি হাফসেঞ্চুরি।সব মিলিয়ে সেঞ্চুরি ছাড়াই রানের নতুন বিশ্বরেকর্ডের পাশাপাশি পাকিস্তানের বিপক্ষে দাপুটে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। তিন ম্যাচের সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হওয়া পাকিস্তানের জন্য এটি ১১তম ঘটনা।

সেঞ্চুরি নেই তবু ২ হাজার ৪৬০ রান নতুন বিশ্বরেকর্ড