শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
আইনজীবী হওয়ার বয়সসীমা নির্ধারণের উদ্যোগ, ৩৫ বছরের পর সুযোগ সীমিত হতে পারে

আইনজীবী হওয়ার বয়সসীমা নির্ধারণের উদ্যোগ, ৩৫ বছরের পর সুযোগ সীমিত হতে পারে

আইন পেশায় প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ৩৫ বছর বয়সের পর নতুন করে আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে নির্ধারিত বয়স অতিক্রম করার পর আইন পেশায় প্রবেশের সুযোগ সীমিত হতে পারে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্ট অডিটরিয়ামে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান আইনমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে আইনজীবী হওয়ার বয়সসীমা নিয়ে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি। আইনমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পর আইন পেশায় প্রবেশে আগ্রহী ব্যক্তিদের মধ্যে বয়সসীমা নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করছেন কিংবা অন্য পেশায় যুক্ত থাকার পর আইনজীবী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য এ উদ্যোগের প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আরও পড়ুন,আদাবরে ১৯২ অ্যাপার্টমেন্ট, তেজগাঁওয়ে ৫১ বাণিজ্যিক ইউনিট নির্মাণ হচ্ছে শেল্‌টেকের দুই প্রকল্পতবে ৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধের উদ্যোগ বাস্তবায়নে কী ধরনের আইনগত বা নীতিগত পরিবর্তন আনা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি। প্রস্তাবটি কবে নাগাদ কার্যকর হতে পারে, বর্তমান আইন অনুযায়ী আইনজীবী হওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া প্রার্থীদের ক্ষেত্রে কী বিধান প্রযোজ্য হবে, কিংবা কোনো ব্যতিক্রম রাখা হবে কি না এসব বিষয়েও স্পষ্ট ঘোষণা পাওয়া যায়নি। এ কারণে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যকে আপাতত সরকারের উদ্যোগের ঘোষণা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বয়সসীমা নির্ধারণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, সংশ্লিষ্ট বিধি বা আইন সংশোধন এবং কার্যকর হওয়ার সময়সীমা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের পর বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। আইন পেশায় প্রবেশের বয়সসীমা নিয়ে সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আইনজীবী হতে আগ্রহীদের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতিতে প্রভাব পড়তে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়নপদ্ধতি প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এর পূর্ণাঙ্গ প্রভাব সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

পাহাড়ি অঞ্চলে সমান সুযোগ নিশ্চিতের আহ্বান

তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে একজন শিক্ষার্থী ঢাকার শহর থেকে হোক কিংবা বান্দরবান, রাঙামাটি বা খাগড়াছড়ির প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকা থেকে হোক—যোগ্যতা থাকলে তার সামনে সমান সুযোগ থাকবে।’পাহাড়ের নারীদের দীর্ঘদিনের পানি সংগ্রহের কষ্ট লাঘবে প্রত্যন্ত এলাকায় সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে পাহাড়ি অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে আধুনিক পর্যটনশিল্প গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব বলেও উল্লেখ করেন।আড়ও পড়ুন,সারের কৃত্রিম সংকট নিয়ে রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে প্রতিমন্ত্রীর অভিযোগপ্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকায় সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি ভূমিধস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতি না করে টেকসই উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী।সভায় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। এতে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়কমন্ত্রী সাচিং প্রু এমপিসহ পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পাহাড়ি অঞ্চলে সমান সুযোগ নিশ্চিতের আহ্বান

সাইবার সুরক্ষা আইনে পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে

দেশের মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অনলাইনে অপতথ্য বন্ধে মিডিয়া লিটারেসি বা গণমাধ্যম-সংক্রান্ত সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।তিনি বলেছেন প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন এখনও চূড়ান্তভাবে পাস হয়নি। ফলে আইনটিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। প্রস্তাবিত আইন নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধনের সুযোগ কাজে লাগানোর কথাও জানান তিনি।শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী এবং বাংলাদেশ জার্নালিস্টস কাউন্সিল বা বিজেসির পর্যালোচনা ও প্রস্তাবনা নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন ডা. জাহেদ উর রহমান।তিনি বলেন দেশের মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এমন একটি সাইবার সুরক্ষা আইন প্রয়োজন যা অনলাইন জগতে নাগরিকদের নিরাপত্তা দেবে। একই সঙ্গে অনলাইনে গুজব মিথ্যাচার ও অপতথ্য ছড়িয়ে পড়া বন্ধেও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।তবে শুধু আইন করে অপতথ্য মোকাবিলা করা সম্ভব নয় বলেও আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে মিডিয়া লিটারেসি বা গণমাধ্যম সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি। অনলাইনে কোনো তথ্য গ্রহণ ও প্রচারের আগে তার সত্যতা যাচাইয়ের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।আড়ও পড়ুন,সাইবার অপরাধ ঠেকাতে নতুন ইউনিট গঠনের ঘোষণাবর্তমান সময়ে অনলাইনভিত্তিক সাংবাদিকতার ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। পাশাপাশি সাংবাদিকতা ও ডিজিটাল কনটেন্ট থেকে আয়ের নতুন নতুন পদ্ধতিও তৈরি হচ্ছে। এসব নতুন বাস্তবতাকে নীতিমালার কাঠামোর মধ্যে আনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তথ্য উপদেষ্টা।ডা. জাহেদ উর রহমান আরও বলেন গুজব মিথ্যাচার বা অপতথ্য ছড়ানোর ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ সবার জন্য একই হওয়া উচিত। কোনো ব্যক্তি বা পক্ষের পরিচয় বিবেচনা না করে একই আইনি কাঠামোর আওতায় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।আলোচনা সভায় প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের বিভিন্ন সংশোধনী নিয়ে মতামত তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ জার্নালিস্টস কাউন্সিলের পর্যালোচনা এবং বিভিন্ন প্রস্তাবনা নিয়েও আলোচনা করেন অংশগ্রহণকারীরা।সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মতপ্রকাশ ও সাংবাদিকতার নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইনটি কীভাবে আরও কার্যকর করা যায় তা নিয়েই সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সাইবার সুরক্ষা আইনে পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে

জাতীয় নির্বাচনে সুযোগ থাকলে স্থানীয় নির্বাচনেও কেন নয়,

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি ভোটারদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটাধিকার নিশ্চিতের দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে স্মারকলিপি দিয়েছে আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলন।বুধবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এই স্মারকলিপি দেওয়া হয়। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সংগঠনটির সদস্যসচিব আল আমীন আটিয়া।স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সংবিধান সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করেছে। সংবিধানের ২৭, ২৮ ও ৩১ অনুচ্ছেদে সমতা, বৈষম্যহীনতা এবং আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি ১২২ অনুচ্ছেদে প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটাধিকার ও ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির যোগ্যতার বিষয়টি নির্ধারণ করা হয়েছে।স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, নির্বাচনসংক্রান্ত আইনে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি ভোটারদের ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগের আইনি ভিত্তি রয়েছে।তাদের প্রশ্ন, জাতীয় নির্বাচনে বিদেশে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা সম্ভব হলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একই নাগরিকদের ভোটাধিকার প্রয়োগের ব্যবস্থা করা হবে না কেন?সংগঠনটির দাবি, প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশের অর্থনীতি ও জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। সাত দফা দাবি নিয়ে রংপুরমুখী লংমার্চের প্রচারে মাঠে জামায়াতআড়ও পড়ুন,তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও অর্থনীতিতে অবদান রাখছে।তাই অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান স্বীকৃত হলে নাগরিক হিসেবে তাদের গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের অধিকারও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এ সময় বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি ভোটারদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দেওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।দাবি বাস্তবায়নে আইনসম্মত ও অহিংস গণতান্ত্রিক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানিয়েছে সংগঠনটি।প্রয়োজনে আদালতের আইনি পথ, জনমত গঠন এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জাতীয় নির্বাচনে সুযোগ থাকলে স্থানীয় নির্বাচনেও কেন নয়,