শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
 বইয়ের স্টলে গল্প রহস্য আর বিজ্ঞানে মেতে শিক্ষার্থীরা

বইয়ের স্টলে গল্প রহস্য আর বিজ্ঞানে মেতে শিক্ষার্থীরা

গা ছমছমে ভূতের গল্পের ভক্ত চট্টগ্রামের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মাইসা। তাই প্রথমা প্রকাশনের বই উৎসবে একনজরেই তার পছন্দ হয়ে যায় রকিব হাসানের ‘হাতকাটা ভূত’। বইটি কেনার আগে সহপাঠী বান্ধবীকেও ডেকে এনে দেখিয়েছে সে। এরপর পছন্দের বইটি প্যাকেটবন্দী করে নিয়ে গেছে নিজের কাছে।মাইসা জানায়, রকিব হাসান তার প্রিয় গল্পকার। ‘হাতকাটা ভূত’ বইটি একজন পিয়ানো শিক্ষককে ঘিরে লেখা হয়েছে বলে আগেই জেনেছে সে। ওই শিক্ষকের মিউজিক স্কুলে যারা বাজনা শিখতে যায় তারা আর ফিরে আসে না এমন রহস্য নিয়েই গল্প। বাকিটা বাড়িতে গিয়ে পড়বে বলে জানায় মাইসা। সোমবার সকালে চট্টগ্রামের বালুছড়ায় লিডার্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রথমা আয়োজিত বই উৎসবে কথা হয় মাইসার সঙ্গে। তখন বিদ্যালয়ে ক্লাস শেষে টিফিনের বিরতি চলছিল। এ সময় ক্যানটিনের বদলে শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ ছুটে যায় বইয়ের স্টলের দিকে। কেউ খুঁজছিল কিশোর উপন্যাস ও রহস্যের বই, কেউ কমিকস আবার কেউ পছন্দের লেখকের গল্পের বই। বই কেনার ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিল ভিন্ন রকমের আগ্রহ। কেউ মলাট দেখেই দ্রুত পছন্দের বই কিনছিল। আবার কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছিল কোন বইটি কেনা হবে। অনেক শিক্ষার্থী হাতে থাকা টাকা গুনে বইয়ের দাম মিলিয়ে নিচ্ছিল এবং বই কেনার পর কত টাকা অবশিষ্ট থাকবে সেটিও হিসাব করছিল। মেলার একটি স্টলে বিজ্ঞান, গণিত, গল্প, রহস্য ও কিশোর উপন্যাসসহ বিভিন্ন ধরনের বই সাজিয়ে রাখা হয়। পাশাপাশি ছিল কিশোর আলো ও বিজ্ঞানচিন্তার সাময়িকী। আরও পড়ুন,জিপিএ-৫ উৎসবে স্বপ্ন নিয়ে হাজির ১০ হাজার শিক্ষার্থীপঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিদ ও আবিরকে দেখা যায় গণিতের বই নিয়ে আলোচনা করতে। কঠিন গণিতের বিষয়গুলো সহজভাবে বোঝার জন্য তারা উপযোগী বই খুঁজছিল। গল্প-উপন্যাসের পাশাপাশি বিজ্ঞান ও গণিতের বইয়ের প্রতিই তাদের আগ্রহ বেশি। এরই মধ্যে তারা বিজ্ঞানচিন্তার চলতি সংখ্যার দুটি কপিও কিনে নেয়। ছোটদের টিফিনের বিরতি শেষ হওয়ার পর শুরু হয় বড় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিরতি। তখন আবারও বইয়ের স্টলে ভিড় বাড়ে। মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপন্যাস গল্প থ্রিলার ও রহস্যের বইয়ের প্রতি বেশি আগ্রহ দেখা যায়। কেউ কেউ প্রিয় লেখকের নাম বলেও জানতে চাইছিলেন তাঁর কোনো বই স্টলে আছে কি না। পরে শিক্ষার্থীদের ছুটির সময় বিদ্যালয়ে আসতে শুরু করেন অভিভাবকেরাও। সন্তানের পছন্দের বই খুঁজে দিতে তারা স্টলে ভিড় করেন। কেউ সন্তানের হাতে পছন্দের বই তুলে দেন, আবার কেউ বই বাছাইয়ে উৎসাহ দেন। অনেক অভিভাবক সন্তানের জন্য বই কেনার পাশাপাশি নিজেদের পছন্দের বইও বেছে নেন। লিডার্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, শিক্ষার্থীদের বই পড়ায় উৎসাহিত করা এবং বিভিন্ন ধরনের বইয়ের সঙ্গে তাদের পরিচিত করতেই প্রথমা প্রকাশনের সঙ্গে যৌথভাবে এ বই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি গল্প উপন্যাস বিজ্ঞান ও রহস্যের বই পড়ার প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ানোই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

জিপিএ-৫ উৎসবে স্বপ্ন নিয়ে হাজির ১০ হাজার শিক্ষার্থী

স্বপ্ন দেখো জীবন গড়ো’ স্লোগানে সাভারের আশুলিয়ার ফ্যান্টাসি কিংডমে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জিপিএ-৫ উৎসব। প্রথম আলোর আয়োজনে এবং শিক্ষার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম শিখোর পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের ৬৪ জেলার কৃতী শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত এ উৎসবে এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে।মঙ্গলবার ঢাকা অঞ্চলের প্রথম দিনের আয়োজনে অংশ নিয়েছে ঢাকা জেলার প্রায় ১০ হাজার কৃতী শিক্ষার্থী। সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া অনুষ্ঠান চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। উৎসবের দ্বিতীয় দিন বুধবার ঢাকা, মানিকগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।উৎসবে শিক্ষার্থীদের নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবনা প্রকাশের সুযোগ দেওয়া হয়। ‘নিজের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করতে যে তিনটি কাজ তুমি করতে চাও’—এ বিষয়ে নিজেদের প্রত্যাশা ও স্বপ্নের কথা লিখে দেয়ালে সাঁটিয়ে দেয় তারা।কৃতী শিক্ষার্থী আমির হানজালা লিখেছে, ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়বে। ভালোভাবে পড়াশোনা করে মা-বাবার গর্ব হতে চায় এবং সৎ দক্ষ ও সুনাগরিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চায়। আরেক শিক্ষার্থী জারা জোসি লিখেছে, সে একজন সৎ মানুষ হতে চায়। পাশাপাশি মায়ের সব স্বপ্ন পূরণ করে নিজের লক্ষ্যে পৌঁছানোর প্রত্যয়ও জানিয়েছে সে।উৎসবকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল নানা আয়োজন। অনুষ্ঠানস্থলে বিভিন্ন স্টলে ভিআর গেম, কুইজ, পিরামিড গেম, স্পিনসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা উপহারও পেয়েছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানের স্টলেও ছিল নানা কার্যক্রম।আড়ও পড়ুন,৫ কোটি টাকা থেকে ২ কোটি দেন, সব সই করে দেব’—পিডিবির প্রকৌশলীর ভিডিও ভাইরালজিপিএ-৫ পাওয়া দুই বন্ধু ইফতেশাম ইসলাম ও জালাল আকবর ইউসুফ জানান, এমন আয়োজন তাদের অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে। ভালো ফলের পর একসঙ্গে সাফল্য উদ্‌যাপন এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো করার উৎসাহ পাচ্ছেন তারা।অভিভাবকেরাও সন্তানদের সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, ভালো ফলের পাশাপাশি সন্তানরা যেন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে এবং সমাজ ও দেশের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। দিনব্যাপী আয়োজনে গান আড্ডা বিনোদন ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আনন্দের জন্য ছিল বিভিন্ন রাইড ও বিনোদনের ব্যবস্থা। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়।

জিপিএ-৫ উৎসবে স্বপ্ন নিয়ে হাজির ১০ হাজার শিক্ষার্থী

তিন দফা দাবিতে সাভারে ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

ভেটেরিনারি পেশার স্বকীয়তা ও অধিকার রক্ষায় তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীরা।এর অংশ হিসেবে সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস অনুষদের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন।রোববার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে সহকারী ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ অফিসার পদে শুধু নিবন্ধিত ভেটেরিনারিয়ানদের নিয়োগ নিশ্চিত করা।এ ছাড়া ক্যাডার কাঠামোর বাইরে নন-ভেটেরিনারিয়ানদের পদোন্নতি দিয়ে নিবন্ধিত ভেটেরিনারিয়ানদের সমকক্ষ বা উচ্চতর পদে পদায়নের সুযোগ বন্ধ এবং প্রতিটি উপজেলায় চারটি করে ভেটেরিনারি সার্জনের পদ দ্রুত সৃষ্টির দাবি জানিয়েছেন তারা।সমাবেশে বিভিন্ন স্লোগানে ক্যাম্পাস মুখরিত করে তোলেন শিক্ষার্থীরা।শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আড়ও পড়ুন,বাহক চেক কীভাবে হস্তান্তর হয় জেনে নিনদীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে দাবি জানানো হলেও এখনো আশানুরূপ ফল পাওয়া যায়নি। তাদের দাবি, পর্যাপ্ত পদ না থাকায় দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক শিক্ষা শেষ করেও অনেক ভেটেরিনারিয়ান চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।তারা আরও দাবি করেন, দেশের অনেক উপজেলা ভেটেরিনারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত নিবন্ধিত ভেটেরিনারিয়ান না থাকায় অনভিজ্ঞ বা অনিবন্ধিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে সেবা দেওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।শিক্ষার্থীরা বলছেন, দ্রুত তাদের তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে দেশের সব ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীকে নিয়ে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

তিন দফা দাবিতে সাভারে ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

চানখারপুলে মেসকক্ষে জবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মেসের নিজ কক্ষ থেকে অনিক চন্দ্র পাল নামের ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।অনিক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর বাড়ি সিলেট জেলায়।মেসের সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জয় ভূঁইয়া জানান, সোমবার থেকেই অনিকের কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। মঙ্গলবার রাতে এক সহপাঠী ফোনে যোগাযোগ করতে না পেরে মেসে গিয়ে তাঁর খোঁজ নিতে বলেন।পরে কক্ষের দরজায় কড়া নেড়েও কোনো সাড়া না পেয়ে জানালার কাচ ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে অনিককে ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখা যায়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।আড়ও পড়ুন,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৭ মেধাবী শিক্ষার্থী পেলেন ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ডতবে তাঁর মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সহপাঠীদের কেউ কেউ ব্যক্তিগত সম্পর্কজনিত হতাশার কথা বললেও, এটি তাদের ধারণা মাত্র। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।ঘটনার খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের শিক্ষক সুবাস পাল।তিনি জানান, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। স্বজনেরা আসার পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।এদিকে বংশাল থানার অফিসার ইনচার্জ আশিক ইকবাল জানান, ঘটনার সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চানখারপুলে মেসকক্ষে জবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

পা দিয়ে লিখে স্বপ্ন পূরণ করতে চান কলি রানী

পরীক্ষার কক্ষে সবাই বেঞ্চে বসে লিখে যাচ্ছেন খাতায়। তাঁদের পাশে বসে লিখছেন আরেক শিক্ষার্থী কলি রানী। তাঁকে দেওয়া হয়েছে ছোট বেঞ্চ। আর সেখানে বসেই মনোযোগসহকারে পা দিয়ে উত্তর লিখে যাচ্ছেন তিনি। দূর থেকে একনজরে দেখলে কলি রানীকে স্বাভাবিক মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী। দুই পায়ে হাঁটাচলা করতে পারলেও বাহু থেকে দুই হাতের কবজি নেই। কিন্তু প্রতিবন্ধিতা তাঁকে দমাতে পারেনি। গতকাল বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া এইচএসসি পরীক্ষায় কলি রানী রংপুরের কাউনিয়া মহিলা কলেজ কেন্দ্রে মানবিক বিভাগের পরীক্ষায় অংশ নেন। তিনি ওই উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নে গদাই গ্রামের রুপালী রানীর মেয়ে। কলি রানীর জন্ম থেকে দুই হাতের কবজি নাই। কিন্তু পড়ালেখার প্রতি প্রবল আগ্রহ আর মনের জোরে কারও সহযোগিতা ছাড়াই পা দিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছেন তিনি। মৃত মনোরঞ্জন রায়ের ৬ ছেলেমেয়ের মধ্যে কলি রানী সবার ছোট। শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে ডিঙিয়ে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছেন স্বপ্ন পূরণের আশায়। কলি রানী লেখাপড়ার পাশাপাশি ইতিমধ্যে গান গেয়ে একাধিক সম্মাননা স্মারক অর্জন করেছেন। এ ছাড়া পা দিয়ে চালাতে পারেন কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন। কলি রানী জানান, তাঁর ইচ্ছা পড়ালেখা শেষ করে বিসিএস ক্যাডার হয়ে মানুষের সেবা করা। কাউনিয়া মহিলা কলেজের কেন্দ্রসচিব রফিকুল ইসলাম জানান, কলি রানী শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় নিয়ম মেনে তাঁকে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট দেওয়া হয়েছে। ইউএনও পাপিয়া সুলতানা জানান, কলি রানীকে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা আটকাতে পারেনি। তার অদম্য অগ্রযাত্রা যেন থেমে না যায়।

পা দিয়ে লিখে স্বপ্ন পূরণ করতে চান কলি রানী