শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

সাইবার সুরক্ষা আইনে পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে


ক্রাইম এক্সপ্রেস
ক্রাইম এক্সপ্রেস

সাইবার সুরক্ষা আইনে পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে
আইনে পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে

দেশের মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অনলাইনে অপতথ্য বন্ধে মিডিয়া লিটারেসি বা গণমাধ্যম-সংক্রান্ত সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেছেন প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন এখনও চূড়ান্তভাবে পাস হয়নি। ফলে আইনটিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। প্রস্তাবিত আইন নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধনের সুযোগ কাজে লাগানোর কথাও জানান তিনি।শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী এবং বাংলাদেশ জার্নালিস্টস কাউন্সিল বা বিজেসির পর্যালোচনা ও প্রস্তাবনা নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেন দেশের মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এমন একটি সাইবার সুরক্ষা আইন প্রয়োজন যা অনলাইন জগতে নাগরিকদের নিরাপত্তা দেবে। একই সঙ্গে অনলাইনে গুজব মিথ্যাচার ও অপতথ্য ছড়িয়ে পড়া বন্ধেও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

তবে শুধু আইন করে অপতথ্য মোকাবিলা করা সম্ভব নয় বলেও আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে মিডিয়া লিটারেসি বা গণমাধ্যম সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি। অনলাইনে কোনো তথ্য গ্রহণ ও প্রচারের আগে তার সত্যতা যাচাইয়ের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

আড়ও পড়ুন,সাইবার অপরাধ ঠেকাতে নতুন ইউনিট গঠনের ঘোষণা

বর্তমান সময়ে অনলাইনভিত্তিক সাংবাদিকতার ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। পাশাপাশি সাংবাদিকতা ও ডিজিটাল কনটেন্ট থেকে আয়ের নতুন নতুন পদ্ধতিও তৈরি হচ্ছে। এসব নতুন বাস্তবতাকে নীতিমালার কাঠামোর মধ্যে আনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তথ্য উপদেষ্টা।ডা. জাহেদ উর রহমান আরও বলেন গুজব মিথ্যাচার বা অপতথ্য ছড়ানোর ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ সবার জন্য একই হওয়া উচিত। কোনো ব্যক্তি বা পক্ষের পরিচয় বিবেচনা না করে একই আইনি কাঠামোর আওতায় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

আলোচনা সভায় প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের বিভিন্ন সংশোধনী নিয়ে মতামত তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ জার্নালিস্টস কাউন্সিলের পর্যালোচনা এবং বিভিন্ন প্রস্তাবনা নিয়েও আলোচনা করেন অংশগ্রহণকারীরা।

সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মতপ্রকাশ ও সাংবাদিকতার নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইনটি কীভাবে আরও কার্যকর করা যায় তা নিয়েই সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বিষয় : সুযোগ পরিবর্তন সুরক্ষা

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

ক্রাইম এক্সপ্রেস

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬


সাইবার সুরক্ষা আইনে পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে

প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

দেশের মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অনলাইনে অপতথ্য বন্ধে মিডিয়া লিটারেসি বা গণমাধ্যম-সংক্রান্ত সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেছেন প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন এখনও চূড়ান্তভাবে পাস হয়নি। ফলে আইনটিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। প্রস্তাবিত আইন নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধনের সুযোগ কাজে লাগানোর কথাও জানান তিনি।শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী এবং বাংলাদেশ জার্নালিস্টস কাউন্সিল বা বিজেসির পর্যালোচনা ও প্রস্তাবনা নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেন দেশের মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এমন একটি সাইবার সুরক্ষা আইন প্রয়োজন যা অনলাইন জগতে নাগরিকদের নিরাপত্তা দেবে। একই সঙ্গে অনলাইনে গুজব মিথ্যাচার ও অপতথ্য ছড়িয়ে পড়া বন্ধেও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

তবে শুধু আইন করে অপতথ্য মোকাবিলা করা সম্ভব নয় বলেও আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে মিডিয়া লিটারেসি বা গণমাধ্যম সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি। অনলাইনে কোনো তথ্য গ্রহণ ও প্রচারের আগে তার সত্যতা যাচাইয়ের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

আড়ও পড়ুন,সাইবার অপরাধ ঠেকাতে নতুন ইউনিট গঠনের ঘোষণা

বর্তমান সময়ে অনলাইনভিত্তিক সাংবাদিকতার ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। পাশাপাশি সাংবাদিকতা ও ডিজিটাল কনটেন্ট থেকে আয়ের নতুন নতুন পদ্ধতিও তৈরি হচ্ছে। এসব নতুন বাস্তবতাকে নীতিমালার কাঠামোর মধ্যে আনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তথ্য উপদেষ্টা।ডা. জাহেদ উর রহমান আরও বলেন গুজব মিথ্যাচার বা অপতথ্য ছড়ানোর ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ সবার জন্য একই হওয়া উচিত। কোনো ব্যক্তি বা পক্ষের পরিচয় বিবেচনা না করে একই আইনি কাঠামোর আওতায় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

আলোচনা সভায় প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের বিভিন্ন সংশোধনী নিয়ে মতামত তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ জার্নালিস্টস কাউন্সিলের পর্যালোচনা এবং বিভিন্ন প্রস্তাবনা নিয়েও আলোচনা করেন অংশগ্রহণকারীরা।

সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মতপ্রকাশ ও সাংবাদিকতার নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইনটি কীভাবে আরও কার্যকর করা যায় তা নিয়েই সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।


ক্রাইম এক্সপ্রেস

সম্পাদক : রিপন রুদ্র
নির্বাহী সম্পাদক:জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সাইবার সুরক্ষা আইনে পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে
0:00 0:00
1.0x