শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
রিজভীর বক্তব্য

রিজভীর বক্তব্য

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সত্যনিষ্ঠ ও আদর্শবান সাংবাদিকদের সাহসী ভূমিকা স্মরণ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, গিয়াস কামাল চৌধুরী, আতাউস সামাদ ও ফয়েজ আহমেদের মতো বরেণ্য সাংবাদিকেরা সত্য ও ন্যায়ের প্রশ্নে কখনো আপস করেননি। তাঁদের নীতিবোধ ও দৃঢ় অবস্থান সেসময়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে অত্যন্ত শক্তিশালী করেছিল। আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সমিতি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এরশাদবিরোধী স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনের দিনগুলোর স্মৃতিচারণা করে রিজভী বলেন, ওই সময়ে দেশের প্রকৃত রাজনৈতিক পরিস্থিতি জানতে মানুষ মূলত বিবিসি ও ভয়েস অব আমেরিকার ওপর নির্ভর করতেন। আরও পড়ুন,গোপন বৈঠকের অভিযোগসেই সংকটময় মুহূর্তে ভয়েস অব আমেরিকার সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরী এবং বিবিসির সাংবাদিক আতাউস সামাদের নির্ভীক সংবাদ পরিবেশন জনগণের কাছে ছিল অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য। নানামুখী চাপ, গ্রেপ্তার ও হয়রানির ঝুঁকি সত্ত্বেও গিয়াস কামাল চৌধুরী চরম সাহসিকতার সঙ্গে সংবাদ প্রচার অব্যাহত রেখেছিলেন। এমনকি নিরাপত্তার কারণে তাঁকে অনেক সময় সংবাদ পাঠানোর স্থানও গোপন রাখতে হতো। পেশাগত দায়িত্বের প্রতি এমন আপসহীন নিষ্ঠাই তাঁকে অনন্য মর্যাদায় ভূষিত করেছিল। রুহুল কবির রিজভী আরও উল্লেখ করেন, তৎকালীন সময়ের প্রথিতযশা সাংবাদিকেরা লোভ-লালসা ও ভয়ের ঊর্ধ্বে থেকে আদর্শিক ও নীতিবান সাংবাদিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, যা বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য সবসময় অনুসরণীয় হয়ে থাকবে। মরহুম গিয়াস কামাল চৌধুরীর সঙ্গে নিজের দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক স্মৃতির কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, তিনি কেবল একজন সাহসী ও পেশাদার সাংবাদিকই ছিলেন না, বরং তরুণদের প্রতি স্নেহশীল ও অভিভাবকসুলভ এক মহান ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। পরিশেষে তিনি মরহুম গিয়াস কামাল চৌধুরীর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

পাচার করা অর্থ দিয়ে নাশকতার ষড়যন্ত্র চলছে: রুহুল কবির রিজভী

বিদেশে পাচার করা ও দেশে লুকিয়ে রাখা অবৈধ অর্থ দিয়ে অরাজকতা, বোমাবাজি ও নাশকতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তাঁর দাবি, পরাজিত ফ্যাসিস্ট শক্তি দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে চায়। এ বিষয়ে গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষকে দিন-রাত সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ জনঅধিকার পার্টি আয়োজিত আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রিজভী। তিনি বলেন, অতীতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ মহলের হাতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ ছিল। পাচার করা অর্থের বড় অংশ বিদেশে চলে গেলেও কিছু অর্থ দেশে রয়ে গেছে বলে দাবি করেন তিনি। আরও পড়ুন,বিএনপি নেতাদের স্বজনদের সারের ডিলারশিপ দেওয়ার অভিযোগ এনসিপি নেতারতাঁর অভিযোগ, সেই অর্থ ব্যবহার করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির পরিকল্পনা চলছে। তবে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক রয়েছে এবং ষড়যন্ত্রকারীদের পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে ব্যাংক-বীমাসহ বিভিন্ন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাঁর দাবি, দেশে বর্তমানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকা। ঋণের নামে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা রাষ্ট্রীয় অর্থ লুটপাট করেছেন বলেও অভিযোগ করেন বিএনপির এই নেতা। রিজভী আরও বলেন, বিপুল ঋণের বোঝা ও ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলা করেও বর্তমান সরকার দেশ পুনর্গঠনে কাজ করছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং দীর্ঘ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তরুণ ও ছাত্রনেতাদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, তরুণদের সাহসিকতা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ সুগম করেছে। তাঁদের অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরেও সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান রিজভী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা যেন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে উদযাপিত হয়, সে জন্য রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

পাচার করা অর্থ দিয়ে নাশকতার ষড়যন্ত্র চলছে: রুহুল কবির রিজভী

এমপিদের জনগণের ভালো-মন্দ দেখতে হবে: রিজভী

দুর্গাপূজায় নাশকতা চালিয়ে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্টের ষড়যন্ত্র করছে পরাজিত শক্তি—এমন অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। এ ষড়যন্ত্রে দেশের অভ্যন্তরীণ একটি পক্ষ মদদ দিচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। সোমবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর প্রেসক্লাবে বিএনপির প্রয়াত নেতা হান্নান শাহর স্মরণসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব অভিযোগ করেন রিজভী। তিনি বলেন, দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে। পূজাকে ঘিরে সম্ভাব্য নাশকতার বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দেন তিনি। আরও পড়ুন,পুলিশ ও বিএনপির পাহারায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা রোটনের দাফন সম্পন্নবিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বিএনপি লুটপাটের রাজনীতির পুনরাবৃত্তি করতে চায় না। সংকটের মধ্যেও জনগণকে স্বস্তি দিতে সরকার কাজ করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাজনীতিতে ব্যক্তিগত আর্থিক স্বার্থের বিষয়টি তুলে ধরে রিজভী বলেন, তাঁরা টাকার জন্য রাজনীতি করেন না। সংসদ সদস্যদের জনগণের ভালো-মন্দের দিকে নজর দিতে হবে। সারের ডিলার কিংবা ঠিকাদারি করার উদ্দেশ্যে কেউ রাজনীতি করবেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রিজভীর বক্তব্যে দুর্গাপূজাকে ঘিরে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের আশঙ্কার বিষয়টি উঠে আসে। তবে নাশকতার ষড়যন্ত্রে কারা জড়িত এবং অভ্যন্তরীণ কোন পক্ষ এতে মদদ দিচ্ছে—সে বিষয়ে বক্তব্যে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

এমপিদের জনগণের ভালো-মন্দ দেখতে হবে: রিজভী

অপপ্রচারে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করা যাবে না বললেন রিজভী

দেশে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচি এবং সাম্প্রতিক অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা নিয়ে প্রশ্নগণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তুলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।রিজভী বলেন অপপ্রচারের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। তার দাবি জনমনে ধোঁয়াশা তৈরি করার উদ্দেশ্যেই বিরোধী দল বিভিন্ন কর্মসূচি দিচ্ছে। একই সঙ্গে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচিতে কোনো বাধা দেওয়া হচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি এটিকে দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকার প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেন। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে বাসে আগুন দেওয়া এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রিজভী। তিনি জানতে চান এসব ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত। বাসে আগুন ও বোমাবাজির ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।রিজভীর বক্তব্য অনুযায়ী সাম্প্রতিক কিছু অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় শুধু আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাই জড়িত কি না অথবা অন্য রাজনৈতিক পক্ষও এর সঙ্গে যুক্ত কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তার বক্তব্যে জামায়াতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও উঠে আসে।আড়ও পড়ুন,গাজী নজরুলের আসনে বিকল্প মুখ খুঁজছে জামায়াত এসব অভিযোগ রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে এসেছে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের বিষয়। সাম্প্রতিক যাত্রাবাড়ীর একটি ককটেল বিস্ফোরণের মামলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাসহ চারজন গ্রেপ্তারের খবরও প্রকাশিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানও সাম্প্রতিক অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণ নিয়ে অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন আওয়ামী লীগ জামায়াত ও এনসিপি একত্রে এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত। তবে এটি তার অভিযোগ। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দলগুলোর বক্তব্য এবং তদন্তের ফলাফল আলাদাভাবে বিবেচনার বিষয়। রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে রাশেদ খান এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের কথাও বলেন। তার দাবি এতে বাসে আগুন ও ককটেল হামলার সঙ্গে কারা জড়িত তা জানা যেতে পারে। জাতীয় প্রেসক্লাবের এই আলোচনা সভায় দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং সাম্প্রতিক সহিংসতার অভিযোগসহ চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক নিয়ে বক্তব্য দেন বক্তারা।

অপপ্রচারে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করা যাবে না বললেন রিজভী

১৭ বছরে শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ছেলেখেলা হয়েছে রিজভী

বিগত ১৭ বছরে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা দুর্বল ও বিপর্যস্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তাঁর দাবি, তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রগতির আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে বাংলাদেশকে নিষ্ক্রিয় রাখার লক্ষ্যেই পরিকল্পিতভাবে এমন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল।শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে কেরানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজ মাঠে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এসএসসি কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।রিজভী বলেন, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। তাঁর অভিযোগ, অতীতে পরীক্ষা না দিয়েও কিংবা খাতায় যথাযথ উত্তর না লিখেও ওপর মহলের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের পাস করিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। জোর করে বেশি নম্বর দেওয়া বা পাস করিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে ব্যক্তি কিংবা জাতি কারও প্রকৃত লাভ হয় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।প্রযুক্তির যুগে মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার মানোন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে রিজভী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ভালো ফল না পাওয়া বা পিছিয়ে পড়ার ঘটনাকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই।আড়ও পড়ুন,একটি গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে আমান তাঁর মতে, দীর্ঘদিন শিক্ষাব্যবস্থার নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার প্রভাব এখন শিক্ষার্থীদের ফলাফলেও পড়ছে। একই সঙ্গে তিনি মেধার ভিত্তিতে প্রকৃত মূল্যায়নের ওপর জোর দেন।নারী শিক্ষার প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, নারী ক্ষমতায়নের প্রধান শর্ত শিক্ষা। তিনি বিএনপির পক্ষ থেকে ছাত্রীদের জন্য উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। এ সময় তিনি নারী শিক্ষার প্রসারে দলটির বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী। তিনি কৃতী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে সততা দায়িত্বশীলতা ও দেশপ্রেম নিয়ে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ায় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ ও গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট ও বৃত্তি দেওয়া হয়। কেরানীগঞ্জের কৃতী শিক্ষার্থীদের এ ধরনের সংবর্ধনা আয়োজনকে স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরেন আয়োজকেরা।

১৭ বছরে শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ছেলেখেলা হয়েছে রিজভী

রিজভীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।মঙ্গলবার সকাল ১১টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের শুরুতে রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান চীনা রাষ্ট্রদূত।সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও চীনের রাজনৈতিক সম্পর্ক এবং বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে দুই দেশের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈঠকে দুই দেশের রাজনৈতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। আড়ও পড়ুন,সোনালী ব্যাংক সিবিএর নতুন কমিটির অনুমোদনপাশাপাশি চলমান উন্নয়ন প্রকল্প ও সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।বৈঠকে চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন এবং রাজনৈতিক অ্যাটাশে লিং শুয়ান উপস্থিত ছিলেন। রুহুল কবির রিজভীর পিএস কাজী নজরুল ইসলাম এবং এপিএস জাহেদুল আলমও বৈঠকে অংশ নেন।চীনা দূতাবাসের বিবৃতি অনুযায়ী, বৈঠকে দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি দলীয় পর্যায়ে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় রিজভী ও ইয়াও ওয়েনের এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হলো।

রিজভীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ