শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান খান

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান খান

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মো. আতাউর রহমান খান। এর আগে তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ২৫ মে তিনি সরকারের সচিব পদে পদোন্নতি পান। মো. আতাউর রহমান খান বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ১৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা। ১৯৯৯ সালের ২৫ জানুয়ারি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে যোগদানের মধ্য দিয়ে তাঁর সরকারি কর্মজীবন শুরু হয়। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর কর্মজীবনের উল্লেখযোগ্য দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ, রেলপথ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগে কাজ করা। এ ছাড়া ভৌত অবকাঠামো বিভাগ, শিল্প ও জ্বালানি বিভাগ এবং বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের প্রোগ্রামিং বিভাগেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে দেশের ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখেন আতাউর রহমান খান। পাশাপাশি বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এ সময় দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো ও ডেটা সেন্টার সেবার উন্নয়নে কাজ করেন।আরও পড়ুন,ফ্যামিলি কার্ডে দারিদ্র্য ৫ শতাংশ কমার আশা শিক্ষাজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর উভয় ডিগ্রিতে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন তিনি। পরে জাপানের ন্যাশনাল গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট ফর পলিসি স্টাডিজ থেকে পাবলিক পলিসিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। যুক্তরাজ্যের লিভারপুল হোপ ইউনিভার্সিটি থেকে পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেওয়ার পাশাপাশি ঢাকার ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ থেকে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্সও সম্পন্ন করেছেন। সরকারি দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্য, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, ইতালি, জার্মানি, নেদারল্যান্ডসসহ বিভিন্ন দেশে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তিনি। এসব প্রশিক্ষণের বিষয় ছিল সরকারি বিনিয়োগ, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক বাণিজ্য, নীতিনির্ধারণ ও উন্নয়ন প্রকল্প মূল্যায়ন। নতুন দায়িত্বে দেশের নৌপরিবহন খাতের উন্নয়ন, সমুদ্র ও নৌবন্দরগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নৌপথের কার্যকর ব্যবস্থাপনাকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আতাউর রহমান খান। নিরাপদ, আধুনিক ও দক্ষ নৌপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

জিয়া ও খালেদা জিয়ার বই সংগ্রহে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল এবং মেডিকেল কলেজের গ্রন্থাগারে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা তিনটি বই সংগ্রহ ও সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। গত ২৭ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় অধীনস্থ সব দপ্তরপ্রধানকে এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। এরই মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্দেশনাটি বাস্তবায়নের জন্য লিখিত তাগিদ পাঠিয়েছে। বই তিনটি হলো প্রয়াত গবেষক ও সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহর লেখা ‘প্রেসিডেন্ট জিয়া: রাজনৈতিক জীবনী’ এবং ‘বেগম খালেদা জিয়া: জীবন ও সংগ্রাম’। অন্য বইটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লেখা ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। আরও পড়ুন,ফ্লাইট বাতিলে ভোগান্তিতে ১৭ হাজার যাত্রীতিনটি বইয়ের মোট মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৭০০ টাকা। নথি অনুযায়ী, বইগুলোর প্রকাশক জাতীয়তাবাদী প্রকাশনা সংস্থার পক্ষে জহির দীপ্তি গত ২৩ আগস্ট স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেন। আবেদনে বইগুলোকে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে উল্লেখ করে মেডিকেল কলেজের গ্রন্থাগারে সংরক্ষণের অনুরোধ জানানো হয়। ওই আবেদনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ‘জোর সুপারিশ করা হলো’ লিখে স্বাক্ষর ও দাপ্তরিক সিলমোহর দেন। এরপর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ অধীনস্থ দপ্তরপ্রধানদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয়। প্রকাশনা সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, চিকিৎসাসেবার সঙ্গে যুক্ত পেশাজীবী, নার্স, শিক্ষার্থী এবং হাসপাতালে সেবা নিতে আসা সচেতন নাগরিকদের জন্য বইগুলো গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। এর আগে গত ৩ জুন দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একই তিনটি বই রাখার নির্দেশ দিয়েছিল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। তবে ব্যাপক আলোচনার পর ৬ জুলাই সেই নির্দেশনা বাতিল করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ওই সিদ্ধান্ত বাতিলের প্রায় তিন মাস পর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গ্রন্থাগার নিয়ে নতুন নির্দেশনা এলো। উল্লেখ্য, অতীতেও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে লেখা বই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ২০১৯ সালে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে শিশু একাডেমি প্রকাশিত ২৭টি বই কেনার নির্দেশ দিয়েছিল। ২০১৪ সালেও তাঁকে নিয়ে লেখা তিনটি বই কেনার নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল।

জিয়া ও খালেদা জিয়ার বই সংগ্রহে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

হাফেজদের দেওয়া নেক্সাস বই ফেরত নিল ধর্ম মন্ত্রণালয়

আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী বাংলাদেশি হাফেজদের উপহার হিসেবে দেওয়া ‘নেক্সাস’ বই ফেরত নিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।রোববার দুপুরে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার বিজয়ী হাফেজদের কাছ থেকে বইগুলো ফেরত নেন।সম্প্রতি ৪৬তম বাদশাহ আবদুল আজীজ আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পাওয়া বাংলাদেশি হাফেজদের রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে তাদের কয়েকটি করে বই উপহার দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল ইসরায়েলি ইতিহাসবিদ ইউভাল নোয়াহ হারারির লেখা ‘নেক্সাস’-এর বাংলা অনুবাদ।বিজয়ীদের হাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই বইগুলো তুলে দেন। পরে বই দেওয়ার ছবি প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। বিভিন্ন ইসলামি সংগঠনও বইটি উপহার দেওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ জানায়।এরপর রোববার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বইটি ফেরত নেওয়া হয়েছে।মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, রোববার দুপুরে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী তার দপ্তরে বিজয়ী হাফেজদের কাছ থেকে বইটি ফেরত নেন। এ সময় হাফেজদের পাশাপাশি তাদের শিক্ষকরাও উপস্থিত ছিলেন।ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়ার পর দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে বইটি ফেরত নেওয়া হয়েছে।তবে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের জন্য ঘোষিত আন্তর্জাতিক সফর, সহায়তা এবং অন্যান্য প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সরকারি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী বাংলাদেশি হাফেজদের উপহার হিসেবে দেওয়া ‘নেক্সাস’ বই নিয়ে বিতর্কের পর তা ফেরত নিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।রোববার দুপুরে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার বিজয়ী হাফেজদের কাছ থেকে বইটি ফেরত নেন। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর দ্রুত এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।৪৬তম বাদশাহ আবদুল আজীজ আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পাওয়া বাংলাদেশি হাফেজদের সম্প্রতি রাষ্ট্রীয়ভাবে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।আড়ও পড়ুন,ইন্টারনেট ব্যবহারে অগ্রগতি ঘরে সংযোগে কিছুটা পতন অনুষ্ঠানে তাদের কয়েকটি করে বই উপহার দেওয়া হয়েছিল। সেই বইয়ের মধ্যে ইউভাল নোয়াহ হারারির লেখা ‘নেক্সাস’-এর বাংলা অনুবাদও ছিল।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিজয়ী হাফেজদের হাতে বইগুলো তুলে দেন। পরে অনুষ্ঠানের ছবি প্রকাশ্যে আসার পর ‘নেক্সাস’ বই উপহার দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। বিভিন্ন ইসলামি সংগঠনও এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানায়।রোববার সন্ধ্যায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টের এক পোস্টে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় হাফেজদের দেওয়া বইটি ফেরত নেওয়া হয়েছে।পোস্টে বলা হয়, রোববার দুপুরে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার তার দপ্তরে বিজয়ী হাফেজদের কাছ থেকে বইটি ফেরত নেন। এ সময় হাফেজদের পাশাপাশি তাদের শিক্ষকরাও উপস্থিত ছিলেন।ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়ার পর দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে বইটি ফেরত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের জন্য ঘোষিত আন্তর্জাতিক সফর, সহায়তা ও অন্যান্য প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সরকারি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

হাফেজদের দেওয়া নেক্সাস বই ফেরত নিল ধর্ম মন্ত্রণালয়