সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

রিজভীর বক্তব্য


ক্রাইম এক্সপ্রেস
ক্রাইম এক্সপ্রেস

রিজভীর বক্তব্য
রিজভীর বক্তব্য

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সত্যনিষ্ঠ ও আদর্শবান সাংবাদিকদের সাহসী ভূমিকা স্মরণ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, গিয়াস কামাল চৌধুরী, আতাউস সামাদ ও ফয়েজ আহমেদের মতো বরেণ্য সাংবাদিকেরা সত্য ও ন্যায়ের প্রশ্নে কখনো আপস করেননি। তাঁদের নীতিবোধ ও দৃঢ় অবস্থান সেসময়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে অত্যন্ত শক্তিশালী করেছিল। আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সমিতি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এরশাদবিরোধী স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনের দিনগুলোর স্মৃতিচারণা করে রিজভী বলেন, ওই সময়ে দেশের প্রকৃত রাজনৈতিক পরিস্থিতি জানতে মানুষ মূলত বিবিসি ও ভয়েস অব আমেরিকার ওপর নির্ভর করতেন। 

আরও পড়ুন,গোপন বৈঠকের অভিযোগ

সেই সংকটময় মুহূর্তে ভয়েস অব আমেরিকার সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরী এবং বিবিসির সাংবাদিক আতাউস সামাদের নির্ভীক সংবাদ পরিবেশন জনগণের কাছে ছিল অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য। নানামুখী চাপ, গ্রেপ্তার ও হয়রানির ঝুঁকি সত্ত্বেও গিয়াস কামাল চৌধুরী চরম সাহসিকতার সঙ্গে সংবাদ প্রচার অব্যাহত রেখেছিলেন। এমনকি নিরাপত্তার কারণে তাঁকে অনেক সময় সংবাদ পাঠানোর স্থানও গোপন রাখতে হতো। পেশাগত দায়িত্বের প্রতি এমন আপসহীন নিষ্ঠাই তাঁকে অনন্য মর্যাদায় ভূষিত করেছিল। রুহুল কবির রিজভী আরও উল্লেখ করেন, তৎকালীন সময়ের প্রথিতযশা সাংবাদিকেরা লোভ-লালসা ও ভয়ের ঊর্ধ্বে থেকে আদর্শিক ও নীতিবান সাংবাদিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, যা বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য সবসময় অনুসরণীয় হয়ে থাকবে। মরহুম গিয়াস কামাল চৌধুরীর সঙ্গে নিজের দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক স্মৃতির কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, তিনি কেবল একজন সাহসী ও পেশাদার সাংবাদিকই ছিলেন না, বরং তরুণদের প্রতি স্নেহশীল ও অভিভাবকসুলভ এক মহান ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। পরিশেষে তিনি মরহুম গিয়াস কামাল চৌধুরীর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

বিষয় : রিজভী

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

ক্রাইম এক্সপ্রেস

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬


রিজভীর বক্তব্য

প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সত্যনিষ্ঠ ও আদর্শবান সাংবাদিকদের সাহসী ভূমিকা স্মরণ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, গিয়াস কামাল চৌধুরী, আতাউস সামাদ ও ফয়েজ আহমেদের মতো বরেণ্য সাংবাদিকেরা সত্য ও ন্যায়ের প্রশ্নে কখনো আপস করেননি। তাঁদের নীতিবোধ ও দৃঢ় অবস্থান সেসময়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে অত্যন্ত শক্তিশালী করেছিল। আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সমিতি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এরশাদবিরোধী স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনের দিনগুলোর স্মৃতিচারণা করে রিজভী বলেন, ওই সময়ে দেশের প্রকৃত রাজনৈতিক পরিস্থিতি জানতে মানুষ মূলত বিবিসি ও ভয়েস অব আমেরিকার ওপর নির্ভর করতেন। 

আরও পড়ুন,গোপন বৈঠকের অভিযোগ

সেই সংকটময় মুহূর্তে ভয়েস অব আমেরিকার সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরী এবং বিবিসির সাংবাদিক আতাউস সামাদের নির্ভীক সংবাদ পরিবেশন জনগণের কাছে ছিল অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য। নানামুখী চাপ, গ্রেপ্তার ও হয়রানির ঝুঁকি সত্ত্বেও গিয়াস কামাল চৌধুরী চরম সাহসিকতার সঙ্গে সংবাদ প্রচার অব্যাহত রেখেছিলেন। এমনকি নিরাপত্তার কারণে তাঁকে অনেক সময় সংবাদ পাঠানোর স্থানও গোপন রাখতে হতো। পেশাগত দায়িত্বের প্রতি এমন আপসহীন নিষ্ঠাই তাঁকে অনন্য মর্যাদায় ভূষিত করেছিল। রুহুল কবির রিজভী আরও উল্লেখ করেন, তৎকালীন সময়ের প্রথিতযশা সাংবাদিকেরা লোভ-লালসা ও ভয়ের ঊর্ধ্বে থেকে আদর্শিক ও নীতিবান সাংবাদিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, যা বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য সবসময় অনুসরণীয় হয়ে থাকবে। মরহুম গিয়াস কামাল চৌধুরীর সঙ্গে নিজের দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক স্মৃতির কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, তিনি কেবল একজন সাহসী ও পেশাদার সাংবাদিকই ছিলেন না, বরং তরুণদের প্রতি স্নেহশীল ও অভিভাবকসুলভ এক মহান ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। পরিশেষে তিনি মরহুম গিয়াস কামাল চৌধুরীর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।


ক্রাইম এক্সপ্রেস

সম্পাদক : রিপন রুদ্র
নির্বাহী সম্পাদক:জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
রিজভীর বক্তব্য
0:00 0:00
1.0x