শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি সংযোগ গড়ার পরিকল্পনা

মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি সংযোগ গড়ার পরিকল্পনা

মোংলা থেকে দেশের উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল করতে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানো এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর বাগেরহাটের মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ এবং চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশন সিআরসিসির মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এ উপলক্ষে সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেনের নেতৃত্বে আসা উচ্চপর্যায়ের চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। আরও পড়ুন,নারীর নেতৃত্ব বিকাশে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে সরকারএ সময় তিনি মোংলাকে কেন্দ্র করে শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণে চীনা বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও চীন একসঙ্গে কাজ করতে চায়। দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। মধ্যপ্রাচ্যে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলাদেশি জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করায় চীনা প্রতিনিধিদলকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি দিনটিকে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আনন্দের উল্লেখ করে দেশের শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় এগিয়ে আসায় চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এসব তথ্য জানিয়েছেন।

ইন্টারনেট ব্যবহারে অগ্রগতি ঘরে সংযোগে কিছুটা পতন

দেশের পরিবার ও ব্যক্তিপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। ঘরে ঘরে বাড়ছে স্মার্টফোনের ব্যবহার ও মালিকানা। একই সঙ্গে ব্যক্তিপর্যায়ে দ্রুত বাড়ছে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার। বিপরীতে কমছে রেডিও ফিক্সড ফোন ও কম্পিউটারের উপস্থিতি।বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএসের ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকের তুলনামূলক তথ্যে উঠে এসেছে এ চিত্র।বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে ৭৪ দশমিক ৮ শতাংশ পরিবারের স্মার্টফোন ছিল। এক বছর পর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫ দশমিক ১ শতাংশে।ঘরে টেলিভিশনের উপস্থিতিও বেড়েছে। ৫৯ দশমিক ১ শতাংশ থেকে তা বেড়ে হয়েছে ৬০ দশমিক ১ শতাংশ। আর প্রায় ৯৯ শতাংশ পরিবারেই মোবাইল ফোন রয়েছে।তবে বিপরীত চিত্র দেখা গেছে পুরোনো কিছু প্রযুক্তিতে। পরিবারে রেডিওর উপস্থিতি ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ। ফিক্সড ফোনের উপস্থিতি শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক ৭ শতাংশে। কম্পিউটার থাকা পরিবারের হারও ৯ দশমিক ২ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৯ দশমিক ১ শতাংশ।পরিবারে ইন্টারনেট সংযোগের হারও কিছুটা কমেছে। ৫৯ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে তা নেমে এসেছে ৫৮ দশমিক ২ শতাংশে।তবে ব্যক্তিপর্যায়ে চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। আড়ও পড়ুন,জাতিসংঘে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রীএক বছরে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হার ৫৫ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৫৯ দশমিক ২ শতাংশ।সবচেয়ে বড় পরিবর্তন দেখা গেছে মোবাইল ফোন ব্যবহারে। ৮২ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৯ দশমিক ৬ শতাংশে। অর্থাৎ এক বছরে বেড়েছে ৬ দশমিক ৭ শতাংশীয় পয়েন্ট।মোবাইল ফোনের মালিকানার হারও ৬৪ দশমিক ২ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৬৫ দশমিক ৬ শতাংশ।সব মিলিয়ে বিবিএসের তথ্য বলছে, দেশের ডিজিটাল জীবন ক্রমেই মোবাইল ও স্মার্টফোনকেন্দ্রিক হয়ে উঠছে। ব্যক্তিপর্যায়ে মোবাইল ও ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়লেও পরিবার পর্যায়ে কমছে রেডিও ফিক্সড ফোন ও কম্পিউটারের মতো অপেক্ষাকৃত পুরোনো প্রযুক্তির উপস্থিতি।

ইন্টারনেট ব্যবহারে অগ্রগতি ঘরে সংযোগে কিছুটা পতন